Yousuf Tarigami

কর্মহীনতাই সবচেয়ে বড় বিপদ, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় সরব তারিগামি

জাতীয়

সিপিআই(এম) বিধায়ক এবং সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইউসুফ তারিগামি।

স্বল্প সময়ের অধিবেশনে জনতার দাবি নিয়ে কথা বলার সুযোগ কম থাকায় খেদ জানালেন জম্মু ও কাশ্মীরে সিপিআই(এম) বিধায়ক মহম্মদ ইউসুফ তারিগামি। তিনি বলেছেন, কাজের সুযোগ না থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা বিধানসভায় হলো না। 
জম্মু ও কাশ্মীরের সাত দিনের বিধানসভা অধিবেশন শেষ হয়েছে বুধবার। এই অধিবেশনে পাশ হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরকে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার পক্ষে প্রস্তাব। বিজেপি প্রস্তাবের পক্ষে না থাকলেও তা পাশ হয়েছে। 


২০১৯’র ৫ আগস্ট সংসদে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কেবল সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করেনি। সেই সঙ্গে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দু’টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করা হয়।
তবে বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি সহ দু’টি বিষয়ে পেশ বিল প্রত্যাহার করে নেয় মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা সরকার। 
বিধানসভার বিতর্কে তারিগামি বলেন, জনতা জনপ্রতিনিধিদের পাঠিয়েছেন বিতর্কের মধ্যে দিয়ে সঙ্গত নীতি নেওয়ার জন্য। সে কারণেই সরকারি নীতি বা বিল নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনার সুযোগ থাকা জরুরি। 
জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় কুলগাম কেন্দ্র থেকে টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ইউসুফ তারিগামি। সিপিআই(এম)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও তিনি। 
বিধানসভায় তাঁর বলার মাঝে বারবার বাধা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আমাকে বলার সুযোগ দিতে হবে। শ্রমজীবী মানুষ আমার বিধানসভা এলাকায় সবচেয়ে বেশি। জনতার অধিকার দাবি নিয়ে সরব হওয়া থেকে বিশ্বের কোনও শক্তি আমাকে থামাতে পারবে না।
পরে সংবাদমাধ্যমেও তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরে বড় ব্যবসা বা শিল্প নেই। আমাদের গ্রামে এবং শহরে শিক্ষিত যুবকরা রয়েছেন। কিন্তু তাঁদের কাজ নেই। 
বিধনসভার ভাষণেও তিনি উল্লেখ করেছে, আশা, অঙ্গনওয়াড়ি বা মিড ডে মিল কর্মীদের মতো প্রকল্প কর্মী বা চুক্তি ভিত্তিক কর্মীদের বেতন বাড়ানো জরুরি। সরকারি কাজেই এঁরা নিযুক্ত। ফলে সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলছে সরকারের হাতে টাকা নেই। কিন্তু যে অর্থ আছে তা দিয়ে কিছুটা সুরাহা করা সম্ভব। সে দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে না। 
বিধানসভার বক্তৃতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তারিগামি বলেছেন, সমাজের জন্যই সুস্থ বিতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তার জন্য শক্তিশালী সংবাদমাধ্য প্রয়োজন।

Comments :0

Login to leave a comment