ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টি(মার্কসবাদী) কোচবিহার জেলা সম্পাদকমন্ডলীর প্রাক্তন সদস্য ও শিতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক হরিশচন্দ্র বর্মন রবিবার কোচবিহারে প্রয়াত হলেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
বেশকিছুদিন ধরেই তিনি জটিল রোগে ভুগছিলেন।রবিবার তিনি শিতলখুচির বাড়ি থেকে চিকিৎসার জন্য কোচবিহারে গিয়েছিলেন।সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
প্রয়াত হরিশচন্দ্র বর্মন ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সিপিআই(এম) দলের সংস্পর্শে আসেন।নিম্নবিত্ত কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা প্রয়াত নেতা ছাত্র আন্দোলন দিয়ে রাজনীতি শুরু করলেও অল্প সময়ের মধ্যে গনতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন ও কৃষকসভার আন্দোলনের নেতা হয়ে উঠেছিলেন।পরপর দুবার তিনি কৃষকসভার জেলা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
পার্টির সর্বক্ষনের কর্মী হবার জন্য তিনি প্রাথমিক শিক্ষকতার চাকরিও ছেড়েছিলেন।১৯৭৮ সালে তিনি প্রথমবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নির্বাচিত হয়ে কিছুদিন সভাপতির পদও সামলেছেন।
এদিন প্রয়াত নেতার মরদেহ প্রথমে সিপিআই(এম) জেলা পার্টি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।সিপিআই(এম) জেলা সম্পাদক অনন্ত রায়,প্রবীন নেতা তারিনী রায় সহ জেলা পার্টির সমস্ত নেতৃত্ব তাকে রক্তপতাকা,ও পুষ্পস্তবক দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।কৃষকসভা, সিআইটিইউ সহ বিভিন্ন গনসংগঠনের নেতৃত্ব প্রয়াত নেতাকে কোচবিহার জেলা অফিসে শেষ শ্রদ্ধা জানান।এরপর প্রয়াত নেতার মরদেহ মাথাভাঙা পার্টি অফিসে নিয়ে আসা হয়।এরপর শিতলখুচি পার্টি অফিস হয়ে মরদেহ যায় প্রয়াত নেতার বাড়িতে।
Comments :0