John Brittas writes President for removal of Gyanesh Kumar

জ্ঞানেশ কুমারের পদে থাকার কোনও অধিকার নেই: পলিট ব্যুরো

জাতীয়

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে থাকার অধিকার নেই জ্ঞানেশ কুমারের। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত সংবাদের পর স্পষ্ট যে কেবল এসআইআর সন্দেহজনক নয়, নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতাই প্রশ্নের মুখে। 
বুধবার বিবৃতিতে এই দাবি তুলেছে সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আপসে চলা এই নির্বাচন কমিশনের ওপর ভরসা হারিয়েছেন দেশের মানুষ। জ্ঞানেশ কুমারকে দায় নিতে বাধ্য করতে হবে। 
পলিট ব্যুরো দাবি, বাতিল করতে হবে এস আই প্রক্রিয়াও।
এদিনই এই বিষয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে দ্রুত সাংবিধানিক হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাস।
গণহারে নাম বাদ দেওয়া বেআইনি এবং তা হচ্ছে কোনও অনুমোদন ছাড়াই। গোপনে নাম বাদ দেওয়া এবং গোপনে ভোটার তালিকায় নাম যোগ করার বিপক্ষেও মত জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। ফর্ম ৬’র ভিত্তিতে নাম তোলার আবেদন জানালে নতুন এবং নবীন অংশকে হেনস্তা করা হচ্ছে। সবটাই চলছে অন্ধকারে। গত ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন এই দুই নির্বাচন কমিশনার। কোনও আপত্তি গ্রাহ্য করেননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এটি কোনও নির্বাচন কমিশনই আর নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের স্বৈরাচারের ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
রাষ্ট্রপতিকে পাঠানো চিঠিতে ব্রিটাস বলেছেন, গত ২৪ এপ্রিল ৭৩ জন সাংসদ এই প্রক্রিয়া শুরু জন্য সংসদে চিঠি দিয়েছিলেন। ৫০ জন সাংসদ চিঠি দিলেই বিষয়টি বিবেচনায় আনা যায়। প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ঘাত হলে সংসদেরই হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকে। 
ব্রিটাস রাষ্ট্রপতিকে বলেছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় খসড়া তালিকা থেকে ৩০ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতেই ৩৩ লক্ষ নাম বাদ দিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারকেও স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে সুপ্রিম কোর্টে। আইনের বিপক্ষে কাজ হলে এসআইআর-কে বাতিলের পক্ষে মত জানাতে হবে।

Comments :0

Login to leave a comment