Amaravati Fire New Born

এবার অমরাবতী, বিদর্ভের হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত ৩ নবজাতক

জাতীয়

অমরাবতীর জেলা মহিলা হাসপাতালে এসএনসিইউ ওয়ার্ডে পোড়া যন্ত্রাংশ।

অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত কমিটি কী সুপারিশ দিল। কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো। মহারাষ্ট্রের বিদর্ভে বারবার অগ্নিকাণ্ডে শিশুমৃত্যুর পরও নেওয়া হয় না কেন ব্যবস্থা।
অমরাবতীর সরকারি হাসপাতালে আগুন লেগে তিন নবজাতকের মৃত্যুর এমন একাধিক প্রশ্নই তুলছেন ক্ষুব্ধ পরিজনরা। 
রবিবার গভীর রাতে আগুন লাগে স্পেশাল নিওনাটাল কেয়ার ইউনিটে। গভীর রাতে নার্সরা ছুটে গিয়ে শিশুদের সরিয়ে নিতে থাকেন। ৩৯ নবজাতক ভর্তি ছিল এই হাসপাতালে। তার মধ্যে সোমবার, ২৪ আগস্ট, সকালে তিন শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ধোঁয়া এবং দহনেই সদ্যোজাতরা প্রাণ হারিয়েছে। অমরাবতীর এই হাসপাতাল তেকে সরিয়ে আরও ৬ নবজাতককে ভর্তি করতে হয়েছে কাছের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। স্বাস্থ্য প্রশাসন জানিয়েছে এই শিশুদের পরিস্থিতি জটিল।
মৃত এক নবজাতকের বাবা স্বপ্নিল বার্গে সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, অন্য হাসপাতালে তাঁর সন্তানের জন্ম দেন স্ত্রী। শিশুটি কম ওজনের হওয়ায় ভর্তি করা হয় অমরাবতী জেলা মহিলা হাসপাতালে। নবজাতককে রাখা হয় স্পেশাল নিওনাটাল কেয়ার ইউনিটে।  ভোররাতে আগুন লাগার খবর পান তিনি। কোনও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হয় সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে একটি ভেন্টিলেটরে আগুন লাগে। তা থেকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে আগুন। ঘর ঢেকে যায় ধোঁয়ায়।
মহারাষ্ট্রের বিদর্ভের একাধিক জেলায় হাসপাতালে আগুন লেগেছে গত কয়েক বছরে। ২০২১-এ ভান্ডারার একটি হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে নবজাতক পরিচর্যার ওয়ার্ডেই মৃত্যু হয় ১০ শিশুর। প্রতিটি ঘটনার পরপর তোলপাড় হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তারপর কী হয় জানা যায় না, বলেছেন হাসপাতাল চত্বরে বহু মানুষ।
মহারাষ্ট্রে  বিরোধী এনসিপি(শারদ পাওয়ার) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে বলেছেন, এই ধরনের ওয়ার্ডে আগুন লাগার সম্ভাবনা বন্ধ করতে বিশেষ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। ‘ফায়ার সেফটি অডিট‘ কবে হয়েছে, আদৌ হয়েছে কিনা জানা প্রয়োজন। প্রতিটি হাসপাতালেই সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। আগুন লাগলে মোকাবিলার সরঞ্জাম পর্যাপ্ত ছিল কিনা দেখতে হবে। কেবল ‘সিট’ গঠন করে দিলেই চলবে না।

Comments :0

Login to leave a comment