Bastar Ration Crisis

রেশন-অঙ্গনওয়াড়ির সমস্যা তীব্র, বস্তারে দারিদ্রের সঙ্গে লড়াইয়ে নেই বিজেপি

জাতীয়

মাওবাদীদের নিকেশ করতে অভিযান চলছে। দারিদ্র আর অভাবকে হারানোর লড়াইয়ে কী আদৌ রয়েছে বস্তার?
সংসদের চলতি অধিবেশনেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন যে কয়েকদিনের মধ্যে ‘নকশালবাদ মুক্ত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে। সেই লক্ষ্যে টানা সশস্ত্র বাহিনী অভিযানও চালাচ্ছে মধ্য প্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ে। সেই সময়েই রাজ্য বিধানসভায় তোলপাড় হচ্ছে বেশন না পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে। 
ট্রাক্টর ভাড়া করে দুর দূর গ্রাম থেকে রেশন তুলতে এসেও ফিরে যাচ্ছেন  মানুষ। ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনে জগরগুন্দা গ্রামের বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ট্রাক্টর ভাড়া করতেই একেকজনের ৪০০-৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা তুলতে হয়েছে। 
গচ্চা কেবল ট্রাক্টরের ভাড়া গুনতেই নয়। যেদিন রেশন তুলতে আসতে হচ্ছে দূর দূর গ্রাম থেকে, সেদিন কাজে বেরতে পারছেন না দিনমজুররা। ফলে মার যাচ্ছে একদিনের মজুরিও। 
কিন্তু যন্ত্রণার শেষ এখানেও হচ্ছে না। 
প্রায় ১২ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে রেশন দোকানের সামনে। অনেকে তারপরও রেশন তুলতে পারছেন না। এক দোকান মালিক জানিয়েছেন নতুন রেশন কার্ড করা হয়েছে। অনলাইনে সংযোগও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কারিগরি সমস্যার কারণে রেশন দেওয়া যায় না অনেক সময়েই।
বাসিন্দারা এনডিটিভি-র সাংবাদিককে জানিয়েছেন যে তিন মাসের রেশন একবারে পাওয়ার কথা। অথচ এক মাসেরটা দিয়েই ফেরত পাঠানো হচ্ছে। 
ছত্তিশগড় বিধানসভায় মার্চেই উঠেছে রেশন সমস্যা মেটানোর দাবি। বিরোধী কংগ্রেস বিধায়করা তুলেছেন বেহাল অঙ্গনওয়াড়ির প্রসঙ্গও। 
রাজ্যের বিজেপি সরকারের জবাবেও রয়েছে স্বীকারোক্তি। বস্তার ডিভিশনে ৯,৮৭৬টি অঙ্গনওয়াড়ির মধ্যে ২,২০৯টি চলছে নির্দিষ্ট কোনও বাড়ি ছাড়াই। রেশনের প্রশ্নে সরকারের বক্তব্য ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে

Comments :0

Login to leave a comment