Post editorial

নাগরিক উদ্বেগের ছবি বদলায়নি

সম্পাদকীয় বিভাগ

ছবি AI

সুদীপ্ত বসু

প্রশাসনিক মহলে ‘কন্টিনিউটি অব গভর্নমেন্ট’ বলে একটা কথা রয়েছে। যার অর্থ সরকারের ধারাবাহিকতা। যা এমন এক সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতির নীতি, যা কোনও বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারকে তার কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম করে তোলে। এটা প্রশাসনিক অভিধানের শব্দ।
রাজ্যে বিজেপি সরকারের বয়স দু’মাস পেরিয়েছে। গত দু’মাসে রাজ্যে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ, হেনস্তার ২৩টি ঘটনা ঘটেছে। নিগৃহীতার তালিকায় পাঁচ বছরের শিশু কন্যা থেকে চতুর্থ শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া, আদিবাসী গৃহবধূও রয়েছে। ২০১১’তে তৃণমূল সরকারের আসার পরে ২০১১-১২সালে এনসিআরবি’র রিপোর্টে দেখা গেছিল গোটা দেশে ৩০,৯৪২টি নারী নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছিল, এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে নারী নিগ্রহের ঘটনার হার ১২.৭শতাংশ! ঘটনা পরম্পরা বলছে, আইনশৃঙ্খলা বিশেষত নারী নির্যাতনের মতো ঘটনার ক্ষেত্রে তৃণমূল সরকারের ট্র্যাক রেকর্ডই অব্যাহত রয়েছে বিজেপি সরকারের ক্ষেত্রে। রাজ্যবাসীর অভিজ্ঞতা, অন্তত এক্ষেত্রে যেন ‘কন্টিনিউটি অব গভর্নমেন্ট’ দৃশ্যত স্পষ্ট।
‘ছোট্ট ঘটনা’, ‘সাজানো ঘটনা’, ‘খদ্দেরের সঙ্গে ঝামেলা’, ‘লাভ অ্যাফেয়ার্স’ বা ‘ মেয়েটি প্রেগনেন্ট ছিল’- রাজ্যের তৎকালীন প্রশাসনিক প্রধানের এমন বক্তব্যের ধারাবাহিকতার পথ ধরেই এখন দলবদ্ধ ধর্ষণে অন্যতম অভিযুক্তকে পুলিশি হেপাজতেই এনকাউন্টারে হত্যা থেকে এফআইআরে নাম থাকা ব্যক্তিকে তদন্তের আগেই বেমালুম ‘নিরপরাধ’ বলে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করে দেওয়া, প্রতিবাদীদের ‘ভারত-বিরোধী’ বলে দেগে দেওয়া- সরকার বদলালেও নাগরিক উদ্বেগের ছবির বদল হয়নি, ‘কন্টিনিউটি অব ফিয়ার’!
ধর্ষণের মতো বিকৃতকাম অপরাধের ঘটনায় সরকারের অগ্রাধিকার যদি এনকাউন্টারের ‘গ্যালারি শো’ হয়, প্রতিবাদে নামা মানুষজনকে নাম-পদবি-ধর্ম-বর্ণের নিরিখে চিহ্নিত করে দেশবিরোধী তকমা দেওয়ার উগ্র আকাঙ্ক্ষা হয়, তবে আর যাই হোক নারী নির্যাতনের মতো সামাজিক ব্যাধিকে ঠেকানো যায় না। বারুইপুরের ঘটনার পরেও তাই গত এক সপ্তাহে গোটা রাজ্যে ৯টি ধর্ষণ, শ্লীলতাহিনর ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী থেকে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাও রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারে সরকারের ‘সাফল্য’ শুধু এতটুকুই- অপরাধী নয়, রাস্তায় প্রতিবাদে নামা মানুষজনের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া! 
       

