KMC

নাগরিক পরিষেবার সংকট, কর্পোরেশনে অচল অবস্থা

কলকাতা

কলকাতায় রইলো না কোনও কাউন্সিলর। ১৪৪ টি ওয়ার্ডে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কাজ করতে পারবেন না। থাকলো না সই করার অধিকার, কর্পোরেশনের ওয়ার্ড অফিসও ব্যবহার করতে পারবেন না তারা। পৌর বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর থেকেই পরিষেবা সংক্রান্ত সঙ্কটে কলকাতার নাগরিকরা। বাম, তৃণমূল, বিজেপি সব কাউন্সিলরের অভিজ্ঞতাই এক জানাচ্ছেন তাঁরা।  
কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করেন ৫ জুন। তারপর কলকাতা কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে কর্পোরেশনের পৌর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকেই নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হয় কলকাতা কর্পোরেশনের পৌর বোর্ড। নির্বাচিত কোনও প্ৰতিনিধি কাজ করতে পারবেন না।

নাগরিক সমস্যার অভিযোগ তুলে ধরতে কলকাতার প্রশাসক স্মিতা পান্ডের সঙ্গে দেখা করেন কর্পোরেশনের দুই বামপন্থী কাউন্সিলর। স্মিতা পান্ডে তাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন। কলকাতা কর্পোরেশনের বামপন্থী কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব বলেছেন, ওয়ার্ডের মানুষের কাছে আমরা দায়বদ্ধ। আমাদের সই করার অধিকার থেকে সরিয়ে দেওয়ার হয়েছে। এর ফলে মানুষ আমাদের প্রশ্ন করছেন। অনেক সার্টিফিকেট কাউন্সিলরদের দিতে হয়। মানুষ তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সিপিআই(এম) কাউন্সিলর নন্দিতা রায় জানাচ্ছেন, আমরা আর সই করার অধিকারী নই। তাই যারা আসছেন স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদের কাছে পাঠাচ্ছি। কিন্তু সব সময় তাদের পাওয়া যায় না। এর ফলে পরিষেবায় মানুষের সমস্যা হচ্ছেই।  

নাগরিক পরিষেবার সমস্যার কথা তুলে বিজেপি কাউন্সিলর মীনা দেবী পুরোহিত বলেছেন যে পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা হচ্ছে। আমরা কোথাও সই করতে পারছি না। আমি নিজে স্থানীয় বিধায়কের কাছে পাঠিয়েছি। মেয়র এই ৫ মাসের জন্য পদত্যাগ না করেই পারতেন। সামনে বর্ষা সমস্যা আরও বাড়বে। এলাকার মানুষ আমায় বলবেন পরিষেবা সমস্যা হলে।

তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে বলেছেন মানুষ প্রথম কাউন্সিলরদের কাছে আসেন। এখন তাঁরা কোথায় যাবেন। মানুষ তো পরিসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

Comments :0

Login to leave a comment