উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায় বৃন্দাবনের কেসি ঘাটে একটি নৌকা পন্টুন সেতুর সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে যমুনা নদীতে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌকাটিতে প্রায় ২৭ জন দর্শনার্থী ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় দশজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তবে, এখনও কিছু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। আগ্রার ডিআইজি শৈলেশ পান্ডে জানিয়েছেন, শ্রী বাঁকে বিহার মন্দির থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে কেসি ঘাটে শুক্রবার বেলা ৩টে ১৫ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নৌকাটিতে আনুমানিক ২৫ থেকে ২৭ জন যাত্রী ছিলেন। একটি পন্টুন সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এখন পর্যন্ত ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ দল ঘটনাস্থলে এসেছে। স্থানীয় পুলিশ, ডুবুরি উপস্থিত রয়েছে ঘটনাস্থলে।
মথুরার জেলা শাসক চন্দ প্রকাশ সিং জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিআরএফ এবং সেনাবাহিনীকেও সাহায্যের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এনডিআরএফ দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে, এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে এবং উদ্ধার অভিযান চলছে। দুর্ঘটনায় নিহতরা পাঞ্জাবের লুধিয়ানার বাসিন্দা বলে জানা গেছে, তাঁরা বৃন্দাবনে এসেছিলেন।
জানা গেছে, পাঞ্জাব থেকে আসা দর্শনার্থীবাহি একটি স্টিমার একটি পন্টুন সেতুর সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ও ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং ডুবে যাওয়া বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তবে, এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিহতদের পরিবারদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্যও আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছেন,‘‘মথুরা জেলায় নৌকাডুবির দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক। শোকসন্তপ্ত পরিবারদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।’’ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে এবং জীবিতদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করতে পাঞ্জাব সরকার মথুরার স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
Boat Capsizes in Mathura
মথুরায় নৌকাডুবে মৃত ১০, জারি উদ্ধার অভিযান
×
Comments :0