বারুইপুরের সূর্যপুরে ১২ বছরের এক নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সেই উদ্বেগ, আশঙ্কার ছবি আরও তীব্র, স্পষ্ট হয়েছে। পুলিশি তদন্তে এখনও অসংখ্য ধোঁয়াশা থাকা সত্ত্বেও সুর্যপুরে ঠিক কী ঘটেছিল গত ৪ তারিখ বিকাল থেকে ৫ তারিখ সকাল পর্যন্ত? 
৪ তারিখ বিকাল সাড়ে চারটা নাগাদ সূর্যপুর বাজারের সামনে তাঁদের বাড়ি থেকে মা, দিদিকে জানিয়ে বন্ধুর জন্মদিনের উপহার কিনতে বেরিয়েছিল ১২বছরের স্কুলপড়ুয়া। বাড়ি থেকেই বেরিয়ে বারুইপুর-জয়নগর মেইন রোড। সন্ধ্যা সাড়ে ছটার পরেও না বাড়ি না ফেরায়  সন্দেহ হয় নাবালিকার মায়ের। সময় আরও যায়, ততক্ষণে আশঙ্কা চেপে বসে। গ্রামের বাসিন্দারাও এবার খোঁজে নামে। রাত পৌনে আটটা নাগাদ বারুইপুর থানায় নাবালিকার মিসিং ডায়েরি করা হয়। যদিও নাবালিকার বাবার অভিযোগ, পুলিশ আমাদের অভিযোগ ধর্তব্যের মধ্যেই আনেনি। পুলিশ সেই মিসিং ডায়েরি লিপিবদ্ধ করে রাত বারোটার পরে। পুলিশ হাত গুটিয়ে থাকায় গ্রামের যুবকরাই দল বেঁধে বেরোয়। সুর্যপুর বাজারে থাকা তিনটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়। সেখানেই দেখা যায় লাল গেঞ্জি পরে একটি যুবক মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে। তখন বাজে ৪-৩৫মিনিট। এরপর ৪-৪২মিনিট নাগাদ একটি স্কুলের সামনে দেখা যায় নাবালিকাকে। একজনকে চিহ্নিত করা যায়। ডাক নাম গুলি, ভালো নাম প্রভাস মণ্ডল। এরপরে গ্রামবাসীরাই রাত দুটো নাগাদ যায় ঐ গুলি ওরফে প্রভাস মণ্ডলের বাড়ি। জনগণের প্রবল ক্ষোভের মুখে সে স্বীকার করে মেয়েটিকে নিয়ে গেছে কয়েকজন মিলে। মূল পাণ্ডা আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার সহ আরও দু’-তিনজন। তখন ঘড়ির কাঁটায় রাত তিনটে। এরপরে আসে ফাঁড়ির দু’জন পুলিশ। সকালে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে সুর্যপুর রেল লাইনের ধারে ডোবায় মেলে বস্তাবন্দি দেহ। উর্ধাঙ্গে একাধিক ক্ষত, কামড়ের চিহ্ন। নৃশংসভাবে মেরে মুখে কাপড় গুঁজে ২৫ কেজি চটের বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তখনও প্রাণ ছিল। কারণ ময়নাতদন্তের  রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার ফুসফুসে ঢুকেছিল জল, মৃত অবস্থায় জলে ফেললে তা সম্ভব নয়।
এরই মাঝে আবির্ভাব হয় সুর্যপুরে টেকার গ্রামের বাসিন্দা, বিজেপি’র ৩নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডলের। ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে এনকাউন্টারে মৃত প্রভাস মণ্ডলের সঙ্গে দেখা যায় তাকে। গ্রামবাসীরা সেই প্রভাস মণ্ডলের কাছ থেকেই নাম পেয়ে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকেই ঐ মণ্ডল সম্পাদকের তৎপরতায় বেমালুম পালিয়েও যায়। পুলিশের এই অপদার্থতা আর নিস্পৃহাতায় ক্ষোভের আগুনে  ঘি পড়ে। দলবদ্ধ পিটুনিতে মৃত্যু হয় ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির। মব লিঞ্চিংয়ের ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়, কেউ তা করেওনি। তবে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের নাম ছিল নাবালিকার বাবার দায়ের করা লিখিত অভিযোগে।
রাস্তা অবরোধ হয়। তবে রেললাইন উপড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি। এমনকি, খোদ নির্যাতিতার এক মাসতুতো দাদা নিজেই সাংবাদিদের কাছে বলেছেন,‘কোথায় রেললাইন তুলে দেওয়া হয়েছে? সেদিন বিক্ষোভ রেললাইনে অবরোধের জন্য এক-দু’ঘণ্টা ট্রেন চলেনি। তারপর ট্রেন চলল কী করে?’ বিক্ষোভ চলাকালীন সেখানে আসে দু’মাস আগে এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে সিপিআই(এম)’র হয়ে ভোটে লড়া লাহেক আলি। ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েও ক্ষুব্ধ মানষজনকে শান্ত হতে অনুরোধ করছিলেন বারেবারে, একাধিক ভিডিও ফুটেজেই স্পষ্ট প্রমাণ। 
ঘটনার দু’দিনের মাথায় বারুইপুর এসপি অফিসে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই রাতেই ঘটলো এনকাউন্টার, মৃত্যু হলো অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের।

