Post editorial

আশা নিরাশার দোলাচলে পরিবেশ

উত্তর সম্পাদকীয়​

বাসব বসাক
 

‘ভীষণ তোমার প্রলয় সাধন’
তীব্র দাবদাহে জ্বলছে উত্তর, উত্তর পশ্চিম ও মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। খোদ রাজধানীর তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে কবেই। উত্তর প্রদেশের বান্দায় তাপমান পৌঁছে গেছে ৪৯ ডিগ্রির আশপাশে। গোটা বুন্দেলখণ্ড জুড়ে তাপপ্রবাহের দাপট এতটাই যে গভীর রাতে এলইডি আলো জ্বেলে চাষের কাজ করতে হচ্ছে সেখানকার কৃষকদের। পুড়ছে বাংলাও। এই বেলাগাম উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের সঙ্গেই এ বছর যুক্ত হয়েছে নিরক্ষীয় রেখার কেন্দ্রীয় ও পূর্ব দিশা বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরের অতিরিক্ত তেতে ওঠা, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে এল নিনো।  আমেরিকার জাতীয় মহাসাগরীয় ও বায়ুমণ্ডল বিষয়ক প্রশাসন (এনওএএ) গত ২৬ মে, ২০২৬- এর রিপোর্ট অনুযায়ী চলতি বছরের মে থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এল নিনোর প্রকটতা বৃদ্ধির আশঙ্কা অন্তত ৮২ শতাংশ। এর আগে এল নিনোর সর্বোচ্চ অভিঘাত প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ব সেই ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮-এর গোড়া পর্যন্ত সময়কালে। এ বছর এল নিনোর প্রভাব অভিশাপ হয়ে দেখা দিতে চলেছে মূলত উত্তর গোলার্ধ জুড়ে। এর ফলে সমুদ্রের অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, বেলাগাম তাপপ্রবাহ, খরা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্কট— এ সব কিছুর আশঙ্কাই প্রকট। পাশাপাশি ভারতে আসন্ন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে যেটুকু বৃষ্টিপাত এ বছর হতে চলেছে তা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কা।  অন্তত ভারতের জলবায়ু সর্বেক্ষণ বিভাগ তাদের গত ২৩ এপ্রিলে প্রকাশিত রিপোর্টে তেমনটাই জানাচ্ছে। সাধারণত প্রতি বছর মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে গড়ে মোট বৃষ্টিপাতের ৭০ শতাংশ অর্থাৎ কিনা গড়ে ৮৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে ভারতে। কিন্তু এ বছর মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে। যার প্রত্যক্ষ ফল ভুগতে হবে মৌসুমী বৃষ্টি নির্ভর কৃষকদের ৬০ শতাংশকেই। প্রসঙ্গত মনে রাখা ভালো ২০০৯ সালে তুলনামূলক দুর্বল এল নিনোর প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদি গড়ের নিরিখে ভারতে মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছিল ৭৮.২ শতাংশে, যা কিনা ছিল পূর্ববর্তী  ৮৭ বছরে সব থেকে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। তাছাড়া মৌসুমী বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল ভারতের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ এবং অন্তত ৪ লক্ষ কোটি ডলারের কৃষি অর্থনীতি। এর ওপর ভারতের ভোগ্যপণ্য মূল্যসূচকের এক তৃতীয়াংশই যেহেতু খাদ্যশস্য,তাই কম বৃষ্টিপাত মানে এই সূচকের মানের অবমূল্যায়ন এবং স্বভাবতই বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। ভারতে এই মুহূর্তে মোট উৎপাদিত শক্তির প্রায় ৬ শতাংশ হলো জলবিদ্যুৎ। ফলে বৃষ্টিপাত কম হওয়া মানে নদীতে জলের প্রবাহের ঘাটতি এবং স্বভাবতই জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বহুলাংশে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে উত্তরোত্তর তাপমাত্রা বৃদ্ধি জনিত বেলাগাম তাপপ্রবাহে জেরবার মানুষ, বিশেষত অসংগঠিত শ্রমিক, যারা এই মুহূর্তে ভারতের মোট শ্রমজীবী মানুষের ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। 
