গাড়ি দাঁড় করিয়ে পরপর গুলি মহিলার মুখে। অভিবাসী রোধী ‘আইস’ রক্ষী বাহিনীর তান্ডবের প্রতিবাদে বিক্ষোভে তোলপাড় হচ্ছে আমেরিকায়।
মিনিয়াপোলিসে রক্ষীদের এই নির্মম হামলার প্রত্যক্ষদর্শী বিবরণ দিয়েছেন তাণ্ডবের। অতি দক্ষিণপন্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় রাষ্ট্রপতি হোয়ার পর বারবার ‘আইস’-র দাপাদাপি দেখেছে আমেরিকা। বারবারই প্রতিবাদে পথে নেমেছেন নাগরিকরা।
রাশিয়ার থেকে তেল কিনলে সংশ্লিষ্ট দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর নির্দেশিকায় সবে সই করেছেন ট্রাম্প। বন্দি করেছেন ভেনেজুয়েলার নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে। কিন্তু দেশের ভেতরেই স্বৈরাচারের প্রতিবাদে সোচ্চার জনতা।
অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সচিব ক্রিস্টি নোয়েম রক্ষী বাহিনীর পক্ষ নিয়ে দাবি করেছিলেন যে ওই মহিলাকে দাঁড়াতে বলা হয়েছিল। তিনি গাড়ি নিয়ে রক্ষীদের চাপা দিয়ে চলে যেতে চাইছিলেন। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন সোশাল মিডিয়া পোস্টে। সে বক্তব্য যে একেবারে মিথ্যা তা প্রমাণ করতে নাগরিকদের অনেকেই ছড়িয়ে দিয়েছেন ভিডিও।
তিন সন্তানের মা সাঁইত্রিশ বছরের রিনি নিকোলে গুড নিহত হয়েছেন অভিবাসন ও শুল্ক বিষয়ক রক্ষীবাহিনী আইস-র গুলিতে। মিনিয়াপোলিসের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারে হাজারে মানুষ সমবেত হয়েছেন ঠিক সেই জায়গায় যেখানে চালানো হয়েছিল গুলি।
ঘটনাস্থলের কাছেই থাকেন এমিলি হেলার। তিনি নিজেই বলেছেন, ‘রক্ষীবাহিনী আত্মরক্ষায়’ গুলি চালায়নি। ঠাণ্ডা মাথায় পরপর গুলি করা হয়েছে রিনির মুখে। আত্মরক্ষার বানানো কাহিনীকে কোনোমতেই মানা যাবে না।
ট্রাম্পের শাসনে এই ‘আইস’ বাহিনীকে পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় অভিবাসী দমনের নামে। হিংসাত্মক ভূমিকা নেওয়ার বহু অভিযোগ রয়েছে এই রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে।
Minneapolis ICE Killing
মহিলাকে গুলি করে হত্যা ট্রাম্পের বাহিনীর, বিক্ষোভে তোলপাড় মিনিয়াপোলিস
মিনিয়াপোলিসের রাস্তায় প্রতিবাদে হাজার হাজার নাগরিক।
×
Comments :0