post editorial

আপনার চিকিৎসার মূল্য নির্ধারণ করে কে ?

সম্পাদকীয় বিভাগ

ডাঃ ফুয়াদ হালিম

গত দুই দশকে ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থার চেহারা অনেকটাই বদলে গেছে। কোনও সংবিধান সংশোধন বা বড় কোনও আইন করে এই পরিবর্তন হয়নি। ধীরে ধীরে এবং নীরবে চিকিৎসা ব্যবস্থার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের ধরন বদলে দেওয়া হয়েছে।
এই পরিবর্তনের শুরু হয়েছিল ৮০-র দশকে যা গতি পায় ১৯৯১-এর পর আর্থিক উদারীকরণের হাত ধরে। ভারতের অর্থনীতির অনেক ক্ষেত্র বেসরকারি পুঁজির জন্য খুলে যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জল ও বিদ্যুতের মতো ক্ষেত্রও এর মধ্যে ছিল। সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থায় যখন পর্যাপ্ত টাকা খরচ করা হলো না এবং হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো দুর্বল হতে থাকল, তখন সেই সুযোগে বেসরকারি সংস্থাগুলি চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢুকতে শুরু করল। এই বেসরকারি ও কর্পোরেট চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রথম দিকের লক্ষ্য ছিল  উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া। পরে তারা চিকিৎসা পর্যটনের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নিতে শুরু করে।
এরপর চিকিৎসা ক্ষেত্রের বিভিন্ন অংশে একের পর এক বেসরকারি সংস্থা গড়ে ওঠে। ডায়াগনস্টিক সংস্থাগুলি নানা ধরনের পরীক্ষা বিক্রি করতে শুরু করে। চিকিৎসা-সরঞ্জাম তৈরির সংস্থাগুলি বেসরকারি হাসপাতালের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে থাকে। ওষুধ কোম্পানিগুলি বিশেষ করে দীর্ঘ দিনের রোগের চিকিৎসার ওষুধের বাজার বাড়াতে থাকে। স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাগুলিও দ্রুত প্রসারিত হয়।
এইভাবে ধীরে ধীরে চিকিৎসা ব্যবস্থা মানুষের অধিকার ও জনসেবার ক্ষেত্র থেকে বাজারের একটি অংশে পরিণত হতে থাকে। আরও একটি পরিবর্তন দেখা গেল। স্বাস্থ্যকে শুধু মানুষের সুস্থতার বিষয় হিসাবে নয়, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একটি বড় ক্ষেত্র হিসাবেও দেখা শুরু হলো।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতের চিকিৎসা ক্ষেত্র ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কারণ ভারতের জনসংখ্যা বিরাট শহরের মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছিল এবং উন্নত চিকিৎসার চাহিদাও বাড়ছিল। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য বিমার বাজার তখনও খুব কম বিস্তৃত ছিল। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখানে বড় ব্যবসার সম্ভাবনা দেখতে পেল।
২০০৫ সালের পর থেকে বিভিন্ন বিদেশি প্রাইভেট ইকুইটি সংস্থা এবং বড় বিনিয়োগকারী সংস্থা ভারতীয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করতে শুরু করে। কেকেআর, কার্লাইল, ব্ল্যাকস্টোন, টিপিজি, টেমাসেকম বেইন ক্যাপিটাল, অ্যাডভেন্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর মতো বড় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলি ভারতের চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রবেশ করে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পেনশন ফান্ড ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও হাসপাতাল, ওষুধ, স্বাস্থ্য বিমা ও অন্যান্য চিকিৎসা পরিষেবায় বিনিয়োগ করতে শুরু করে। মিউনিখ আরই, সুইস আরই এবং স্কর-এর মতো পুনর্বিমা সংস্থাগুলিও ধীরে ধীরে ভারতীয় বাজারে তাদের প্রভাব বাড়ায়। স্বাস্থ্য বিমার কাঠামো এবং রোগীর বিমার টাকা পাওয়ার নিয়ম তৈরিতেও তাদের প্রভাব পড়তে থাকে। ওষুধ শিল্পের বড় বড় লবি এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত পরামর্শদাতা সংস্থাগুলিও এই পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেক ক্ষেত্রেই তাদের পরামর্শে জনস্বাস্থ্যের চেয়ে ব্যবসায়িক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পর্যায়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য আর শুধু রোগীকে সুস্থ করা ছিল না। হিসাবটা হয়ে গেল কত টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং তার থেকে কত টাকা লাভ করা যাবে।
১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের দেশ, যেখানে মানুষের চিকিৎসা খরচের একটি বড় অংশ নিজের পকেট থেকে দিতে হয় এবং হাসপাতালের পরিষেবার দামের উপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ খুবই সীমিত— এই পরিস্থিতি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি বড় ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে।