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা দীর্ঘকালীন তাপপ্রবাহের নিরিখে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিতে চলেছে ২০২৬। গত বছর নভেম্বরে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে জার্মান ওয়াচসংস্থা কৃত বিশ্ব জলবায়ু বিপন্নতা সূচক (২০২৬) অনুযায়ী ভারত পূর্বতন পঞ্চদশ স্থান থেকে উঠে এসেছে  প্রথম দশটি দেশের মধ্যে নবম স্থানে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী শুধুমাত্র ২০২৪-এ ৩ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাপপ্রবাহের কারণে। ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ভারতে গড়ে বছরে ১১১৬ জনের মৃত্যুর কারণ দুর্বিষহ তাপপ্রবাহ; যদিও সংখ্যাটা আদতে ঢের বেশি। কেননা তাপপ্রবাহ জনিত মৃত্যুর অধিকাংশই ঠিক মতো নথিভুক্ত  হয় না ভারতে। 
উষ্ণায়নের প্রভাবে ক্রমশ বাড়ছে সমুদ্রের জলতল। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তঃসরকারি চক্র (আইপিসিসি) জানাচ্ছে ১৮৫০ থেকে এ পর্যন্ত সমুদ্রতলের বৃদ্ধি ঘটেছে ২০ সেন্টিমিটার, যার প্রায় পুরোটাই হয়েছে গত ৩০ বছরে এবং এ ভাবে চললে চলতি শতকের শেষে সমুদ্র জলতল বাড়ার আশঙ্কা কম করেও আধ মিটার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাত্র তিন দশক আগেও কুমেরুর আয়তন ছিল আজকের তুলনায় ছ’গুণ বেশি। মনে রাখা দরকার মেরু প্রদেশের বরফ পাতের গলন আর হিমবাহ গলা এক জিনিস নয়। বিশ্বের সব কটা হিমবাহ যদি গলে যায় তবে বিশ্বের সমুদ্র জলতল বাড়বে বড়জোর ২৪ সেন্টিমিটার; কিন্তু মেরুর সব বরফ পাত গলে গেলে সমুদ্রতল বেড়ে যাবে ৬৫ মিটার, মানে ৩০০ গুণ বেশি। ‘নেচার রিভিউজ আর্থ অ্যা ন্ড এনভায়রনমেন্টে’র সাম্প্রতিক সংখ্যায় প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের অন্তত ৩১০০ টি হিমবাহ হুড়মুড়িয়ে গড়িয়ে নেমে আসছে, যার বড় অংশই আবার আমাদের কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত। এগুলোর মধ্যে ৮১ টির অবস্থা খুবই ভয়াবহ। যে কোনও সময় পার্শ্ববর্তী জনপদগুলি বরফ চাপা পড়ার আশঙ্কা ষোল আনা। 
গত ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে ইসাবেলা এস টাগোমোরি ও তাঁর সহযোগীরা জানাচ্ছেন যতক্ষণ পর্যন্ত না জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে কড়া নিয়ন্ত্রণ লাগু করা সম্ভব হবে ততক্ষণ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মোতাবেক চলতি শতাব্দীর শেষে উষ্ণতা বৃদ্ধিকে শিল্পায়ন পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বেঁধে রাখা কার্যত অসম্ভব। এখন যেমন চলছে তেমনই চললে শতাব্দীর শেষে উষ্ণতা বাড়বে শিল্পায়নের আগের উষ্ণতার তুলনায় কম ক’রে ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমনকি বিভিন্ন দেশের স্বেচ্ছা নির্ধারিত কার্বন উদ্গীরণ হ্রাসের লক্ষমাত্রা যদি মানাও হয়, তবুও শতাব্দীর শেষে ২.