বিজয় প্রসাদ
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করার জন্য ট্রাম্প যখন চীনে গেলেন, তখন প্রতিবারের মতো এবারও পশ্চিমী সংবাদমাধ্যম কতগুলি দৃশ্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যস্ত ছিল: দারুণ ভোজসভা, গার্ড অব অনার, নাটকীয় সব অভিব্যক্তি যা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করার জন্যই আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এই সব আয়োজনের আড়ালে ছিল আরেক বাস্তবতা। সেই বাস্তবতা কঠোর এবং যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আস্থার অবস্থান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেজিঙে হাজির হয়নি। আসলে এসেছিল দুর্বল অবস্থান থেকে। ওয়াশিংটনের ঘাড়ে ছিল নিজেদেরই তৈরি করা একাধিক সঙ্কটের বোঝা: ইরানের সঙ্গে বিপজ্জনক ও বেআইনি সংঘাত, তেল আভিভের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যার জন্ম দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই। এছাড়া ছিল বিশ্বজোড়া অর্থনৈতিক অস্থায়িত্ব, গ্লোবাল সাউথে আমেরিকার গভীরতম কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা এবং শিল্প ও প্রযুক্তি জগতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের ক্রমাগত ক্ষয় সম্পর্কে তাদের ক্রমশ বেড়ে চলা উদ্বেগ। অন্যদিকে চীন বৈঠকে এসেছিল আত্মস্থ উদ্বেগহীনতা থেকে।
এই শীর্ষ বৈঠক থেকে এমন একটা সত্য উঠে এসেছে যা এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশ ইতিমধ্যেই সহজাতভাবে বুঝে গেছে: সামরিক দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিপজ্জনক শক্তি, কিন্তু তাদের আগের মতো প্রশ্নাতীত রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আর নেই। শীর্ষবৈঠকে চীনের ভাবভঙ্গি থেকেই বিশ্বের এই নতুন ভারসাম্য স্পষ্ট। এমনকী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে থাকা পশ্চিমী বিশেষজ্ঞরাও এই পরিবর্তন খেয়াল করেছেন। দ্য কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশনস বৈঠকের আগেই স্বীকার করেছিল যে, ‘বৈঠকে প্রাধান্য থাকবে চীনেরই।’ বহু দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জোর দিয়ে বলে এসেছে যে, চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছকে দেওয়া বিশ্ব ব্যবস্থার অধীন হয়েই থাকবে। তবে বেজিঙে বাস্তবতা উলটে গেছে। ট্রাম্প বেজিঙে গিয়েছিলেন নিজের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয়। তিনি গিয়েছিলেন চীনের সহযোগিতা চাইতে।
নতুন এই পরিস্থিতি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে ইরানের প্রশ্নে। পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক সীমাহীন সামরিকবাদের চক্রের ফাঁসে আটকা পড়ে রয়েছে। গত প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে এখানে তারা অবৈধ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে— ইরাক থেকে সিরিয়া হয়ে এখনকার ইরান সঙ্ঘাত। এগুলি স্ট্র্যাটেজিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দুর্বল করে ফেলেছে এবং এই অঞ্চলের লোকেদের জীবনে নামিয়ে এনেছে অশেষ দুর্ভোগ। এখন ওয়াশিংটন বুঝেছে যে, তারা এককভাবে এই এলাকায় স্থিতিশীলতা আনতে পারবে না। ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে চীনের ছায়া দীর্ঘতর হচ্ছে। ফলে এই অঞ্চলে চীনের যে প্রভাব রয়েছে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
বিশেষজ্ঞরা খোলাখুলি ওয়াশিংটনের নির্ভরতার কথা বলেছেন। আল জাজিরা রিপোর্ট করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিকারিকেরা আশা করেছিলেন চীন ইরানকে ‘চাপ দেওয়ার কাজে আরও বড় ভূমিকা নেবে’ এবং তেহরানকে পরিস্থিতির উত্তেজনা কমানোর দিকে ঠেলবে। নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষণ বলছে, পর্যবেক্ষকেরা তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন এটা দেখার জন্য ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে ইরানের সঙ্গে চলতে থাকা সংঘাত মেটাতে সাহায্য করার কথা বলবে কি না।’ এমনকী ট্রাম্পের শীর্ষ বৈঠক সংক্রান্ত যে নিজস্ব অ্যাজেন্ডা তাতেও এই নির্ভরতা স্পষ্ট হয়েছিল। কারণ আলোচনায় অনেক বেশি নজর ছিল হরমুজ প্রণালীতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে এবং আঞ্চলিক স্থায়িত্বের প্রশ্নে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হলো: যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে নিজেদের অপরিহার্য বলে দাবি করে এসেছে, এখন নিজেদেরই তৈরি করা সঙ্কটের সামাল দিতে তাদের চীনের সহযোগিতা দরকার হচ্ছে।