প্রথমে বলা হয়েছিল— বেসরকারি বিনিয়োগ এলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় দক্ষতা, উন্নত পরিষেবা এবং আধুনিক প্রযুক্তি আসবে। কিন্তু বিনিয়োগ যত বাড়তে থাকল, চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের নিয়ন্ত্রণও তত বাড়তে থাকল। প্রাইভেট ইকুইটি সংস্থাগুলি অনেক সময় ঋণ, সম্পত্তি পুনর্গঠন এবং সম্পদ বিক্রির মতো আর্থিক কৌশল ব্যবহার করে দ্রুত লাভ করার চেষ্টা করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে দ্রুত আর্থিক রিটার্ন। রোগী কতটা ভালো চিকিৎসা পেলেন বা কতটা সুস্থ হলেন, সেটি সবসময় প্রধান বিষয় থাকে না।
ধীরে ধীরে চিকিৎসা পরিষেবাকেও ব্যবসার পণ্যের মতো দেখা শুরু হয়।
আইসিইউ-র একটি শয্যা হয়ে ওঠে আয়ের একটি উৎস। অস্ত্রোপচার হয়ে ওঠে একটি ‘প্যাকেজ’। বিভিন্ন পরীক্ষা একসঙ্গে করে প্যাকেজ হিসাবে বিক্রি করা হয়। ওষুধের ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডেড জেনেরিক এবং বেশি দামের ওষুধের বাজার বাড়তে থাকে। চিকিৎসা-সরঞ্জাম তৈরির সংস্থাগুলিও অনেক সময় সেইসব সরঞ্জাম তৈরিতে বেশি আগ্রহ দেখায়, যেগুলি থেকে বেশি লাভ করা যায়। অথচ যেসব সরঞ্জাম সাধারণ মানুষের বেশি প্রয়োজন, সেগুলি যথেষ্ট গুরুত্ব নাও পেতে পারে।
স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাগুলিও ধীরে ধীরে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করে যেখানে চিকিৎসাকে রোগীর প্রয়োজনের পাশাপাশি ঝুঁকি, খরচ এবং বিমার হিসাবের ভিত্তিতে দেখা হয়।
এরপর ভারতের বড় বড় কর্পোরেট হাসপাতালগুলির অনেকগুলিতেই বিদেশি বিনিয়োগের অংশীদারি দেখা যায়। অ্যাপোলো, ফর্টিস, ম্যাক্স, মণিপাল, নারায়ণা, মেদান্ত এবং অ্যাস্টার-এর মতো বড় হাসপাতাল গোষ্ঠীতে বিভিন্ন সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। ডায়াগনস্টিক ও ফার্মেসি ব্যবসাতেও একই প্রবণতা দেখা যায়। এসআরএল, মেট্রোপলিস, ড. লাল প্যাথল্যাবস্‌, মেডপ্লাস এবং ফার্মইজি-এর মতো সংস্থাগুলিও বড় বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ওষুধ কোম্পানি এবং চিকিৎসা-সরঞ্জাম তৈরির সংস্থাগুলিও এর বাইরে থাকেনি।
অর্থাৎ চিকিৎসা ব্যবস্থা ধীরে ধীরে একটি ব্যবসায়িক সম্পদে পরিণত হয়েছে। বিনিয়োগ সংস্থার কাছে ভারতের চিকিৎসা ক্ষেত্রের আকর্ষণ ছিল খুব সহজ—মানুষ অসুস্থ হবেই এবং তাই চিকিৎসা ক্ষেত্রে টাকার প্রবাহও চলতেই থাকবে।
একটি ডায়াগনস্টিক সংস্থার মূল্যায়ন ছিল এইরকম “খুচরো ব্যবসায় একজন ক্রেতা হয়তো আর ফিরে নাও আসতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসা ক্ষেত্রে মানুষ আবার আসবেন।” মানুষের অসুস্থতা এবং কষ্ট তখন একটি নিশ্চিত আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে।
হাসপাতাল কোথায় তৈরি হবে, চিকিৎসার দাম কত হবে, বিমা সংস্থার সঙ্গে হাসপাতালের কী চুক্তি হবে, এমনকি চিকিৎসকদের কী ধরনের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে— এইসব সিদ্ধান্তের একটি বড় অংশ এখন শুধু চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে থাকে না। অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার বোর্ডরুমে—নিউ ইয়র্ক, সিঙ্গাপুর বা লন্ডনের মতো শহরেও।
ভারতের দুর্বল চিকিৎসা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এই পরিবর্তনকে আরও সহজ করে দিয়েছে। ভারতে এমন কোনও শক্তিশালী জাতীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেই, যা সব বেসরকারি হাসপাতালের শয্যা, চিকিৎসকের পরামর্শ, অস্ত্রোপচার বা বিভিন্ন পরীক্ষার দাম নির্দিষ্ট করে দেয়। ওষুধ ও কিছু চিকিৎসা-সরঞ্জামের দাম ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)  কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু হাসপাতালের পরিষেবার ক্ষেত্রে একই ধরনের কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে একই চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে বিভিন্ন দাম নেওয়া হয়। এমনকি একই শহরে, খুব কাছাকাছি দুটি হাসপাতালেও একই চিকিৎসার খরচে বড় পার্থক্য থাকতে পারে।
উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একটি হাসপাতালে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির খরচ ১.২ লক্ষ টাকা হতে পারে, আবার মাত্র এক কিলোমিটার দূরের অন্য হাসপাতালে একই চিকিৎসার জন্য ৪.৮ লক্ষ টাকা নেওয়া হতে পারে। দুটিই আইনসম্মত হতে পারে।
স্ক্যান, স্টেন্ট, ওষুধ, চিকিৎসা-সরঞ্জাম, হাসপাতালের শয্যা এবং নার্সিং—চিকিৎসার প্রায় প্রতিটি অংশের সঙ্গে একটি করে দাম এবং মুনাফা যুক্ত হয়েছে।
