ঢাকুরিয়ায় সিপিআই(এম)’র স্টল বিনা নোটিশে ভেঙে দিয়েছে বিজেপি সরকারের পুলিশ এবং কর্পোরেশন। যুক্ত থেকেছে বিজেপি-ও।
এদিকে কাছে, যাদবপুরে এইট-বি বাস স্ট্যান্ডে প্রগতিশীল সাহিত্য বিক্রয় কেন্দ্র তুলে দিতে শনিবার, ১৭ অক্টোবর, সন্ধ্যায় গিয়েছে পুলিশ। লিখিত নির্দেশ দেখতে চেয়েছেন সিপিআই(এম) কর্মীরা। এই বীক স্টল ঘিরেও তীব্র উত্তেজনা চলছে।
ঢাকুরিয়ার বুকট স্টল প্রসঙ্গে সিপিআই(এম) নেতা অচ্যুৎ চক্রবর্তী জানান যে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয় গতকাল, শুক্রবার, থেকেই। ওই দিন উদ্বোধনের সময়েই পুলিশ বাধা দেয়। সে সময় ছিলেন সিপিআই(এম) নেতা শতরূপ ঘোষ, অধ্যাপক নন্দিনী মুখার্জি, প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং সিপিআই নেত্রী মধুছন্দা দেব। ছিলেন সিপিআই এবং সিপিআই(এমএল) লিবারেশন নেতৃবৃন্দও।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার লিবারেশনের স্টল ভাঙে বিজেপি দুষ্কৃতীরা। পুলিশ নিষ্ক্রিয় থেকেছে। মারধরও চলে। সিপিআই(এম)’র স্টলের জায়গায় সিপিআই(এমএল) লিবারেশন একসঙ্গে স্টল করে।
অচ্যুৎ চক্রবর্তী বলেছেন, সিপিআই’র স্টলও তুলে দিতে হুমকি দেয় পুলিশ। স্টল গুটিয়ে নিতে বাধ্য হব সিপিআই কর্মীরা। এরপর সিপিআই(এম)’র স্টল হয়ে দাঁড়ায় লক্ষ্য।
পুলিশের কাছে লিখিত নির্দেশ চাওয়া হলেও কিছু দেখাতে পারেনি। পুলিশ বলে লিখিত নির্দেশ নেই, মুখে বলে গেলাম। এবার আপনাদের ব্যাপার।
শনিবার সকালেই দেখা যায় ব্যানার ফ্ল্যাগ কাপড় ছিঁড়ে দিয়েছে পুলিশ। অথচ পাশে বিজেপি’র স্টল রয়েছে। পুলিশ বলছে বিজেপি’র স্টলের পারমিশন নাকি রয়েছে। সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ বলেছেন,
তা’হলে ৪৯ বছরের পুরনো স্টলের অনুমতি থাকবে না কেন। এদিন দুপুরে কেএমসি’র সদর দপ্তর থেকে বাহিনী নিয়ে এসে পুলিশ স্টল তুলে ফেলতে থাকে। অথচ, স্থানীয় থানা এবং জয়েন্ট সিপি হেড কোয়ার্টার্সকে অনুমতির জন্য চিঠি আগেই পাঠানো হয়েছিল।
অচ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, কোনও নোটিশ ছাড়া স্টল ভাঙল।
আমরা ক্ষতিপূরণ চাইছি। তবে বই বিক্রি বন্ধ করতে পারবে না। আমরা বাড়ি বাড়ি বই বিক্রি করব।
মধুছন্দা দেব বলেন, এতদিন কাউন্সিলর থেকেছে। তা সত্ত্বেও পুলিশের ব্যবহার অত্যন্ত রূঢ় এবং খারাপ। হুমকি দিয়েছে আমায়। পুজো মন্ডপের সামনে বই বিক্রি করব।
Comments :0