META Layoff

নির্মম ছাঁটাই মেটা-র, ভোর চারটেয় কর্মীরা জানছেন কাজ নেই

আন্তর্জাতিক

ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত জানানো চিঠি আসছে ভোর চারটেয়। কিছু বোঝার আগে ই-মেল খুলে ফেসবুক কর্মীরা দেখছেন চাকরি নেই। 
ফেসবুক এবং ইন্টাগ্রামের মালিক সংস্থা মেটা বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে ছেঁটে ফেলছে। তবে ছাঁটাই কেবল এই পর্বেই থেকে থাকবে না। 
সম্প্রতি মেটা ঘোষণা করেছে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-র পিছনে ১০০ বিলিয়ন ডলার মূলধন বিনিয়োগ হবে। এক বিলিয়ন মানে একশো কোটি। আর ডলারের দাম টাকার অঙ্কে ৯৬ পার করেছে। 
কিন্তু এআই’র জন্য বিনিয়োগ হলে কর্মী ছাঁটাই কেন?
‘ব্লুমবার্গ’-র একটি প্রতিবেদনে মেটা-র শীর্ষস্তরের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে যে এআই বাজারের জন্য দরকার দ্রুত কাজ করতে পারে কর্মীদের এমন ছোট ছোট টিম করা। সংস্থার খরচ কমানো হবে। 
একাংশের মত, শেয়ার বাজারে নিজেদের দাম বাড়াতে এমন নীতি। কারণ এআই-র শেয়ারের পিছনে বিনিয়োগ হচ্ছে তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারে। এই আশঙ্কাও হয়েছে অর্থনীতিতে সঙ্কটের সময় শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা রাখতে আন্তর্জাতিক লগ্নি পুঁজির নতুন দাওয়াই ‘এআই বাব্‌ল’। 
এদিকে পুনর্গঠনের নামে ছাঁটাইয়ের জেরে মেটা-র কর্মীরা তীব্র শঙ্কায় ভুগছেন। ভুগছেন হতাশায়। কয়েক হাজার কর্মী পিটিশনে সই করে মেটার প্রধান মার্ক জুকেরবার্গকে পাঠিয়েছেন। পিটিশনে বলা হয়েছে তাঁরা কিভাবে কাজ করেন তাঁদের যন্ত্র থেকে সেই তথ্য রেকর্ড করা হচ্ছে। এই তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে এআই তৈরি করার কাজে। 
মেটার এক প্রাক্তন কর্মী সোশাল মিডিয়া ‘এক্স’-এ লিখেছেন, আমার যে বন্ধুরা এখনও টিকে রয়েছেন তাঁরাও জানেন যে কোনও সময় চলে যাবে কাজ। এভাবে কী কাজ করা যায়!’’
মেটা ছাঁটাইয়ের নোটিশ পাঠাতে শুরু করে এশিয়ায় সিঙ্গাপুর থেকে। স্থানীয় সময় ভোট চারেটয় কর্মীদের কাছে পৌঁছেছে ই-মেল। 
ছাঁটাইয়ের আগে মার্চে বিশ্বে মেটার কর্মীর সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার।

Comments :0

Login to leave a comment