সিপিআই(এম) সদস্য নুর আজম (২৭) ইসলামপুরের প্রার্থী সামী খানের মনোননয়ন থেকে শুরু করে প্রচারে সব সময় ছিলেন। তারপর থেকেই তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়ছিলেন। সোমবার দুপুর দুটোতে এক তৃণমূল সমর্থক তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর থেকে কোনও খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এসেই আতঙ্কে ভুগতে থাকেন। পাগলের মতো করছিলেন নুর। এই পরিস্থিতিতে বাড়ির লোকজন তাঁকে ইসলামপুর হাসপাতালে নিয়ে আসার পরে মৃত্যু হয় নুর আজমের।
বাড়িতে মা, স্ত্রী ছোট্ট শিশু রয়েছে। সকলেই বাকরুদ্ধ।
ইসলামপুরের সিপিআই(এম) প্রার্থী সামী খান, পার্টি নেতা গৌতম বর্মন, পার্টির এরিয়া সম্পাদক আব্দুল করিম হাসপাতালে রয়েছেন।
এখনো পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়নি।
সামী খানের অভিযোগ, চক্রান্ত করে নুর আজমকে খুন করেছে বিরোধীরা।
নুরের মৃত্যুর খবর চাউর হতেই গুনজুরিয়া এবং ইসলামপুর এলাকার সিপিআই(এম) কর্মীরা ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে সামনে জমায়েত করতে শুরু করেন। সামি খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, নুর আজম সিপিআই(এম)’র সদস্য ছিলেন এবং তিনি যুব ফেডারেশনের কর্মী ছিলেন। মনোনয়ন জমা করা থেকে শুরু করে প্রথম দিকে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এই নুর আজম। কিন্তু গত কয়েকদিন থেকে তিনি প্রচারের কাজে অংশ নিচ্ছিলেন না। খবর পেয়েছিলাম তাঁকে নাকি মানসিক চাপ দিচ্ছে কেউ বা কারা। আমি ব্যস্ত থাকায় তার সাথে সেভাবে যোগাযোগ করতে পারিনি। বার্তা পাঠিয়েছিলাম, তাঁর সঙ্গে এ বিষয়ে পরে কথা হবে ঠিক হয়।
তিনি আরও বলেন, সামি খান প্রার্থী হওয়ায় অনেকেরই অসুবিধা হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে এভাবে খুন হয়ে যাওয়া আবার প্রমাণ করলো পশ্চিমবঙ্গ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার মতো জায়গায় নেই। নুরকে কিভাবে মারা হলো আমরা তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের উপযুক্ত সাজার দাবি জানাচ্ছি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।
cpi(m) worker killed
ইসলামপুরে তৃণমূলের হুমকির শিকার সিপিআই(এম) সদস্যের মৃত্যু
×
Comments :0