Post Editorial

আবাসনের অধিকার, শহরের অধিকার

সম্পাদকীয় বিভাগ উত্তর সম্পাদকীয়​

শান্তনু ঝা
 

শহরে কাজ আছে, কিন্তু থাকার জায়গা নেই। বাড়ি আছে, কিন্তু তার ভাড়া মেটানো কঠিন। আবার বহু মানুষ এমন অনিশ্চিত আশ্রয়ে দিন কাটান, যা যে কোনও দিন হারিয়ে যেতে পারে। এই বৈপরীত্য আজকের নগরজীবনের গভীর সঙ্কট। জমি ও বাড়ি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন, অথচ একই সঙ্গে তা বিনিয়োগ ও মুনাফার ক্ষেত্র। ফলে আবাসনের প্রশ্ন শুধু দরিদ্র মানুষের সমস্যা নয়; এটি শ্রমজীবী মানুষের জীবন, মধ্যবিত্তের আর্থিক নিরাপত্তা এবং শহরের ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত একটি রাজনৈতিক প্রশ্ন।
বেঙ্গালুরু, মুম্বাই ও দিল্লির মতো শহরে কর্মসংস্থান বাড়লেও সুলভ আবাসনের অভাব প্রকট। শহরের অর্থনীতি যাঁদের শ্রমের উপর নির্ভরশীল, তাঁদেরই অনেকে শহরে থাকার সামর্থ্য হারাচ্ছেন। তাই আবাসনকে শুধু নির্মাণশিল্প বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির বিষয় হিসাবে দেখলে চলবে না। প্রশ্ন হলো, শহরের জমি ও সম্পদ কাদের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হবে? উন্নয়নের সুফল কারা পাবেন? পৌরসভা কি শুধু রাস্তা, আলো, নিকাশি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে, নাকি নিরাপদ ও সুলভ আবাসনের সুযোগ তৈরিতেও ভূমিকা নেবে?
বিশ্বরাজনীতিতে আবাসনের প্রশ্ন
আবাসনের সঙ্কট আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির প্রচারে বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, সুলভ আবাসন নির্মাণ ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। তাঁর প্রচার একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আনে: শহরে কাজ করা মানুষ যদি সেই শহরে থাকার সামর্থ্য হারান, তবে শহরের উন্নয়ন কাদের জন্য? সম্পত্তির বাজারে বিনিয়োগ ও মুনাফা বাড়ানোই কি উন্নয়নের প্রধান লক্ষ্য, নাকি সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ?
লন্ডন, বার্লিন সহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও জমির মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষকে শহরের কেন্দ্র থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় জেন্ট্রিফিকেশন। পুরানো, তুলনামূলক কম দামের পাড়ায় নতুন বিনিয়োগ, বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও বিলাসবহুল আবাসন গড়ে উঠলে জমি ও বাড়ির দাম বাড়ে। পুরানো বাসিন্দাদের পক্ষে সেখানে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। সব সময় উচ্ছেদের নোটিস দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় না; বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, চুক্তি নবায়ন না করা এবং ছোট দোকানের ভাড়া বেড়ে যাওয়াও মানুষকে স্থানচ্যুত করে। ফলে শ্রমজীবী মানুষকে কর্মস্থল থেকে দূরে যেতে হয়, বাড়ে যাতায়াতের খরচ ও সময়।
নতুন নির্মাণ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু সেই নির্মাণের ফলে সুলভ আবাসন কমে গেলে এবং উন্নয়নের সুফল প্রধানত জমির মালিক ও বিনিয়োগকারীদের কাছে কেন্দ্রীভূত হলে তা সামাজিক বৈষম্য বাড়ায়। তাই নগর উন্নয়নের সঙ্গে পুরানো বাসিন্দাদের অধিকার রক্ষার প্রশ্নটিও যুক্ত করতে হবে।
ভারতের শহর: উন্নয়ন কার জন্য?
বেঙ্গালুরুতে তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা শিল্পের প্রসার কর্মসংস্থান বাড়িয়েছে। কিন্তু নির্মাণ শ্রমিক, গৃহ সহায়িকা, নিরাপত্তাকর্মী ও স্বল্প বেতনের কর্মীদের জন্য সুলভ ভাড়ার বাড়ির অভাব রয়ে গেছে। মুম্বাইয়ে বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পে বেসরকারি নির্মাণ সংস্থাকে যুক্ত করা হলেও প্রকল্পের সাফল্য শুধু বাড়ি নির্মাণ দিয়ে বিচার করা যায় না। নতুন বাড়ির মান, কর্মস্থলের সঙ্গে দূরত্ব এবং জীবিকার উপর তার প্রভাব বিবেচনা করতে হবে। দিল্লির অভিজ্ঞতাও দেখায়, শহরের প্রান্তে পুনর্বাসন করলে যাতায়াতের খরচ ও সময় বেড়ে যায়। তাই যেখানে সম্ভব, পুরানো বসতিতে থেকেই জল, নিকাশি, শৌচাগার ও অন্যান্য পরিষেবা উন্নত করা দরকার।