যদিও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশে চিকিৎসা পরিষেবার দাম ও হাসপাতালের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতে এমন একটি সমগ্র দেশজুড়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। আমাদের আছে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্প, কিন্তু একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। আছে বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশিকা, কিন্তু যথেষ্ট জবাবদিহি নেই। এই পরিস্থিতি চিকিৎসা ক্ষেত্রে মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
এই পরিবর্তন শুধু অর্থনৈতিক নয়, এর সঙ্গে একটি চিন্তার পরিবর্তনও ঘটেছে। হাসপাতালের শয্যা থেকে ওষুধ, স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়াম থেকে এমআরআই পরীক্ষা—সবকিছুর ক্ষেত্রেই প্রশ্নটা ধীরে ধীরে শুধু “কীভাবে মানুষকে সুস্থ করা যাবে?” থেকে সরে গিয়ে “এখান থেকে কত টাকা আয় করা যাবে?”-র দিকে চলে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ভাষাটিও বদলে গেছে। হাসপাতাল এখন বলা হয় ‘সার্ভিস প্রোভাইডার’ বা পরিষেবা প্রদানকারী। রোগী হয়ে গেছেন ‘কনজিউমার’ বা ভোক্তা। অস্ত্রোপচার হয়ে গেছে একটি প্যাকেজ। বড় বড় আর্থিক সংস্থার আলোচনায় ‘জনস্বাস্থ্য’ হয়ে উঠেছে ‘বাজারের সুযোগ’, আর মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার ক্ষমতা বা ‘সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসা’ হয়ে উঠেছে ‘বাজারের দক্ষতা’।
এটি এখন আর শুধু হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সংস্থার মালিকানা পরিবর্তনের বিষয় নয়। এটি তথ্য এবং চিন্তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু হাসপাতালের মালিকানার অংশীদার নয়। চিকিৎসা পরিষেবার দাম কীভাবে নির্ধারিত হবে, স্বাস্থ্য বিমা কীভাবে কাজ করবে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে বিশ্লেষণ করা হবে—এই ব্যবস্থাগুলির ওপরও বড় পুঁজির প্রভাব তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে স্পষ্ট।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জেনেরিক ওষুধ উৎপাদক দেশ হওয়া সত্ত্বেও এখানে অসুস্থ হলে চিকিৎসার খরচ অনেক মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এটি শুধু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ব্যর্থতা নয়। এটি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ারও একটি প্রশ্ন। যে রাষ্ট্র একসময় নাগরিকদের চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার অধিকার রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেই রাষ্ট্র এখন বাজারের বাড়াবাড়ির সামনে অনেক ক্ষেত্রেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।
মুনাফা-নির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থা কি সত্যিই একটি দেশকে সুস্থ করতে পারে? যদি আপনার চিকিৎসার দাম আপনার চিকিৎসক বা রাষ্ট্র ঠিক না করে, বরং কোনও বিদেশি বোর্ডরুমের একটি কম্পিউটার স্প্রেডশিট ঠিক করে— যদি স্বাস্থ্য বিমার নীতিগুলি ভারতীয় রোগীদের স্বার্থের বদলে বড় আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা এবং পশ্চিমী পুনর্বিমা সংস্থাগুলির স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেয় এবং যদি হাসপাতালগুলি ভারতীয় নিয়ন্ত্রকদের চেয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি জবাবদিহি করে— তাহলে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের নিয়ন্ত্রণ কতটা অবশিষ্ট থাকে?
কিন্তু এই পরিস্থিতির থেকেও বড় প্রশ্ন হলো—আমরা এর বিরুদ্ধে কী করছি? আপনার স্বাস্থ্যের দাম কে ঠিক করছে?
উত্তর যদি আপনার চিকিৎসক না হন, আপনার দেশ না হয়, এমনকি সংসদও না হয়—বরং নিউ ইয়র্ক, বাসেল বা সিলিকন ভ্যালির কোনও দূরবর্তী বোর্ডরুমে বসে সেই দাম নির্ধারিত হয়, তাহলে আমরা যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা শুধু নীতির ভুল পথ নয়। এটি ধীরে ধীরে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।


আপনার স্বাস্থ্যের দাম কে ঠিক করছে? তা যদি আপনার চিকিৎসক না হন, আপনার দেশ না হয়, এমনকি সংসদও না হয়—বরং নিউ ইয়র্ক, বাসেল বা সিলিকন ভ্যালির কোনও বোর্ডরুমে বসে সেই দাম নির্ধারিত হয়, তাহলে তা শুধু নীতির ভুল পথ নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর  নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।

Comments :0

Login to leave a comment