Website launched in Domkal to connect with the MLA

ডোমকলে চালু বিধায়কের সঙ্গে সংযোগের ওয়েবসাইট

রাজ্য জেলা

ডোমকলের বিধায়কের সঙ্গে বিধানসভার সব মানুষের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম চালু হলো মঙ্গলবার। 'আমার ডোমকোল' ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা জানানোর ব্যবস্থা চালু হলো। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর এই কেন্দ্রেই প্রথম চালু হয়েছে এমন পরিষেবা। সিপিআই(এম) বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সরাসরি কথা বলছেন মানুষের সঙ্গে। 
এদিন ডোমকলে এই ওয়েবসাইট চালুকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানে অংশ নেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেছেন, কিউআর কোডে মোবাইলে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। পার্টি সাংগঠনিক ভাবে প্রতি সপ্তাহে নজর রাখবে। কোথায় কোনও সমস্যা, কীভাবে সমাধান করা যায়, সেই চেষ্টা চলবে। 
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয়েই প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। বীরভূমে টুলু মণ্ডল এবং সায়গল হোসেন সংক্রান্ত এক প্রশ্নে সেলিম বলেন, তৃণমূল কী করেছিল। যারা দাগী,। লুঠতরাজ করছে যারা, দুর্নীতি করছে, তাদেরকে পুলিশ পাহারা দিয়েছিল। এখন পরিবর্তনের নাম করে যে সরকার এসেছে তার মধ্যেও ওই দাগী তোলাবাজ এবং দুর্নীতিগ্রস্তরা অনেকে জড়ো হয়ে যাচ্ছে, ‘ভালো তৃণমূলের’ নাম করে।
সেলিম বলেন, আমি জিজ্ঞেস করি যে অনুব্রত মন্ডল কি ‘ভালো তৃণমূল’ না ‘খারাপ তৃণমূল’? 
সেলিম বলেন, শুধু ধরলে হবে না। শাস্তি দিতে হবে। জীবন কৃষ্ণর মোবাইল কাণ্ড বা কাকুর গলার স্বর পর্ব আমরা দেখেছি। আসল অপরাধী কি ধরা পড়ল? এখানেও সেই প্রশ্ন উঠবে। ডিম থেরাপির নামে নাটক নয়, অপরাধের বিচার হোক। 
ইন্দাসের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ককরোচ জনতা পার্টি এবং সেই সঙ্গে বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনগুলো শিক্ষাকে বাঁচানোর জন্য আন্দোলন করছে। স্কুলগুলির দুরবস্থা নিয়ে সে নিজের স্কুলে গিয়েছিল। প্রথম কথা কেন মরতে হলো বাবাকে? স্কুলের মাস্টার মশাই ওকে বললেন আলোচনা করব। তারপরে বিজেপির গুন্ডাদের খবর দিলেন। আর তারা এসে আরএসএস বিজেপির গুন্ডারা মারধর করল। 
সেলিম বলেন, রাজ্য পুলিশ নির্লজ্জের মতো বলছে ‘সামান্য ঘটনা’। কেন গিয়েছিল ওর বাড়িতে সন্ধ্যাবেলা? তারপরে বলছে একটু ব্লাড প্রেসার বেড়ে গিয়েছিল। দু’দিন লেগেছে ওর বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে। বেরোতে দেয়নি। তিনি বলেন, বর্ধমানে আমাদের ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীরা, মহিলা সমিতির কর্মীরা, বাধ্য করেছে যাতে ময়না তদন্ত হয়। দেহ নিয়ে যাওয়ার মতো কোনও ব্যবস্থা প্রশাসন করেনি। 
সেলিম বলেন, ইন্দাসের সেই আবদুল হাফিজের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। পুলিশ এখনও সবাইকে গ্রেপ্তার করেনি। তবে দাবির মুখে জানিয়েছে যে সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।
সেলিম বলেন, সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কাকে তাঁর সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন ভারত সভা হলে করতে দেওয়া হলো না।  বলছে পুলিশের চাপ আছে। এরা গণতন্ত্রকে শেষ করতে চাইছে। আমরা বলেছি দরকার হলে আমরা কলকাতায় আরো বড় করে জমায়েত ডেকে ওদের ডাকব। যাতে মানুষ ওদের কথা শুনতে পায়।

Comments :0

Login to leave a comment