Adhir Chowdhury

মমতার সময়ে হিংসার ফল ভুগতে হবে, অধীর চৌধুরী

রাজ্য জেলা

তৃণমূলের সরকারের ১৫ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে। পরাজিত হয়ে বৃহত্তর জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি। শনিবার কংগ্রেস ও বাম দলগুলোর কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন তিনি। মমতার ঐক্য বার্তা প্রসঙ্গে মঙ্গলবার  অধীর রঞ্জন চৌধুরী শর্ত রেখে বললেন, রাহুল গান্ধীকে সর্বভারতীয় জোটের নেতা হিসেবে মেনে নিতে হবে। তরপর ভেবে দেখবো বিষয়টি। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও দলটি মাত্র ৮০টি আসনে নেমে এসেছে। নির্বাচনে মমতা কংগ্রেস এবং বাম দলগুলোর কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন। সেই পরিপেক্ষিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, বাংলার সমস্ত হিংসার পরিণতি এখন তাঁকে ভোগ করতে হবে। রবিবার মুর্শিদাবাদে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘মমতা ব্যানার্জীর শাসনে বাংলায় যে সমস্ত হিংসা ঘটেছে, তার ফল এখন ভোগ করতে হবে। তিনি বাংলার কংগ্রেস ও ধর্মনিরপেক্ষ এলাকাগুলোকে ধ্বংস করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন, আজ তিনি নিজেই তার ফল ভোগ করছেন।’’ মমতা ব্যানার্জীকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, আজ তাঁর ক্ষমতা কমে গেছে এবং তিনি সমর্থন চাইছেন। প্রথমে তাঁকে সর্বভারতীয় জোটের নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীকে মেনে নিতে হবে, তারপরেই আমরা অন্য কিছু বিবেচনা করব।’’ 
সংবাদ সংস্থাকে কংগ্রেস নেতা বলেন, একটা সময় যে দলগুলোকে মমতা ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন, এখন তাদের কাছেই সমর্থন চাইছেন। 'কংগ্রেস ও ধর্মনিরপেক্ষ দলকে শেষ করেছে তৃণমূল। রাজ্যে মমতাই বিজেপিকে জায়গা করে দিয়েছ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বামফ্রন্টকে তারতে মমতা নকশালদের সঙ্গে হাতও মিলিছিলেন। কাজ হাসিল হয়ে গেলে কিষানজিকে হত্যা করা হয়েছিল। মমতার শাসনামলে বাংলায় হওয়া সমস্ত হিংসার ফল এখন সামনে আসছে। বাংলায় কংগ্রেস এবং ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে শেষ করে দেওয়ার জন্য প্রচুর চেষ্টা করেছিলেন, আর আজ উনি নিজেই তার ফল ভুগছেন। এখন তিনি বিপদে পড়ে সবাইকে ডাকছেন, ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন। তীব্র হতাশায় রয়েছেন নির্বাচনে পরাজিত হয়ে। আগে রাহুল গান্ধীকে ইন্ডিয়া মঞ্চের নেতা নেতা মানুন। অধীর রঞ্জন চৌধুরী জোরের সঙ্গেই দাবি করেছেন আগামী দিনে মমতাকে রাহুল গান্ধীর কাছে দাঁড়াতে হবে। অধীর চৌধুরী কটাক্ষ করে বলেন, হরিশ মুখার্জি রোডের অভিষেকের শান্তিনিকেতনে আগে কঠোর নিরাপত্তা ছিল, এখন তা দেখতে যাচ্ছেন মানুষ। মিউজিয়ামে পরিণত হয়েছে। এরপর মমতার বাড়িও মিউজিয়ামে পরিণত হবে। বিজেপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তা পালন না হলে তৃণমূল সরকারের মতো বিজেপি সরকারকেও উৎখাত করবে মানুষ।
তৃণমূলের সরকারের ১৫ বছরের শাসনের অবসান হয়েছে। পরাজিত হয়ে বৃহত্তর জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি। শনিবার কংগ্রেস ও বাম দলগুলোর কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন তিনি। মমতার ঐক্য বার্তা প্রসঙ্গে মঙ্গলবার  অধীর রঞ্জন চৌধুরী শর্ত রেখে বললেন, রাহুল গান্ধীকে সর্বভারতীয় জোটের নেতা হিসেবে মেনে নিতে হবে। তরপর ভেবে দেখবো বিষয়টি। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও দলটি মাত্র ৮০টি আসনে নেমে এসেছে। নির্বাচনে মমতা কংগ্রেস এবং বাম দলগুলোর কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন। সেই পরিপেক্ষিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, বাংলার সমস্ত হিংসার পরিণতি এখন তাঁকে ভোগ করতে হবে। রবিবার মুর্শিদাবাদে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘মমতা ব্যানার্জীর শাসনে বাংলায় যে সমস্ত হিংসা ঘটেছে, তার ফল এখন ভোগ করতে হবে। তিনি বাংলার কংগ্রেস ও ধর্মনিরপেক্ষ এলাকাগুলোকে ধ্বংস করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন, আজ তিনি নিজেই তার ফল ভোগ করছেন।’’ মমতা ব্যানার্জীকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, আজ তাঁর ক্ষমতা কমে গেছে এবং তিনি সমর্থন চাইছেন। প্রথমে তাঁকে সর্বভারতীয় জোটের নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীকে মেনে নিতে হবে, তারপরেই আমরা অন্য কিছু বিবেচনা করব।’’
সাক্ষাৎকারে চৌধুরী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে ভোট-পরবর্তী যে সহিংসতা চলছে, তা মমতা শাসনেরই অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। তিনি বলেন, "মমতার শাসনকালে বাংলায় যত হিংসা ঘটেছে, এখন তার পরিণাম ভোগ করতেই হবে। কংগ্রেস নেতা বলেন, 'কংগ্রেস ও ধর্মনিরপেক্ষ দলকে শেষ করেছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বামফ্রন্টকে তারতে মমতা নকশালদের সঙ্গে হাত মিলিছিলেন। কাজ হাসিল হয়ে গেলে কিষানজিকে হত্যা করা হয়েছিল। এখন তিনি বিপদে পড়ে সবাইকে ডাকছেন, ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন।  তীব্র হতাশায় রয়েছেন নির্বাচনে পরাজিত হয়ে। রাহুল গান্ধীকে ইন্ডিয়া মঞ্চের নেতা নেতা মানুন। তাঁর কাছে মমতা ব্যানার্জিকে হাতজোড় করতে হবে। অধীর রঞ্জন চৌধুরী জোরের সঙ্গেই দাবি করেছেন আগামী দিনে মমতাকে রাহুল গান্ধীর কাছে হাতজোড় করেই দাঁড়াতে হবে। অধীর চৌধুরী জানান, হরিশ মুখার্জি রোডের অভিষেকের শান্তিনিকেতন। আগে কঠোর নিরাপত্তা ছিল, এখন দেখতে যাচ্ছেন মানুষ। এখন মিউজিয়ামে পরিণত হয়েছে। এরপর মমতার বাড়িও মিউজিয়ামে পরিণত হবে। বিজেপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তা পালন না হলে তৃণমূল সরকারের মতো বিজেপি সরকারকেও উৎখাত করবে মানুষ।

Comments :0

Login to leave a comment