JNU Agitation

জেএনইউ’র ছাত্রদের জামিন কড়া শর্তে, আপাতত থাকছেন জেলেই

জাতীয়

জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন ছাত্রকে শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, জামিন দেওয়া হয়েছে। এর পরেও তাদের সকলকেই সম্ভবত ৪ মার্চ, হোলি পর্যন্ত, তিহার জেলে থাকতে হবে। 
ক্যাম্পাসে সামাজিক ন্যায়ের দাবিতে আন্দোলনে নামে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ। গত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে শিক্ষা মন্ত্রক অভিমুখে লঙ মার্চের ডাক দেয়। ক্যাম্পাসের গেটেই ছাত্রছাত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দিল্লি পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের। আহত বহু ছাত্রছাত্রী।  
তবে শুক্রবার, ছাত্ররা জামিনের এই শর্ত বিবেচনা করে দেখার জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করছে।
পাতিয়ালা কোর্টের বিচারক অনিমেষ কুমার কঠোর শর্ত সাপেক্ষে ওই ১৪ ছাত্রছাত্রীর জামিন মঞ্জুর করেছেন। ওই ছাত্রদের স্থায়ী ঠিকানা যাচাই করার পরেই তাঁদের জামিন দেওয়া হবে। ১৩ মার্চ তাঁদের আদালতে হাজির করা হবে ফের।
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি অদিতি মিশ্র, সহ-সভাপতি গোপিকা, যুগ্ম সম্পাদক দানিশ আলি, প্রাক্তন সভাপতি নীতীশ কুমার, এআইএসএ'র জাতীয় সভাপতি নেহা সহ রাহুল রাজ, মণিকান্ত প্যাটেল, গৌরি কোলাল, আনশ পিল্লাই, ভার্কে পারাক্কল, রণবিজয় সিং, ভিকি কুমার, শ্যাম সাসি এবং ফ্রিলান্স সাংবাদিক বিষ্ণু তিওয়ারিকে শুক্রবার সকাল ৯ নাগাদ কর্মরত ম্যাজিস্ট্রেট তাদের পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির করেন। 
আদালত উল্লেখ করেছে যে অভিযুক্তরা যেহেতু ছাত্র এবং তাদের ভবিষ্যৎ সামনে পরে রয়েছে তাই তাদের প্রত্যেককে ২৫,০০০ টাকা জামিন দিতে হবে। তবে কোর্টের তরফে জামিনের জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত প্রযোজ্য করা হয়েছে।  আদালতের শুনানিতে উপস্থিত থাকাএবং সঠিক স্থায়ী  ঠিকানা এবং একটি সক্রিয় ফোন নম্বর প্রদান করা সহ সবসময় তাদের মোবাইল ফোন চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোর্টের তরফে।
এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন বলেছে যে এটি কাগজে-কলমে স্বাধীনতা। কার্যত কারাবাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

Comments :0

Login to leave a comment