CEO Maharashtra on Form 6

মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফর্ম ৬ ভরানোর কৌশল কমিশনের, চিঠি মহারাষ্ট্রের সিইও-র

জাতীয়

প্রবল জনমতের চাপে ভোল বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে আগের মতন প্রক্রিয়া একই। স্বচ্ছতা না রেখে চুপিসারে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন বিএলও-দের কাছে পাঠানো নির্দেশে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে নাম এমন ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলছে। এস আই আর হয়ে গিয়েছে এমন ১৭ টি রাজ্যে ফের ভোটার তালিকায় সংশোধনের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য, বাদ পড়া কিছু নাম আপাতত ভোটার তালিকায় ফিরিয়ে এনে প্রতিবাদ ধামাচাপা দেওয়াই নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য। যার পিছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সরকার। 
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ফর্ম ৬ ভরা নিয়ে। বিহারে এর মধ্যেই বাদ যাওয়া ব্যক্তিদের ফর্ম ৬ ভরা অনুরোধ জানাচ্ছেন বিএলও-রা। কিন্তু এই ফর্ম ভরার কথা ভোটার তালিকায় প্রথমবার নাম তোলার জন্য। এই ফর্মে লেখাও থাকে প্রথমবার ভোট দেওয়ার জন্য। বিপদ হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ফাঁদে পড়ে বাদ যাওয়া নাম ফেরাতে এই ফর্ম ভরলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে শাস্তির মুখে ফেলা হতে পারে। 
এই বিতর্কে নতুন সংযোজন মহারাষ্ট্রে নির্বাচন কমিশনে সিইও' র পাঠানো চিঠি। এই চিঠিতে দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে ছয় নম্বর ফর্মে প্রথমবার নাম তোলার জন্য বলে চিহ্নিত অংশটুকু বাদ দেওয়া যায়। 
ফর্ম ছয় বিতর্ক এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে উঠেছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে এই ফর্ম কে বদলে আবেদনকারীর বাবা-মায়ের নাম ভোটার তালিকায় আছে না নেই সেই তথ্য চাওয়া হয়েছিল। আইন সংশোধন না করে নির্বাচন কমিশন ফর্মে এই বদলানো কি করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ২ সহযোগী নির্বাচন কমিশনাররা। 
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন ৬ নম্বর ফরম পুরনো বয়ানেই ফেরত এনেছে। প্রশ্ন উঠছে যা খুশি করেই চলতে পারে কিনা দেশের নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

Comments :0

Login to leave a comment