এই বাস্তবতা চীন বুঝতে পেরেছে এবং সেই মোতাবেক পদক্ষেপ করেছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কোনও ভাবভঙ্গি করেননি। নাটকীয় কায়দায় কোনও হুমকি দেননি। আবেগজনিত কোনও অস্থিরচিত্ততাও তিনি দেখাননি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এখনকার রাজনৈতিক সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে উঠেছে। বরং, তিনি ধীরস্থিরভাবে নিজেকে উপস্থাপিত করেছেন।
তাইওয়ান ইস্যুতে দৃঢ় ছিলেন শি। শীর্ষ বৈঠকের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, শি সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন তাইওয়ান ইস্যুর যদি ঠিকমতো সমাধান করা না হয়, তা হলে তা ‘সংঘাতে’ গড়াতে পারে। এটা ভয় পেয়ে আতঙ্কিত হওয়ার ভাষা নয়। এটা স্পষ্ট স্ট্র্যাটেজিক ভাষা। বেজিঙ এ কথা বোঝে যে, বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় বিপদ সেই সব উদীয়মান শক্তির দিক থেকে আসছে না যারা মর্যাদা দাবি করে। বরং বিপদ রয়েছে সেই বিশ্ব শক্তির দিক থেকে যাদের ক্ষমতা ক্রমশ ক্ষইছে (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) কারণ নিজেদের তাদের সীমা কতদূর সেটা মেনে নিতে তাদের বাধছে। গ্লোবাল সাউথের কাছে এই ফারাকটা গভীরভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সাম্র্যাজ্যবাদী অস্থিরতা মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা গ্লোবাল সাউথের অনেক দেশের রয়েছে। তারা একথা জানে, যে সাম্রাজ্য ক্ষইছে তারা দারুণ এলোমেলো, ভুল কাজ করে (এই কারণেই আলোচনায় শি থুসিডাইডিস ফাঁদের প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন— এর মানে হলো উদীয়মান শক্তির বিরুদ্ধে ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এমন শক্তি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে— এবং শি বলেছিলেন থুসিডাইডিস ফাঁদ এড়ানোর কথা যাতে সবাই শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে)। অর্থনৈতিক শক্তি ক্ষয় হলে তা থেকে প্রায়ই সামরিকবাদের জন্ম হয়। রাজনৈতিকভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন অবস্থাই বাহ্যিক আগ্রাসনের জন্ম দেয়। সমসাময়িক কালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদেহে নির্দিষ্টভাবে এই বৈশিষ্ট্যগুলিই পরিস্ফুট হচ্ছে। এই দেশটির এলিটেরা ক্রমাগত ‘প্রতিযোগিতা’ ও ‘বাধা দেওয়া’র কথা আওড়ে চলে। অন্যদিকে, এই দেশের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানগুলি বৈধতার গভীর সঙ্কটে নিমজ্জমান।
এই শীর্ষ বৈঠকে চীনের আচরণ পূর্ব এশিয়ার ব্যাপ্তি ছাড়িয়ে আরও বড় অঞ্চলে রাজনৈতিক শিক্ষার উপাদান হয়ে থাকবে। শি দেখালেন যে, আত্মসমর্পণ না করে কিংবা নাটকীয়তার আশ্রয় না নিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতীকী আড়ম্বর কিংবা আবেগে ঠাসা অভিযোগ দায়েরের কোনও দরকার হয় না। সার্বভৌম এবং সমান শক্তিসম্পন্ন দেশ হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিবেচনা করেছে চীন এবং শান্ত চিত্তে সেই সমতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির পক্ষে এমন অবস্থান নিতে পারাটা খুবই গুরুত্বের। কারণ তারা বিপুল চাপের মোকাবিলা করে সার্বভৌম উন্নয়ন প্রকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সাময়িক স্থায়িত্বের বিনিময়ে ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করার পুরানো মডেল ক্রমশ আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্মান হারাচ্ছে। গোটা আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়া জুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকার এখন বিকল্পের সন্ধানে রয়েছে। সেই বিকল্পগুলি হলো জাতীয় সংহতি, সাউথ সহযোগিতা এবং স্ট্র্যাটেজিক স্বায়ত্তশাসন। এই শীর্ষ বৈঠক দেখিয়ে দিল যে এই ধরনের স্বায়ত্ত শাসন এখন শুধুমাত্র আর আকাঙ্ক্ষার পর্বেই নেই, এটা বাস্তবত সম্ভবও।