ভারতে ন্যাশনাল স্লাম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, বাল্মীকি আম্বেদকর আবাস যোজনা এবং জেএনএনইউআরএম দরিদ্র শহরবাসীর আবাসন ও মৌলিক পরিষেবার প্রশ্নকে সরকারি নীতিতে গুরুত্ব দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাজীব আবাস যোজনা এবং শহরাঞ্চলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাও আবাসনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি নির্মাণই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিষেবার ঘাটতি, প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা এবং কর্মস্থল থেকে দূরে পুনর্বাসনের ফলে প্রকৃত সুবিধা সীমিত হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, বাড়ির সংখ্যা নয়, বাড়ির অবস্থান, পরিষেবার মান, ঋণের বোঝা এবং জীবিকার সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে আবাসন প্রকল্পের সাফল্য বিচার করা উচিত।
পশ্চিমবঙ্গের অভিজ্ঞতা ও জমির প্রশ্ন
পশ্চিমবঙ্গে বিকল্প আবাসন নীতি তৈরির সময় বামফ্রন্ট সরকারের ভূমিসংস্কারের অভিজ্ঞতা স্মরণ করা দরকার। উদ্বৃত্ত জমি বণ্টন ও বর্গাদারদের অধিকার প্রতিষ্ঠা দেখিয়েছিল, জমির মালিকানা ও ব্যবহার শুধু বাজারের বিষয় নয়; রাষ্ট্রের নীতি ও জনআন্দোলনও তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে গ্রামীণ ভূমিসংস্কার শহরের আবাসন সমস্যার সরাসরি সমাধান নয়। শহরের জমির দাম, নির্মাণ ব্যয় ও কর্মসংস্থানের অবস্থান বিবেচনা করে পৃথক নীতি প্রয়োজন।
কেরালার লাইফ মিশন থেকেও শিক্ষা নেওয়া যায়। গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের আবাসনের জন্য সরকারি সহায়তা, বাড়ি নির্মাণ ও বিভিন্ন প্রকল্পের সমন্বয় এই কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ দিক। পশ্চিমবঙ্গেও সরকারি জমি, অব্যবহৃত ভবন এবং উপযুক্ত পরিত্যক্ত শিল্পাঞ্চল সমীক্ষা করে সুলভ ভাড়ার বাড়ি ও সমবায় আবাসনের জন্য জমি চিহ্নিত করা যেতে পারে। তবে পরিবেশ, জলনিকাশি ও যোগাযোগের উপযোগিতা যাচাই করা জরুরি।
Urban Land (Ceiling and Regulation) Act, 1976-এর উদ্দেশ্য ছিল শহুরে জমির অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন রোধ এবং জনস্বার্থে জমি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা। বাস্তবে জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা ও মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে আইনটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা থেকে জমির উপর সমস্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয় না। জমির ব্যবহার সহজ করার পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধি ও সম্পত্তির কেন্দ্রীভবন রোধে জনস্বার্থের শর্ত বজায় রাখা দরকার।
এখানে আরবান ল্যান্ড সিলিং আইন এবং পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার আইনের ১৪ ওয়াই ধারা এক নয়। প্রথমটি শহুরে জমির ঊর্ধ্বসীমা এবং দ্বিতীয়টি মূলত কৃষিজমির মালিকানার ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে কাজ করে। জমির ব্যবহার পরিবর্তন বা অতিরিক্ত নির্মাণের অনুমতি দিলে তার বিনিময়ে সুলভ আবাসন, উন্মুক্ত স্থান ও জনপরিকাঠামোর জন্য নির্দিষ্ট অংশ সংরক্ষণ করা যেতে পারে। জমির মূল্যবৃদ্ধি থেকে সরকারের অতিরিক্ত রাজস্বের একটি অংশ আবাসন তহবিলে দেওয়ার ব্যবস্থাও বিবেচনা করা উচিত।
ল্যান্ড পুলিংয়ের মাধ্যমে একাধিক জমির মালিক যৌথ পরিকল্পনায় অংশ নিতে পারেন। পরিকাঠামো তৈরির পর তাঁরা উন্নত জমির অংশ ফেরত পান। এতে পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু শুধু জমির মালিক নয়, বর্গাদার, কৃষিশ্রমিক ও জমির উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবিকার সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, সম্মতি এবং উন্নয়নের আর্থিক লাভের ন্যায্য বণ্টন প্রকল্পের শুরুতেই নির্ধারণ করা জরুরি।
বিকল্প আবাসন: সমবায় ও সুলভ ভাড়া
থাইল্যান্ডের Baan Mankong কর্মসূচি দেখিয়েছে, আবাসন পরিকল্পনায় বাসিন্দাদের সরাসরি যুক্ত করা সম্ভব। সমবায়, কমিউনিটি সঞ্চয় ও সরকারি সহায়তার মাধ্যমে কোথাও পুরানো বসতিতে পরিষেবা উন্নত করা হয়, কোথাও নতুন আবাসন গড়ে তোলা হয়। পশ্চিমবঙ্গেও নিম্ন আয়ের বসতির বাসিন্দাদের সমবায় গড়ে তুলে বাড়ি মেরামত, পরিষেবা উন্নয়ন ও নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য স্বল্প সুদের ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
