new pension scheme

অসংগঠিত ক্ষেত্রের নতুন পেনশন প্রকল্পে আর্থিক দায়িত্ব নেবে না কেন্দ্র

জাতীয়

ছবি প্রতিকী

'সর্বজনীন পেনশন স্কিম' নামে কেন্দ্র আনতে চলেছে নতুন প্রকল্প। শ্রম মন্ত্রক সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে অসংগঠিত ক্ষেত্রের সহ দেশের সকল নাগরিকের জন্য এই প্রকল্প চালু হবে। তবে সরকার নিজে কোনও আর্থিক দায়িত্ব নেবে না। 
শ্র মন্ত্রকের সূত্র জানাচ্ছে যে নির্মাণ শ্রমিক, গার্হস্থ্য কর্মী এবং গিগ শ্রমিকদের মতন অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য সরকারি পেনশন প্রকল্প নেই। এই প্রকল্প এমন সব অংশ যুক্ত হতে পারবে। বেতন প্রাপ্ত কর্মচারীদের পাশাপাশি স্বনিযুক্ত কর্মীরাও ব্যবহার করতে পারবেন প্রকল্প। 
সরকারি স্তর থেকে এমন ভাষ্য যদিও এবারই প্রথম নয়। এর আগেও অসংগঠিত ক্ষেত্রে এবং নির্দিষ্ট বেতনে কাজ করেন না এমন অংশগুলির সামাজিক সুরক্ষায় প্রকল্প চালুর দাবি জানানো হয়েছে। তবে সরকারি প্রকল্পের দিশাতেই সমস্যা থাকায় সাড়া বিশেষ মেলেনি। প্রতিদানের প্রতিশ্রুত অঙ্কও বার্ধক্যকালীন প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত থাকেনি।
নতুন এই প্রকল্পে সরকার আর্থিক দায়িত্ব নেবে না। উল্লেখ্য, প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিএফ’র ক্ষেত্রে বেসরকারি কর্মচারীদের তহবিলে নিজেদের বেতন থেকে কেটে নেওয়া অর্থের পাশাপাশি মালিকপক্ষের অর্থ জমা পড়ে।  অসংঠিত ক্ষেত্রে যেহেতু এমন শ্রমিকদের নির্দিষ্ট মালিক থাকে না, সরকারকে সেই ভাগের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য দাবি উঠেছে বিভিন্ন সময়ে। তবে এই নতুন প্রকল্পের পরিকল্পনাতেও সে দাবি মানতে রাজি নয় কেন্দ্র।
জানা গিয়েছে, চালু কিছু প্রকল্প নতুন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতে পারে। আপাতত নতুন পেনশন স্কিমটি সাথে জাতীয় পেনশন স্কিমটিও চালু থাকবে। পাশাপাশি, নতুন প্রকল্পে যোগদান বাধ্যতামূলক হবে না।
বর্তমনে অসংগঠিত ক্ষেত্রের জন্য বেশ কয়েকটি সরকার-চালিত পেনশন স্কিম রয়েছে।  অটল পেনশন যোজনা, যা বিনিয়োগকারীর ৬০ বছর বয়সে ১০০০-১৫০০টাকা মাসিক প্রদান করে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মান-ধন যোজনা, যা রাস্তার সাফাই কর্মীদের এবং গার্হস্থ্য কর্মীদের  জন্য। ঘটনা হলো এই প্রকল্পে ১৮ থেকে ৪০ বছরের কোনও কর্মী যোগ দিতে পারবেন। সবচেয়ে কম ২০ বছর ধরে প্রতি মাসে টাকা রাখতে হবে।  এছাড়াও কৃষকদের জন্য রয়েছে স্কিম,  প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মান-ধন যোজনা। কিন্তু ৬০ বছর বয়স হওয়ার পরে মাসিক মাত্র ৩০০০ টাকা করে মিলতে পারে পেনশন। এমন কঠিন শর্তের কারণেই এই প্রকল্পগুলিতে সাড়া মেলেনি বিশেষ।

Comments :0

Login to leave a comment