Sujan Chakraborty

নির্বাচনে নির্ণায়ক শক্তি হবে বামফ্রন্ট ও সহযোগীরা, কাঁকসায় চক্রবর্তী

রাজ্য জেলা বাংলা বাঁচানোর ভোট

এই নির্বাচন বাংলা বাঁচানোর নির্বাচন। ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার নির্বাচন। নতুন প্রজন্মের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার নির্বাচন। অভিজ্ঞতা থেকে বড় বন্ধু কেউ হতে পারেনা। মানুষ দিল্লিওয়ালাদের দেখছেন। ১৫টা বছর ধরে তৃণমূলকে পরখ করার অভিজ্ঞতাও মানুষের হয়েছে। মানুষের মনের চিন্তার প্রতিফলন ঘটছে। এই নির্বাচনে বামফ্রন্ট ও সহযোগীরা হবে নির্ণায়ক শক্তি। শনিবার কাঁকসার গোপালপুর ও দুর্গাপুর ইস্পাত নগরির অশোক অ্যাভেনিউতে নির্বাচনী সমাবেশে একথা বলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।  দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রে বামফ্রন্টের সিপিআই(এম) প্রার্থী সীমান্ত চ্যাটার্জির সমর্থনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 
গোপালপুর উত্তরপাড়ায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বীরেশ মন্ডল। প্রবীন নেতা রথীন রায়, ডমরুকরেশ মন্ডল মঞ্চে ছিলেন। অশোক অ্যাভেনিউতে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বরূপ ব্যানার্জি। সুজন চক্রবর্তী বলেন, বিজেপি ও তৃণমূল আরএসএস’র গুদামজাত দল। এই নির্বাচন তৃণমূল বিজেপিকে একসঙ্গে ঠেকানোর লড়াই। দেশভাগের বিপদে পড়া মানুষ, এসআইআর-এ বিপদে পড়া মানুষ, অভয়া হাঁসখালির বিচার না পাওয়া মানুষ বুঝতে পারছেন কেনো এমন হয়। বিজেপি তৃণমূল ঠেকাবে না। তৃণমূল বিজেপিকে ঠেকাবে না। ওদের ছদ্ম লড়াই, বোঝাপড়া ‘কাকুর কন্ঠস্বর, মুখ্যমন্ত্রীর আই প্যাকের বগলদাবা ফাইলে চাপা পড়ে রয়েছে। দুই দলের বোঝাপড়া এমনই যে এই দল থেকে ওদলে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। এসআইআর-এ ২৭ লক্ষ নাম বাদ হলো। এর আগেও ২০০২ সালে এসআইআর হয়েছে। দিল্লিতে তখন বিজেপি’র সরকার কিন্তু রাজ্যে বামফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মানুষকে এমন নাজেহাল হতে হয়নি। ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ভোট করাতে হয়নি। রজ্যে তৃণমূল থাকায় বিজেপি’র কোনো কাজেরই বাধা পেতে হয়নি। আগের ভোটে এনআরসি জুজু দেখানো হয়েছিল। এবার এসআইআর। ডিলিমিটেশন হয়েছে তৃণমূলের সাংসদদের বিজেপি সহযোগী অবস্থান নেওয়ায়। তৃণমূল ও বিজেপি গণতন্ত্রের টুঁটি টিপে ধরতে চাইছে। তৃণমূল  মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোট, পৌর ভোট, সমবায় নির্বাচন সবক্ষেত্রে ভোট লুট। দুর্গাপুর পৌর কর্পোরেশনের ভোট লুট করেছিল তৃণমূলের কুখ্যাত তেওয়ারি, এখন বিজেপির প্রার্থী। 

Comments :0

Login to leave a comment