এবার এক ঝলকে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি এবং একের পর এক মন্তব্যে।
ক) পুলিশের ভূমিকা ও সরকারে প্রতি আস্থা রয়েছে নাবালিকার পরিবারের। আমি এতে খুবই সন্তুষ্ট। খ) যাকে মব লিঞ্চিং করে খুন করা হয়েছে, সেই যুবক নির্দোষ ছিল আমি জেনেছি পুলিশের কাছ থেকে। ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের ঘটনাকে মব লিঞ্চিং আমি বলবো না। এটা সম্পূর্ণ নাম, পরিচয় দেখে খুন করা হয়েছে। ইন্দ্রজিতের আইডেন্টিটি, নাম পরিচয় ধরেই পরিকল্পতিভাবে, সংগঠিতভাবে খুন করা হয়েছে। যারা যারা এটাতে যুক্ত কাউকে ছাড়া হবে না। গ) ভিডিও ফুটেজে থাকা সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে। যারা রেলাইনে লোহার বিম ফেলতে গেছিল তাঁরা কেউ ভারতীয় হতে পারে না। এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ। ঘ) এর পিছনে ভোটে প্রত্যাখ্যাত শক্তি, উগ্র বাম মৌলবাদী শক্তি থাকতে পারে।
   
স্বাভাবিকভাবে এবার সরকারকে, মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রীকেই কিছু প্রশ্নের উত্তর তো দিতেই হবে। 
১) ঘটনার দিন পরিবার আটটা নাগাদ বারুইপুর থানায় অভিযোগ জানায় নাবালিকার নিখোঁজে। পুলিশ কেন রাত বারোটায় মিসিং ডায়েরি নথিবদ্ধ করল। রাত আটটা থেকে ভোর চারটে পর্যন্ত পুলিশ কেন হাত গুটিয়ে বসে থাকলো? তৎপর হলে কী জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা যেত না নাবালিকাকে?
২) ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা হাতেনাতে মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে ধরে ফাঁড়িতে তুলে দিলেও কীভাবে সেখান থেকে সে পালিয়ে গেল? তদন্তের স্বার্থেই কেন আটক বা গ্রেপ্তার করে জেরা করা হলো না বিজেপি নেতা শান্তনু মণ্ডলকে? 
৪) নিহত নাবালিকার বাবা বারুইপুর থানায় ৫তারিখে যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তাতে অভিযুক্তের তালিকার তিন নম্বরে ছিল ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের নাম। তাহলে তদন্ত শেষের আগেই দল বেঁধে পিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে নিরপরাধ বললেন? ঘটনায় এফআইআরে নাম থাকা সেই ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের দাদাকে সূর্যপুর আউটপোস্টেই কেন তড়িঘড়ি সিভিক পুলিশের চাকরি দেওয়া হলো?
৫) মব লিঞ্চিংয়ের মত ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক হামলার পরিণতি বলে দেগে দিলেন কেন মুখ্যমন্ত্রী? 
৬) প্রভাস মণ্ডল অন্যতম অভিযুক্ত। তাকে ১৪দিনের হেপাজতেও পেয়েছিল পুলিশ। তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর বারুইপুর এসপি অফিসে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কেন এনকাউন্টারের পথে হাঁটতে হলো? বিচারবহির্ভূত বা এক্সট্রা জুডিশিয়াল এক্সারসাইজের পথে কেন?