৮ ডিগ্রি পর্যন্ত উষ্ণতা বৃদ্ধি কোনোভাবেই ঠেকানো যাবে না। বিশ্ব জলবায়ু সংস্থা গত ২৮ মে, যা জানিয়েছে তা আরও ভয়াবহ। তারা বলছেন শতাব্দীর শেষ দূর অস্ত; এই ২০২৬ থেকে ২০৩০ এর মধ্যেই বিশ্বের গড় তাপমান নাকি বাড়তে চলেছে শিল্পায়ন পূর্ববর্তী উষ্ণতার তুলনায় ১.৩ থেকে ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত গুটিকয় দেশকে বাদ দিলে বেশির ভাগ দেশের শক্তি উৎপাদন কয়লা, খনিজ তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপরেই ভীষণভাবে নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশ্বের গড় কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস নির্ভরতা যেখানে যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ শতাংশ সেখানে ভারতে অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার সামান্য বাড়লেও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রের ৭০ শতাংশই এখনো কয়লা নির্ভর। সেই কারণেই এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্র সঙ্ঘের পরিবেশ কর্মসূচির আহ্বান নির্বাক প্রকৃতির ইঙ্গিত যথাযথ অনুধাবন করে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করো – ‘ফিরে চল মাটির টানে’।
এদিকে এই বঙ্গে গত ১৫ বছরে আমাদের সাড়ে সর্বনাশ ঘটে গেছে। বেলাগাম গাছ কাটা, ইচ্ছে মতো পুকুর বোজানো, বেআইনি নির্মাণে নাভিশ্বাস উঠেছে কলকাতার। ২০১৭ থেকে ২০২১ – মাত্র চার বছরেই শহর কলকাতার জলতল নেমে গেছে প্রায় ২৮ শতাংশ। এ বছর ৪৪ শতাংশ নামতে চলেছে জলতল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি একটি সংস্থাকৃত এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে কলকাতায় জলাভূমির সংখ্যা ৮০০০ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪০০ টিতে, প্রকৃত সংখ্যা আরও কম। আইআইইএসটি’র সমীক্ষা বলছে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও হুগলীর জলাভূমিগুলির মোট আয়তন ২০০৩ সালে যেখানে ছিল ১৯৫.৬ বর্গ কিলোমিটার, সেখানে ২০২৩ এ তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০৩.৮ বর্গ কিলোমিটার। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত পূর্ব কলকাতা জলাভূমি বুজিয়ে চলেছে যথেচ্ছ দখলদারি আর বেআইনি নির্মাণ। জাতীয় সবুজ আদালতের রায়কে নস্যাৎ করে বুজিয়ে ফেলা হয়েছে লেকটাউনের নয়ানজুলি। বুজিয়ে ফেলা হয়েছে বিরাটির ৯৭ কাঠা জলাভূমি। ওয়াও মোমোর মর্মান্তিক হলোকাস্টের ঘটনা যে বদ্ধ গুদামে সেও তো আন্তর্জাতিক রামসার সাইট বুজিয়েই। মাত্র এক দশকেই কলকাতা হারিয়েছে ৩০ শতাংশ গাছগাছালি। শহর হয়ে উঠেছে তাপদ্বীপ। উত্তরবঙ্গ জুড়েও রমরমিয়ে চলেছে নদীগর্ভ থেকে বালি চুরি আর গাছ কাটার চোরাই কারবার। পাশাপাশি আদানিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে জনজাতি গোষ্ঠীর বাসভূমি দেউচা-পাচামী অথবা তিলাবনির মতো আস্ত একটা পাহাড়।
