ডাকে কেউ সাড়া দেয়নি। হরমুজ প্রণালি ইরানের দখলমুক্ত করতে আমেরিকার নৌবহরে ইউরোপীয় মিত্ররা ভেড়াচ্ছে না তাদের যুদ্ধজাহাজ। হতাশ ট্রাম্প এবার নিচু স্তরে মন্তব্য করে বসলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমানুয়ে ম্যাক্রোঁকে উদ্দেশ্য করে।
ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুমকির পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। আমেরিকায় গ্যাসের দাম গ্যালনে ৪ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। আমেরিকাতেও যান চলাচলের খরচ বাড়ায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। কেবল ইরান না, নিজের দেশেও ষোভের মুখে ট্রাম্প।
তবে ট্রাম্পের ‘আরও ধ্বংসাত্মক’ আক্রমণের হুমকিতে ইরান ভয় পাচ্ছে না। বরং ইরানের প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছে যে আমেরিকা অসম্পূর্ণ হিসেব নিয়ে যুদ্ধে নেমেছে। নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে বাড়িয়ে হিসেব করেছে।
যুদ্ধজোট হলেও ন্যাটো-র সঙ্গীরা আমেরিকার সঙ্গে ‘হরমুজ প্রণালি দখলমুক্ত কারার‘ অভিযানে নামেনি। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আমেরিকা-ইজরায়েল যে হারে পালটা মার খেয়েছে তাতে এই সঙ্গীদের পিছিয়ে আসার কারণ রয়েছে।
ইরানের সঙ্কট এক মাস পার করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-ইজরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে হত্যা করে রাষ্ট্রীয় নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেইকে। আমেরিকা সহজে জিতে নেবে মনে করলেও তা হয়নি। বরং আলোচনায় সমাধানের রাস্তা যে খোঁজা হচ্ছে তা ধরা পড়েছে ট্রাম্পেরই একাধিক মন্তব্যে।
কিন্তু জ্বালানি তেলের প্রধান পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালি রুদ্ধ হয়ে থাকায় বিশ্ববাণিজ্যে ভয় জেঁকে বসছে। এমনকি মন্দা পরিস্থিতিও হতে পারে বলে অনুমান বিভিন্ন অংশের। সে কারণে ইউরোপ আমেরিকার সঙ্গী হতে ভয় পাচ্ছে। ব্রিটেনের পর ফ্রান্স ফিরিয়েছে আমেরিকাকে।
Fuel Crisis US
বাড়ছে জ্বালানির দাম, ঘরে-বাইরে ক্ষোভের মুখে ম্যাক্রোঁকে কুকথা ট্রাম্পের
×
Comments :0