গাজা দখল করে নেবে আমেরিকা। গাজার বাসিন্দা প্যালেস্তিনীয়দের অন্য দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে গাজায় সরাসরি নামবে আমেরিকার সেনা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে তীব্র আলোড়ন পড়ল। গাজার প্রতিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস এই পরিকল্পনাকে ‘আরব দুনিয়ায় আগুন জ্বালানোর নতুন মতলব’ আখ্যা দিয়েছে।
প্যালেস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলও বলেছে, ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন সমস্যার সমাধান হতে পারে একমাত্র দুই রাষ্ট্র নীতিতে। আন্তর্জাতিক স্তরেই এই নীতির স্বীকৃতি রয়েছে। স্বাধীন প্যালেস্তাইন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির ধারণাকেই খারিজ করে দিতে চাইছেন ট্রাম্প।
ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার কর্তৃত্ব নিয়ে নেবে। গাজার পুনর্গঠন করা হবে।
আমেরিকায় বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞরা সেদেশের সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন বিদেশনীতিতে সেক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনছেন ট্রাম্প।
ইজরায়েলকে বরাবর আর্থিক এবং সামরিক সহায়তা জুগিয়ে গিয়েছে আমেরিকার। সেই জোরেই প্যালেস্থাইন সহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলির ওপর সামরিক কর্তৃত্ব চালানোর চেষ্টা করে গিয়েছে ইজরায়েল। বিভিন্ন সময়ে কড়া প্রতিরোধের মুখেও পড়েছে। গাজায় গত ১৫ মাসের আগ্রাসনেও মদত থেকেছে আমেরিকার। ট্রাম্পের ঘোষণায় রাজনৈতিক বিচারে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে নেতানিয়াহুর। দেশেই বারবার রাজনৈতিক সঙ্কেটর মুখোমুখি হতে হচ্ছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে।
ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন ট্রাম্প। ইজরায়েলের অতি দক্ষিণপন্থী অংশগুলির লক্ষ্যই হলো প্যালেস্তাইন থেকে প্যালেস্তিনীয়দের হটিয়ে দখল নেওয়া। এবার সেই দায়িত্ব সরাসরি নিয়ে নিল আমেরিকা।
তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, গাজা দখল করতে কী আমেরিকা সেনা নামাবে? তিনি বলেছেন, ‘‘প্রয়োজনে যা যা করা দরকার আমরা করব।’’
Trump Gaza
দখল হবে গাজা, প্যালেস্তিনীয়দের তাড়াতে নামতে পারে সেনাও: ট্রাম্প

×
Comments :0