প্রায় ৯০০টি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়ছে বুধবার থেকে। তার মধ্যে রয়েছে রক্ত শর্করা, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ। দাম বাড়ছে সংক্রমণ রোধী ওষুধের দামও।
ইরানে যুদ্ধের কারণে সঙ্কটকে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে ওষুধ নির্মাতা সংস্থাগুলি। কিন্তু অত্যাবশ্যক বিভিন্ন ওষুধের ওপর ১২ শতাংশ হারে বসানো হয়েছে পণ্য ও পরিষেবা কর জিএসটি।
ইরান যুদ্ধের কারণে বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহে সমস্যাকে দায়ী করছে একাংশ। বলা হচ্ছে গ্লিসারিনের দাম ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। প্যারাসিটামলের দাম ২৬ শতাংশ বাড়ছে। ডিক্লোফেনাক সোডিয়াম এবং সিপরোফ্লক্সাসিনের দাম ২০ ও ৩০ শতাংশ বেড়েছে। সংক্রমণ রোধে সিপরোফ্লক্লক্সাসিন ব্যবহার করা হয়।
মনটেলুকাস্ট সোডিয়ামের দাম ২৫-৩০ শতাংশ বাড়ছে। অ্যাজিথ্রোমাইসিনের দাম ১৮-২০ শতাংশ বাড়ছে।
দাম বাড়ছে প্যাকেজিং সরঞ্জামেরও। পলিথিলিনের দাম ৮০ টাকা প্রতি কেজি থেকে দ্বিগুন ১৮০ টাকা হয়েছে। পিভিসি বোতল ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ দামি হচ্ছে। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের দামও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, সব কিছুরই দাম যুদ্ধের কারণে বাড়ছে তা নয়। কেন্দ্রীয় বাজেট এবং জিএসটি মাশুলের জেরে বিভিন্ন পণ্যের দাম আগেই বাড়ানো হয়েছে। নতুন অর্থবর্ষ শুরু হচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে। ফলে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিন থেকেই বাজারে বাড়তি দাম দিতে হবে ক্রেতাদের।
এর আগে বেড়েছে গ্যাসের দাম প্রতি সিলিন্ডারের ৬০ টাকা। বাণিজ্যিক ব্যবহারের এলপিজি-র দাম সিলিন্ডার প্রতি ১৯৫.৫০ টাকা হয়েছে। এর মধ্যে অটোর ব্যবহারের গ্যাসের দামও দফায় দফায় বেড়েছে।
Medicine Price
দাম বাড়ছে প্রায় ৯০০টি ওষুধেরও
×
Comments :0