সিঙ্গুরে টাটা গাড়ির কারখানাকে বাধা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের সম্ভাবনা কে নষ্ট করেছে তৃণমূল-বিজেপি। তৃণমূলের শাসনকালে রাজ্যে নতুন শিল্প তৈরি হয় নি। প্রতিদিন বেকারত্বের হার বাড়ছে। এরাজ্যে কাজ না পেয়ে বেকার যুবরা পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ভিনরাজ্যে কাজের জন্য পাড়ি দিয়ে লাশ হয়ে ফিরছে। বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য বাংলাদেশী তকমা দিয়ে শারিরীক নির্যাতন করা হচ্ছে। সব বেকারের কাজের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই।
"শিল্প চাই কাজ চাই, বামপথে বাংলা চাই" - শ্লোগান তুলে রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ডিওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি। রবিবার রানিগঞ্জের বন্ধ বেঙ্গল পেপার মিল গেটের সামনে কারখানা খোলার দাবি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে কথাগুলি বলেন রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা ও সভাপতি অয়নাংশু সরকার। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার যুবনেতা বৃন্দাবন দাস ও ভিক্টর আচার্য সহ অসংখ্য যুব সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদিন যুব নেতৃবৃন্দ বলেন, "তৃণমূল বিজেপির সেটিং রাজনীতিতে শিল্পসমৃদ্ধ পশ্চিম বর্ধমান জেলা মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। বামপন্থীরাই একমাত্র বিকল্প। রাজ্যজুড়ে অসংখ্য কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত নয়, আট ঘণ্টার পরিবর্তে বারো ঘণ্টা ষোল ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। নূন্যতম মজুরি নেই। সামাজিক সুরক্ষা নেই। মাটির নীচে উন্নত মানের কয়লা মজুত থাকা সত্ত্বেও বিজেপি সরকার কয়লাখনিগুলিকে বেসরকারি মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছে। এর প্রতিবাদ জানাতে ২৭ জানুয়ারি বল্লভপুর পেপার মিলের শহীদ সুকুমার ব্যানার্জির মূর্তির পাদদেশ থেকে সিহারশোলে রবীন্দ্রনাথের মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল করে সমাবেশ হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন যে মানুষ যাতে সংগঠিত হতে না পারে সেজন্য ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি করছে বিজেপি ও তৃণমূল। দুটি দলই বাংলার মানুষের শত্রু। যুব নেতৃবৃন্দ দাবি করেন পেপার মিল সহ বন্ধ কলকারখানা খুলতে হবে এবং বন্ধ কারখানার জমিতে কারখানা তৈরি করে কাজ দিতে হবে।
Comments :0