স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া জরুরি। জরুরি সর্বজনীন ভোটাধিকার। সারা দেশের সঙ্গে গণতন্ত্র এবং সংবিধান রক্ষার পক্ষে এমন স্লোগান তুলে মুম্বাইয়েও বিক্ষোভে শামিল হলো নবীন প্রজন্ম। জোরালো হয়েছে জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবি।
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, সারা দেশে, মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে, এভাবেই চলেছে বিক্ষোভ। মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কে সমবেত হন প্রতিবাদীরা।
এদিনই দিল্লির যন্তরমন্তরে ব্যাপক সংখ্যায় আটক করা হয় এসএফআই-ডিওয়াইএফআই নেতা এবং কর্মী সহ বিভিন্ন অংশের প্রতিবাদীদের। গ্রেপ্তার করা হয় সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাতকে। নিন্দা বিবৃতিতে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবি তুলেছে এসএফআই।
মুম্বাইয়ে ককরেচ জনতা পার্টির ডাকেই যোগ দিয়েছে বিভিন্ন অংশ। শামিল হয়েছেন প্রবীণ দুই অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং শাবানা আজমি। থেকেছেন সঙ্গীত পরিচালক বিবেক দাদলানিও।
এদিকে দেশজুড়ে ধরপাকড়ের তীব্র নিন্দা করছেন সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য এবং কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। ধিক্কার জানিয়েছে সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো।
কংগ্রেস নেতা এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, লাঠি দিয়ে ভিড়কে সরানো যায়, কিন্তু ভোটচুরি নিয়ে ওঠা প্রশ্নকে আড়াল করা অসম্ভব।
মুম্বাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সমবেত জমায়েতে লাঠি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মহারাষ্ট্র পুলিশ তা অস্বীকার করলেও সরব অভিজিৎ দীপকে এবং তাঁর সহযোগীরা।
এদিন প্রতিবাদের অনুমতি দেয়নি মুম্বাই পুলিশ। যেমন দিল্লি পুলিশ অনুমতি দেয়নি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের। কিন্তু সেসব উপেক্ষা করেই জাতীয় পতাকা হাতে জড়ো হয়েছিলেন নাগরিকরা। মুম্বাইয়ে ‘জেন নেক্সট মুম্বাই’ নাম করে একটি অংশ আবার সিজেপি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায়। সব অংশই সহমত, বিজেপি-আরএসএস’র ইশারায় এই অংশকে নামানো হয়েছে।
CJP Mumbai 2nd October
পুলিশের বাধা সত্ত্বেও ভোটাধিকারের রক্ষার দাবিতে মুম্বাইয়ে বিক্ষোভ
×
Comments :0