Rainfall deficit at Meghalaya

মেঘের দেশেই বৃষ্টি নেই, উদ্বেগ মেঘালয়ে

জাতীয়

চলতি বছরে বর্ষা শেষের পথে। এবার দুর্বল হবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। মরশুম শেষের মুখে,  অথচ ভারত এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল মেঘালয় এখনও ঘাটতির দিক থেকে শীর্ষে। 
এই পরিস্থিতিকে খরা পরিস্থিতির ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে। যার ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও জল-নিরাপত্তা প্রভাবিত হতে পারে।
ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেঘালয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫৯ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। বর্ষাকালে রাজ্যের ১১টি জেলার মধ্যে ১০টিতেই বৃষ্টিপাতের ঘাটতি স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ থেকে ৫৯ শতাংশ কম। কোনও কোনও জেলায় ব্যাপক ঘাটতি, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬০ থেকে ৯৯ শতাংশ, তা-ও দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ঘাটতি দেখা গেছে পশ্চিম জয়ন্তিয়া পাহাড় জেলায়, যেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৯ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।  বিশ্বের সর্বাধিক বৃষ্টিপাতপ্রবণ দুটি স্থান মৌসিনরাম ও চেরাপুঞ্জি যেখানে, সেই পূর্ব খাসি পাহাড় জেলাতেও বৃষ্টিপাতের ৫৩ শতাংশ ঘাটতি দেখা গিয়েছে। 
বৃষ্টিহীন এই মৌসুমি বায়ুর মরসুমে একমাত্র ব্যতিক্রম দেখা গিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি পাহাড় জেলা, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
চলমান মৌসুমি বায়ু মরশুমে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার বিষয়টি মেঘালয়ের দীর্ঘমেয়াদী ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ-র করা ৩০ বছরের (১৯৮৯-২০১৮) মৌসুমি বৃষ্টিপাতের তথ্যের বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে মৌসুমি বৃষ্টিপাতে উল্লেখযোগ্য হ্রাসের প্রবণতা রয়েছে। মেঘালয়ে ৭৭ শতাংশ বাসিন্দা কৃষিকাজের ভরসায় থাকেন। কৃষি এবং রোজগারে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা রয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment