দশমীর রাতে দত্তপুকুরে হইচই। যশোর রোডের উপর একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ঘিরে তৈরি হল আতঙ্ক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বারাসাত জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। হাজির হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। পাশাপাশি উপস্থিত হয় বম্ব স্কোয়াডও। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই ব্যাক্তির নাম রাকিবুল ইসলাম।
দত্তপুকুরে যশোর রোডের উপর একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়। দুপুরের পর থেকে সাদা রঙের গাড়িটি রাস্তার ধারেই পড়েছিল। এলাকার মানুষরা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে গাড়িটি তল্লাশি চালাতেই শোরগোল পড়ে যায়। খবর পাওয়া যায় যে গাড়িটির মধ্যে তরল কোনও কেমিক্যাল রয়েছে। এরপরই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বারাসাত জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বম্ব স্কোয়াড।
বেঙ্গল এসটিএফ, এনআইএ ও এনএসজি-র যৌথ তল্লাশিতে এক কেজির বেশি স্পেন্টার, অল্প কিছু সিঁদুর, অ্যামোনিয়া নাইট্রেট-এর মতো বিস্ফোরক পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া রাসায়নিকগুলিকে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শক্তিশালী কোনও বিস্ফোরক না পাওয়ায় এনআইএ ও এনএসজি-কে ফিরে যেতে হয়। তবে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দত্তপুকুর থানায় পুলিশ মামলার রুজু করেছে। কীভাবে ওই রাসায়নিক গাড়িতে এল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে পুলিশ সূত্রে খবর, বিস্ফোরকের মতো যে পদার্থ পাওয়া গিয়েছে, সেটি বিশেষ শক্তিশালী কিছু নয়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তিরই ওই গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় ৪টি বাইক ও গাড়ির শোরুমের মালিক এই রাকিবুল ইসলাম।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
এই প্রসঙ্গে বারাসতের পুলিশ সুপার জে মার্সি বলেন, "এনআইএ-র প্রাথমিক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী গুলো সরাসরি বিস্ফোরক নয়। তবে সেগুলো কী ধরনের, এর ক্ষমতাই বা কতটা ভয়ানক, তা তদন্ত করছেন এনআইএ এবং এনএসজি।
Comments :0