গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে ৬৬ বছর বয়সী ভূষণ কুমার মিত্তলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে পাঞ্জাবের বার্নালা জেলার সেহনা গ্রামের ঘটনা।
এদিন সকাল ৫টা নাগাদ গ্যাস এজেন্সি দোকানের বাইরে সিলিন্ডারের জন্য লাইনে দাঁড়ান তিনি। ঘাটতির কারণে উদ্বেগে ছিলেন তিনিও। তাঁর লাইন ছিল ২৫ নম্বরে। সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘন্টা অপেক্ষার তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং মাটিতে পড়ে যান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষজন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেতে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান হৃদরোগ তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ভূষণ কুমার মিত্তলের মৃত্যু কেবল প্রশাসনের ব্যবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে না। বরং এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আমেরিকার চাপানো যুদ্ধের মূল্য এখন সাধারণ নাগরিকদের তাদের জীবন দিয়ে দিতে হচ্ছে।
সারা দেশে গ্যাস সেন্টার থেকে পেট্রোল পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইন। রান্নার গ্যাসের বুকিংও করতে পারছেন না বহু গ্রাহক। সেই সঙ্কটকে কার্যত অস্বীকার করে সরবরাহ শৃঙ্খল মসৃণ রয়েছে বলে সংসদে দাবি করে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার সংসদে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি দাবি করেছেন, ভারতে গৃহস্থালীর রান্নার গ্যাসের সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। তবে বাস্তবচিত্র এলপিজি গ্যাস নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিবাদ চলছে। অনেক রাজ্যে গ্যাস এজেন্সিগুলির বাইরে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। সিলিন্ডার কালোবাজারি এবং মজুত রাখারও অভিযোগ উঠছে। গ্যাস সঙ্কটের মধ্যেই কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। অনেক জায়গায় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের প্রায় ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি এমন যে মানুষ সিলিন্ডারের জন্য হাহাকার করছে। হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলি বন্ধ হওয়ার পথে।
শুক্রবার দেশে রান্নার গ্যাসের সঙ্কট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছএন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। তিনি দাবি করেছেন যে রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রোধে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। ছাত্রদের হস্টেলে প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরির মতো গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। ভোজ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
Death Gas Queue
পাঞ্জাবে গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের, দেশজুড়ে দুর্ভোগ
×
Comments :0