গত বছর ২৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে কলকাতাকে প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে গত ৩৯ বছরের মধ্যে ভয়ঙ্করতম অতিবর্ষণ। অবশ্য জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তঃসরকারি প্যানেলের ষষ্ঠ রিপোর্টে এমন স্বল্পমেয়াদি অতিবর্ষণের আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। । সেই কারণেই জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল নিকাশি গড়ার জন্য সহজ শর্তে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক থেকে কলকাতা কর্পোরেশন ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেয়েছিল। এর আগেও ২০১৯ সাল থেকে এ রাজ্যে জাতীয় স্বচ্ছ বাতাস কর্মসূচির পক্ষে বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৫০ কোটি টাকা। সে সব টাকা কিভাবে খরচ হলো, আদৌ খরচ হলো কিনা কেউ জানে না।  
সম্প্রতি এ রাজ্যের সরকার বদল হয়েছে। প্রকৃতি ও পরিবেশ লুটের এই ঢালাও কারবার বন্ধ করতে নতুন সরকার উদ্যোগী হবে, নাকি তথাকথিত ডবল ইঞ্জিনের ধাক্কায় ‘বিকাশের’ নামে আরও ক্ষিপ্রতায় চলবে প্রাকৃতিক সম্পদের অবাধ লুট– তা জানতে এই মুহূর্তে অধীর আগ্রহ ও গভীর উদ্বেগের দোলাচলে বাংলার পরিবেশ প্রেমী মানুষ। কিন্তু মুশকিল হলো ২০২৪ -এ ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার, পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টিজ ও বহুত্ব-কর্নাটক নামক তিনটি মানবাধিকার ও জলবায়ু ন্যায় গোষ্ঠী প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গেছে বিজেপি সরকার গত ১০ বছরে জীববৈচিত্র রক্ষার প্রশ্ন হোক অথবা অরণ্য সংরক্ষণ, পরিবেশ অভিঘাত মূল্যায়ন হোক বা পরমাণু দূষণে কর্পোরেট দায়বদ্ধতার প্রশ্ন— পরিবেশ সুরক্ষা সংক্রান্ত আইনগুলিকে কর্পোরেট স্বার্থ রক্ষায় যেভাবে লঘু করেছে তেমনটা এর আগে আর কোনও সরকার করেনি। হাসদেও আরন্দের জঙ্গল থেকে পশ্চিমঘাট পর্বতের সংরক্ষিত এলাকা, ওডিশার সিজমালি পাহাড় থেকে বিপন্ন শম্পেন জনজাতির বাসভূমি নিকোবরের ১৩০ বর্গ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ বর্ষা বন, আরাবল্লী পাহাড় থেকে গুজরাতের সমুদ্রতট– এ সবই আজ কর্পোরেট খনি সম্প্রসারণ ও পরিকাঠামো নির্মাণের চাপে ধ্বংসের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ২০২৭-এ অনুষ্ঠিতব্য কুম্ভমেলার জন্য নাসিকে শুরু হয়েছে কয়েক হাজার গাছ কাটার তোড়জোর। ভদোদরা থেকে ইন্দোর, ব্যাঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই আজ তীব্র জলকষ্টের মুখে। সমীক্ষা বলছে ২০১২ সালে পরিবেশ কর্মদক্ষতা সূচকের নিরিখে ১৮০ টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান যেখানে ছিল ১২৫তম, সেখানে ২০২২-এ ভারত লজ্জাজনকভাবে নেমে এসেছে ১৮০তম স্থানে। তবে কি আশা শুধু মিছে ছলনা!
প্রকৃতি ও পরিবেশ লুটের কর্পোরেট চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই আজ সময়ের দাবি। সেইসঙ্গে সজাগ থাকতে হবে কোনও গোষ্ঠী বা জাতির ওপর পরিবেশ অবক্ষয়ের যাবতীয় দায় চাপিয়ে দেওয়ার বাস্তুতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধেও।
Highlights
প্রকৃতি ও পরিবেশ লুটের কর্পোরেট চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই আজ সময়ের দাবি। সেইসঙ্গে সজাগ থাকতে হবে কোনও গোষ্ঠী বা জাতির ওপর পরিবেশ অবক্ষয়ের যাবতীয় দায় চাপিয়ে দেওয়ার বাস্তুতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধেও।

Comments :0

Login to leave a comment