এসআইআর প্রসঙ্গে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এসআইআর পর্বে এই নিয়ে তিনবার চিঠি দিলেন জ্ঞানেশ কুমারকে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন শনিবার নতুন নির্দেশিকা পাঠিয়েছে রাজ্যে নিযুক্ত মাইক্রো অবসার্ভারদের। বলা হয়েছে, এসআইআর-এ নির্ধারিত বিধির বাইরে প্রক্রিয়া চলতে দেখলে দ্রুত জানাতে হবে।
খসড়া তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যে এখন চলছে শুনানি প্রক্রিয়া। ‘আনম্যাপড’, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বলে ডাকা হচ্ছে শুনানিতে। উঠছে হয়রানির অজস্র অভিযোগ। বৈধ ভোটদাতাদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়ে এই ‘আনম্যাপড’ ও ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি-র অর্থ কী জানতে চেয়ে রাজ্যে কমিশনের সিইও-কে চিঠি দিয়েছে সিপিআই(এম)। ‘ডেটা রুম’-এ তৃণমূলের ভোট ম্যানেজার আইপ্যাকের কর্মীদের অংশ নেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে। দ্রুত বৈঠকের আর্জি জানিয়েছে সিপিআই(এম)। ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ফলতা সহ বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের খসড়া তালিকায় থাকা উচিত নয় এমন অনেক নাম রয়েছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। শুনানিতে বুথ স্তরের এজেন্টদের যুক্ত না করার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মমতা চিঠিতে বলেছেন, শুনানি প্রক্রিয়া হচ্ছে যান্ত্রিকভাবে, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্যের ভিত্তিতে। এর মধ্যে মানবিক উপাদান নেই। তিনি বলেছেন, এসআইআর’র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে নাম বাদ দেওয়া।
চিঠির শেষে তিনি বলেছেন, ‘জানি কোনও ব্যাখ্যা বা জবাব আপনি দেবেন না। তবে বিশদে জানানো আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।’ মমতা লিখেছেন, সামান্য নামের বানান ভুল বা বয়সের এদিক-ওদিক দেখলে শুনানিতে ডেকে হেনস্তা করা হচ্ছে।
এদিকে মাইক্রো অবজার্ভারদের কমিশন বলেছে শুনানির পর্বে নথি মিলিয়ে দেখার কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর দিতে হবে। বাইরের চাপে প্রভাবিত না হয়ে কাজ করতে হবে।
Mamata's Letter to Gyanesh Kumar
ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি মমতার, মাইক্রো অবজার্ভারদের নির্দেশিকা কমিশনের
×
Comments :0