৭) প্রভাস মণ্ডলের বয়ান কী অস্বস্তি বাড়াতো প্রশাসনের? নিছক ধর্ষণ-খুনের আড়ালে আরও কোনও বৃহত্তর সামাজিক অপরাধ চক্রকে আড়ালর চেষ্টা? প্রভাত মণ্ডল কী ঐ নাবালিকাকে অপহরণ করে আসলে কোনও পাচার চক্রের হাতে টাকার বিনিময়ে তুলে দিতে চেয়েছিল? বারুইপুর পুলিশ জেলার ১৬টি থানা এলাকা থেকে গত কয়েক বছরে দু’শোর বেশি কিশোরী, তরুণী নিখোঁজ, সেই পাচার চক্রের হাতেই কী পড়েছিল ঐ নাবালিকা? আর নারী পাচার চক্রকে আড়াল করতেই কী প্রতিবাদীদের গ্রেপ্তার ও ধরপাকড়ে অগ্রাধিকার পুলিশের?
৯) গভীর রাতে সাক্ষ্য ছাড়াই কী এনকাউন্টার? ঝোপঝাড়, জঙ্গল, কাদাভর্তি দুর্গম জায়গায় রাত পৌনে একটায় পুলিশ বাহিনী ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গেল কেন? 
১০) অভিযুক্ত প্রভাস ঘুটঘটে অন্ধাকারে বৃষ্টিভেজা রাতে পুলিশের বন্দুক কেড়ে নিল কীভাবে? ঘটনার পরে ঐ দুর্গম জায়গা পেরিয়ে রেললাইন ধরে হেঁটে কীভাবে দেহ নিয়ে ফিরল পুলিশ? ঘটনাস্থল থেকে ফরেন্সিক কেন খালি হাতে ফিরল? 
১২) পৌনে একটায় ঘটনাটি ঘটেছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। রাত প্রায় সওয়া তিনটে-সাড়ে তিনটে নাগাদ প্রভাস মণ্ডলের দেহ নিয়ে বারুইপুর হাসপাতালে পৌঁছেছিল পুলিশ। আট কিলোমিটার দূরত্ব পেরোতে পৌনে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছিল কেন? আদৌ কী এনকাউন্টার স্থল ওখানেই?
১৩) নাবালিকার বাবা-মা’ পুলিশি ধরপাকড় বন্ধ করার আরজি করলেও তা চলছে কেন? 
১৪) যারা আগুন জ্বালিয়ছে, দল বেঁধে পিটুনি দিয়ে একজনকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করুক পুলিশ। কিন্তু সব প্রতিবাদীদের ‘ভারতীয় নয়’ বা উগ্র মৌলবাদী বাম-শক্তি বলে দেগে দেওয়া কেন? ১৫) ৪২জন গ্রামবাসীকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার মধ্যে বহিরাগত কাউকে কী খুঁজে পেয়েছেন? আধার কার্ড বা অন্য কোন পরিচয়ে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা পাওয়া গেছে?
১৬) ধৃত সিপিআই(এম) নেতার বিরুদ্ধ ২৬টি ধারায় মামলা! ঘটনার এক সপ্তাহ পরে বারুইপুর সদরের বিজেপি’র মণ্ডল সভাপতির করা এফআইআরে কেন গ্রেপ্তার করা হলো লাহেক আলিকে? অভিযোগকারী বারুইপুর পৌরসভার বাসিন্দা। সাতদিন পরে সূর্যপুরের ঘটনায় তাকে কে নির্দেশ দিল এফআইআর করতে?
 
গণতন্ত্রে প্রশ্ন, প্রতিবাদ এমনকি ন্যায়সঙ্গত প্রতিরোধও জরুরি। পার্ক স্ট্রিট থেকে কামদুনি, হাঁসখালি থেকে আরজি কর পেরিয়ে আসা রাজ্যবাসী এখন বারুইপুর দেখছে। বুলডোজারের দাপাদাপিতেই এনকাউন্টারের প্রদর্শন আসলে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, সঙ্ঘের অ্যাজেন্ডা। জনগণ নয় সরকার সঙ্ঘের কাছে দায়বদ্ধ। খাতায় কলমে বিরোধী দল এখন সরকারের পোষ মানা শক্তিতে পরিণত হয়েছে। প্রকৃত বিরোধী স্বরকে প্রথমেই তাই দেশদ্রোহী বলে দেগে দেওয়ার রাজনীতিকে ঠেকাতে হবে রাস্তায় নেমেই।

Comments :0

Login to leave a comment