চলতি বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে হতে পারে নির্বাচন। মঙ্গলবার ১৮টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানালেন বাংলাদেশের ফজল মহম্মদ সানাউল্লাহ।
তবে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার আরও জানিয়েছেন যে ইউনুস সরকার চাইছে নির্বাচন সংক্রান্ত কিছু সংস্কারের পর নির্বাচন করতে। সেই ক্ষেত্রে ওই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর যদি কোন মত পার্থক্য না থাকে তাহলে বছরের শেষে হতে পারে নির্বাচন। না হলে ২০২৬ এর মাঝামাঝি হবে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। তিনি আরও বলেছেন যে সরকার চাইলে স্থানীয় স্তরের নির্বাচন গুলো আগে হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের কথায় তাদের কাছে জাতীয় নির্বাচন সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেই মতো তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।
উল্লেখ্য জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অভ্যুত্থানের জেরে দেশ ছাড়তে হয় শেখ হাসিনাকে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউনুসের হাতে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে তা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কবে হবে। প্রথম ইউনুস সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল আইন অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে হবে নির্বাচন। কিন্তু দেখা যায় সরকার সেই পথে হাঁটেনি। এরই মধ্যে একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধেও মানুষের ক্ষোভ তৈরি হতে শুরু করেছে।
এখনও বাংলাদেশে থামেনি হিংসা। মৌলবাদী আগ্রাসনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। আওয়ামী লিগ সহ একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর আক্রমণ চলছে। এই পরিস্থিতিতে দাবি উঠেছে হাসিনার দল আওয়ামী লিগকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার। ইউনুস সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে প্রথম একটি বৈঠক করলেও তাতে ডাকা হয়নি আওয়ামী লিগকে।
এদিনের বৈঠকে ইউএনডিপি ছাড়াও বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, কানাডা, জার্মানি, চীন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ, তুরস্কের প্রতিনিধিরা।
Bangladesh
বছর শেষে হতে পারে বাংলাদেশে নির্বাচন

×
Comments :0