Nepal Eviction Protest

উচ্ছেদ বিরোধী বিক্ষোভে তোলপাড় নেপাল

আন্তর্জাতিক

বিশাল পুলিশবাহিনীর মুখোমুখি প্রতিবাদীরা। কাঠমান্ডুর রাস্তার ছবি।

গত এপ্রিল থেকে চলছে উচ্ছেদ। সৌন্দর্যায়নে হাত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেন শাহ। একাংশকে রাখা হচ্ছে ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ। বন্যায় ভেসে গিয়েছে সেই আটক-কেন্দ্রও। নিরাশ্রয় মানুষের ওপর অন্যায় বন্ধ করার দাবিতে রাজধানী কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে এল জনতার স্রোত। বিক্ষোভের জেরে রবিবার স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে কাঠমান্ডু। প্রতিবাদ ছড়িয়েছে অন্যত্রও।
গত বছর ‘জেন জি’ আন্দোলনের হাত ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন বলেন শাহ। এবার আন্দোলন চলছে সেই ‘জেন জি’ বিক্ষোভের ধাঁচেই। প্রতিবাদের ঝড় সামলাতে নাজেহাল তাঁর সরকার। গ্রেপ্তারি বা পুলিশে লাঠিতে দমানো যাচ্ছে না প্রতিবাদকে। এদিন বিভিন্ন আটক-কেন্দ্রের অবস্থা দেখতে ছুটতে হয়েছে নেপালের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিয়ে তৈরি প্রতিনিধিদলকে। 
নেপালের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে কেবল রাজধানী শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে ছোটখাটো ঝুপড়ির বাসিন্দা প্রায় ২৫০০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত এপ্রিল থেকে চলছে উচ্ছেদ। প্রতিবাদ হলেও এতদিন আমল দেয়নি সরকার। নিরাশ্রয় হয়েছেন অন্তত প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। 
জুলাইয়ের গোড়া থেকেই প্রতিবাদ দানা বাঁধছিল। একাধিক আটক-কেন্দ্রের অবস্থা ভয়াবহ। অমানবিক পরিস্থিতিতে নাগরিকদের কার্যত বন্দি করার প্রতিবাদ জোরালো হতে থাকে। এমন বিভিন্ন ‘হোল্ডিং সেন্টার’-র পরিস্থিতি নিয়ে খবর করতে গিয়ে প্রশাসনের লাল চোখের মুখে পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের। বিক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে।
সম্প্রতি কাঠমাণ্ডুতে এক গিগ শ্রমিকের বাইক আটকে দেয় পুলিশ। তিনি গায়ে আগুন দেন। বিক্ষোভ তীব্র হতে থাকে। খবর মেলে যে কাঠনমান্ডুর কাছে এক আশ্রয়কেন্দ্র বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে। ছুটে যান আন্দোলনকারীদের একাংশ। তাঁদের বাধা দেওয়া হয়।
জুলাইয়ে বলেন শাহ সরকার নির্দেশ দেয় হোল্ডিং সেন্টার ছেড়ে দিতে হবে। নিরাশ্রয় মানুষ বলেন তাঁদের যাওয়ার জায়গা নেই। এই কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন কিভাবে। সরকার চাপ দিতে থাকে। ছড়িয়ে পড়ে সে খবরও। উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

Comments :0

Login to leave a comment