Assembly election 2026

গণনা কর্মী নিয়ে তৃণমূলের মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

জাতীয় রাজ্য

গণনা কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ নিয়ে তৃণমূলের করা মামলাকে খারিজ করলো সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়, ভোট গণনাকেন্দ্রে কাউন্টিং সুপারভাইজার বা তার সহকারী বা অন্যান্য গণনাকর্মী হিসাবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তারা মানবে না। মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে কেন্দ্রীয় কর্মচারী নিযুক্ত করায় আপত্তি নেই তৃণমূলের। শাসক দলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় গণনা কেন্দ্রে কোন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করা হচ্ছে, রাজ্য সরকারের কর্মীরা নয় কেন? আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি করে তারা। 
প্রত্যেক গণনার টেবিলে কমপক্ষে এক জন কাউন্টিং সুপারভাইজার বা সহকারী হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন, হাইকোর্ট তাতে কোন আপত্তি করেনি। হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে কমিশনের সিদ্ধান্তে কোন ভুল নেই। 
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী স্পষ্ট জানান, কমিশনের কাজে কোন ভুল নেই। তারা প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের গণনায় নিয়োগ করতে পারে। তিনি বলেন, ‘নিয়মেই বলা আছে কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারের কর্মীকে এই পদে নিয়োগ করা যেতে পারে।’
উল্লেখ্য গণনা কেন্দ্রের প্রতিটা টেবেলে প্রতিটা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি থাকে। আর.ও টেবিলেও থাকে। কমিশনের নিয়োগ করা আধিকারিকরা যেমন আর.ও’র কাছে রিপোর্ট পাঠায় তেমন ভাবে গণনা কেন্দ্রে থাকা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও তাদের দলের প্রতিনিধিদের কাছে রিপোর্ট পাঠায়। দুই রিপোর্ট বিচার করার পর ফলাফল জানানো হয় রাউন্ড অনুযায়ী। কিন্তু অতীতে দেখা গিয়েছে এই গণনা কেন্দ্র দখল করে বিরোধী এজেন্টদের ঢুকতে না দিয়ে গণনা কেন্দ্র লুঠ করেছে তৃণমূল। সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এই প্রসঙ্গে বার বার বলেছেন, গণনা কেন্দ্রে সুরক্ষা যেমন দেখতে হবে। তেমন গণনা কেন্দ্র যাতে লুঠ না হয় সেই দিকেও নজর রাখতে হবে কমিশনকে। 
তৃণমূলের দাবি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ব্যবহার করে ফলাফলে প্রভাব ফেলতে চাইছে বিজেপি। অতীতে এরাজ্যে এবং ত্রিপুরায় দেখা গিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ব্যবহার করে বিজেপি এবং তৃণমূল গণনা কেন্দ্রকে লুঠ করেছে।

Comments :0

Login to leave a comment