সেই কাক ভোরে তামান্নার ন্যায় বিচারের সাথী দেবাশিস আচার্য কে সঙ্গে নিয়ে পলাশি রেলওয়ে বস্তি হয়ে গালর্স স্কুল পাড়ায় প্রভাতী প্রচার চলছিল বাড়ি বাড়ি। হঠাৎই পলাশির মিরা বালিকা বিদ্যানিকেতনের সামনে গিয়ে থমকে দাঁড়ান সিপিআই(এম) প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। তখন স্কুল গেটে ছাত্রীদের ভিড়, সঙ্গে এসেছেন ছাত্রীদের মায়েরা। সেখানে ছুটে যান সাবিনা। জল ভরা চোখে বলে ওঠেন তামান্নাও এবার ফাইভে উঠতো,ওর সখ ছিল গ্রাম পেড়িয়ে বাজারের এই বড় স্কুলে পড়ার। অথচ ওর সেই স্বপ্ন সত্যি হলো না। চোখের জল কে আগুনে পরিনত করে সাবিনা বলতে থাকেন, তৃনমূলের লোকেরা ওর ফুলের মতো তামান্নাকে চিরদিনের মতো শেষ করে দিল। এর বিচার চাই। উপস্থিত অভিভাবক অভিভাবিকারা বলে ওঠেন এই লড়াইয়ে তাঁরা তার পাশে আছেন। একজন অভিভাবক তাঁর মেয়েকে দেখিয়ে বলেন , তার মেয়ের নাম ও তামান্না। এই নৃশংস ঘটনা তিনি ও মেনে নিতে পারেনানি। এরপর দেবাশিস আচার্য তাদের কাছে আবেদন করেন এবারে কালিগঞ্জ-এ সেই শহিদ জননী ও ঘাতকেরা মুখোমুখি লড়াই এ নেমেছেন। তাঁদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন তিনি।
assembly 2026 kaliganje
প্রচারের মাঝেই হঠাৎ চোখে জল তামান্নার মায়ের
পলাশির মিরা বালিকা বিদ্যানিকেতনের সামনে সিপিআই(এম) প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন।
×
Comments :0