ট্রাম্পের প্রতিনিধিরা এটাও বুঝে গেলেন যে বিশ্ব অর্থনীতির স্তরবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে চীনে গিয়েছিলেন বৃহৎ কর্পোরেট একগজিকিউটিভেরা। তাদের লক্ষ্য ছিল চীনের বাজার দখল। কৃষিপণ্য ক্রয়, বোয়িং বিমান বিক্রি, রেয়ার আর্থ এবং প্রযুক্তির বিক্রির মধ্যে দিয়ে উঠে আসছে একটা বৃহত্তর সত্য: অর্থনৈতিকভাবে এখন চীনকে দরকার আমেরিকার। তবে চীনের আর আগের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দরকার নেই। মার্কিন কৃষিপণ্যের আমদানি বাড়াতে রাজি হয়েছে চীন। এই পদক্ষেপ আংশিক ভাবে মার্কিন চাষিদের ওপর থাকা চাপ কমাবে। যে চাপ ট্রাম্প নিজেই তৈরি করেছেন তাঁর বাণিজ্য যুদ্ধের মাধ্যমে এবং তার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মার্কিন চাষিরা। এই বিষয়টাও চোখ খুলে দেওয়ার মতো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা দেখানোর লক্ষ্যে ওয়াশিংটন বাণিজ্য যুদ্ধের ঘুঁটি সাজিয়েছিল। অথচ পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এ থেকে রেহাই পাওয়ার পথ খুঁজছে।
অন্যদিকে চীন ধারাবাহিকভাবে এবং ধৈর্যের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্পোৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি গড়ে তুলছে এবং ইউরেশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা জুড়ে কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক তৈরি করছে। বেজিঙের রণনীতির প্রাথমিক ভিত্তি সামরিক জোট নয়, বরং তার ভিত্তি পরিকাঠামো, বাণিজ্য, ফিনান্স ও উন্নয়ন। এই রণনীতির কিছু কিছু দিকের সামলোচনা হতেই পারে। কিন্তু বিশ্ব শক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যে এটা মৌলিকভাবে ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গি। এটা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার দৃষ্টিভঙ্গির একেবারে বিপরীত অবস্থান। অথচ ঠান্ডা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে মার্কিন বিদেশ নীতিতে স্থায়ী যুদ্ধের রণনীতিই আধিপত্য করেছে।
এই শীর্ষ বৈঠক একটি আবশ্যিক ঐতিহাসিক বিকাশকে সামনে এনেছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধহীন একাধিপত্য বা শ্রেষ্ঠত্বের পর্বের অবসান ঘটেছে। এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষমতা বিপুল। এই শক্তিটি বিধ্বংসী হিংসা চাপিয়ে দিতে পারে। সেই বিপজ্জনক ক্ষমতা আসলে বাস্তব। তবে আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার সঙ্গে মিশে থাকত যে রাজনৈতিক আস্থা, সেটার ক্ষয় হয়েছে। হুমকি ও আবেদন, ক্রমাগত এই দু্’য়ের মধ্যে দোলাচলে থাকতে হচ্ছে তাদের। একদিকে তারা চাপিয়ে দিচ্ছে জবরদস্তি, আবার তারপরেই সাহায্যের জন্য দরবার করছে। তাদের এই দ্বন্দ্বটা সবার কাছেই এখন স্পষ্ট।
ফলে বেজিঙ শীর্ষ বৈঠকে চীনের যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে তা নিছক কূটনৈতিক নয়। এটা শিক্ষামূলক। শি যেভাবে ঠান্ডা মাথায়, ধীরস্থির মনোভাব দেখিয়েছেন, সেটা একটা উদাহরণ। কীভাবে একটা নড়ে যাওয়া সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হয় সেটাই দেখিয়েছেন শি। সেই কৌশল হলো: আতঙ্কে ভোগা নয়, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করো, অপমান, নিগ্রহ মানতে অস্বীকার করো, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা গড়ে তোলো এবং স্বীকার করো যে ইতিহাস এগিয়ে চলেছে।
সমগ্র গ্লোবাল সাউথ জুড়ে এই যে ‘নতুন মনোভাব’, সেটা উঠে আসছে ওপরের বিষয়টিকে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্যে দিয়ে। যে সব দেশকে আগে মনে করা হতো পশ্চিম নীতির নিছক ক্রীড়নক হিসাবে, তারা এখন বেশি বেশি করে ইতিহাসের সচেতন কর্তা হিসাবে কাজ করছে। তারা চায় পার্টনারশিপ বা অংশীদারিত্ব। চায় না আধিপত্য। তারা সামরিকীকরণ চায় না, চায় উন্নয়ন। নির্ভরতা নয়, চায় মর্যাদা। সেই মনোভাবটাই বেজিঙে স্পষ্ট করেছেন জিনপিং। এবং করেছেন দারুণ শৃঙ্খলাবোধের পরিচয় দিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসেছিল সাহায্যপ্রার্থী হয়ে। কিন্তু চীন আচরণ করেছে স্থিতধীর মতো। গ্লোবাল সাউথের অনেক দেশই সযত্নে এটা লক্ষ্য করেছে এই আশায় যে, একদিন তারাও ক্ষমতাধরদের এভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। যে ক্ষমতাধরেরা এতদিন তাদের নিকৃষ্ট শক্তি মনে করেছে তারাও তাদের সমমর্যাদা দিতে বাধ্য হবে।
Highlights
এই শীর্ষ বৈঠক থেকে এমন একটা সত্য উঠে এসেছে যা এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশ ইতিমধ্যেই সহজাতভাবে বুঝে গেছে। সামরিক দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিপজ্জনক শক্তি, কিন্তু তাদের আগের মতো প্রশ্নাতীত রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আর নেই। শীর্ষবৈঠকে চীনের ভাবভঙ্গি থেকেই বিশ্বের এই নতুন ভারসাম্য স্পষ্ট।
,USA CHINA
ট্রাম্পকে শূন্য হাতেই ফেরালো বেজিঙ
×
Comments :0