পরিবারের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে ঋণের কিস্তি বাড়ানোর ব্যবস্থাও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা যেতে পারে। তবে সুদের হার, ঋণের মোট খরচ এবং আয় না বাড়লে কিস্তি পুনর্নির্ধারণের নিয়ম স্পষ্ট থাকা দরকার। একই সঙ্গে বাড়ি কেনার ঋণের বাইরে সুলভ ভাড়ার আবাসনের জন্য পৃথক তহবিল প্রয়োজন। পরিযায়ী শ্রমিক, গৃহকর্মী ও অস্থায়ী কর্মীদের অনেকের পক্ষেই বাড়ি কেনা সম্ভব নয়। তাঁদের জন্য স্বচ্ছ ভাড়ার চুক্তি, অন্যায্য উচ্ছেদ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ভাড়ার বাড়ি নিশ্চিত করা জরুরি।
গিগ কর্মীদের আবাসন
অ্যাপভিত্তিক খাবার সরবরাহকারী, গাড়ি ও বাইকচালক এবং অন্যান্য গিগ কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের নির্দিষ্ট কর্মস্থল বা নিয়মিত আয় নেই। ফলে কর্মক্ষেত্রের কাছে বাড়িভাড়া মেটানো কঠিন হলেও দূরে থাকলে যাতায়াতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। তাঁদের জন্য কর্মসংস্থান কেন্দ্র, বাজার, হাসপাতাল ও পরিবহণ কেন্দ্রের কাছে সুলভ ভাড়ার ছোট বাড়ি এবং যৌথ আবাসন গড়ে তোলা যেতে পারে। মাসিক ভাড়ার পাশাপাশি সাপ্তাহিক বা স্বল্পমেয়াদি আবাসনের ব্যবস্থাও থাকা দরকার।
আবাসনে নিরাপদ শৌচাগার, পানীয় জল, রান্নার ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাইক রাখার জায়গা, বৈদ্যুতিক যান চার্জিং, মোবাইল চার্জিং ও বিশ্রামকেন্দ্রও প্রয়োজন। মহিলা গিগ কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা জরুরি। সরকারি ভরতুকি, পৌরসভার জমি, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল ও সমবায়ের সঞ্চয় একত্র করে পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালানো যেতে পারে। প্ল্যাটফর্ম সংস্থাগুলির কাছ থেকেও কর্মীদের আবাসন ও সামাজিক সুরক্ষায় আর্থিক অবদান দাবি করা উচিত।
আবাসনের অধিকার: পৌর রাজনীতির কর্মসূচি
প্রতিটি পৌর এলাকায় আবাসন সমীক্ষা দিয়ে একটি কার্যকর কর্মসূচি শুরু করা দরকার। কত পরিবার অনিরাপদ বাড়িতে থাকে, কত পরিবার আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ভাড়া দেয় এবং কোথায় উচ্ছেদের আশঙ্কা রয়েছে, সেই তথ্য প্রকাশ করতে হবে। সরকারি জমি ও অব্যবহৃত ভবনের তালিকা তৈরি করে সুলভ ভাড়ার বাড়ি, সমবায় আবাসন ও পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করতে হবে। যেখানে সম্ভব, বর্তমান বসতিতে থেকেই পরিষেবা উন্নত করা উচিত।
পৌর নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে কয়েকটি স্পষ্ট প্রশ্ন রাখা দরকার: সরকারি জমির তালিকা প্রকাশ করা হবে কি? সুলভ ভাড়ার বাড়ির জন্য নির্দিষ্ট বাজেট থাকবে কি? উচ্ছেদের মুখে পড়া পরিবারগুলি আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন পাবে কি? গিগ কর্মীদের জন্য কর্মস্থলের কাছে আবাসন ও বিশ্রামকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে কি? আবাসন প্রকল্পের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করা হবে কি? শ্রমিক সংগঠন, মহিলা সংগঠন, গিগ কর্মীদের সংগঠন ও নাগরিক গোষ্ঠীকে নিয়ে একটি আবাসন দাবিপত্র তৈরি করা যেতে পারে।
আবাসনের অধিকার শুধু বাড়ি নির্মাণের প্রশ্ন নয়। জমির ব্যবহার, সুলভ ভাড়া, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, সরকারি সহায়তা, সমবায়, বসতিতে থেকেই পরিষেবা উন্নয়ন এবং উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা—সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের ভূমিসংস্কারের অভিজ্ঞতা, এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের নিজস্ব আবাসন নীতি তৈরি করা সম্ভব।
যে শহরে কাজ করার অধিকার আছে, সেখানে নিরাপদে থাকার সুযোগও থাকতে হবে। আবাসন তাই শুধু একটি ঘরের প্রশ্ন নয়; এটি ন্যায্য, গণতান্ত্রিক ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলার প্রশ্ন। শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই—শহর কার? তার উত্তর নির্ধারিত হবে শহরের জমি, বাড়ি ও সম্পদের ব্যবহার কাদের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে, তার মধ্য দিয়েই।
 

Comments :0

Login to leave a comment