Bonus Tea Garden

সপ্তমী পেরিয়েও বোনাস নেই, ক্ষোভ ডুয়ার্সে

রাজ্য জেলা

 জয়েন্ট ফোরাম ও চা বাগান মজদুর ইউনিয়নের ধারাবাহিক আন্দোলন সত্ত্বেও ডুয়ার্সের সমস্ত চা বাগানে বোনাস বণ্টন সম্পূর্ণ হল না। কয়েকটি চা বাগানের শত শত শ্রমিক সপ্তমী পেরিয়েও বোনাস না পেয়ে উৎসবের দিনগুলিতে চরম অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভের মধ্যে রয়েছেন। শুধুমাত্র সপ্তমীতে মাটিয়ালি ব্লকের সামসিং চা বাগান এবং মেটেলি ব্লকের সোনগাছি চা বাগানে বোনাস দেওয়া হয়েছে। বাগরাকোট, কিলকোট,নাগেশ্বরী,
বামনডাঙ্গা ও টন্ডু চা বাগানের শ্রমিকরা এখনও বোনাস পাননি বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বাগান গুলির মালিকপক্ষ ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের এবং আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাধারণত দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর মধ্যেই ডুয়ার্সের অধিকাংশ চা বাগানে বোনাস বণ্টন সম্পন্ন হয়। সেই টাকা দিয়ে শ্রমিক পরিবার গুলি উৎসবের কেনাকাটা করেন। কিন্তু এবার শ্রমিকরা বোনাস নিয়ে টালবাহানায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পুজোর দিন শুরু হয়ে গেলেও কয়েকটি বাগানে বোনাস না মেলায় শ্রমিক পরিবার গুলির উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়েছে। 

মালবাজার পৌরসভার অস্থায়ী কর্মচারীরাও বকেয়া এক মাসের বেতন ও বোনাস পেয়েছেন।তবে এই স্বস্তির ছবি এখনও বাগান গুলিতে অধরা বোনাস না পাওয়া।

বোনাস থেকে বঞ্চিত শ্রমিকদের একাংশের তরফে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।মালবাজারের এসডিপিও সুদীপ্ত সরকার জানিয়েছেন, বোনাস না পাওয়া বিপুল সংখ্যক শ্রমিক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, মেটেলি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, কিলকোট চা বাগানের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তারের জন্য তৎপরতা চলছে।

চা বাগান মজদুর ইউনিয়ন বোনাস নিয়ে এই অনিশ্চয়তার প্রতিবাদে পুজোর পর আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সিআইটিইউ-এর জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি রামলাল মুর্মু বলেন, উৎসবের সময় শ্রমিকদের প্রাপ্য বোনাস আটকে রাখা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বঞ্চিত শ্রমিকদের পাওনা দ্রুত মেটানো এবং দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

Comments :0

Login to leave a comment