ওড়িশার বালেশ্বরে উদ্ধার হওয়ার পাঁচটি ওরাংওটাং শাবককে সম্ভবত আনা হয়েছিল বাইরে থেকে। কিন্তু কোথা থেকে আনা হয়েছে বা কারা পাচারকারী বোঝা যায়নি বুধবারও।
উদ্ধার হওয়া পাঁচ ওরাংওটাং শাবককে আনা হয়েছে ভুবনেশ্বের বিখ্যাত চিড়িয়াখানা নন্দন কাননে। সংক্রমণের সম্ভাবনা এড়াতে তাদের রাখা হয়েছে আলাদা করে।
এদিকে সিসিটিভি-তে ধরা পড়েছে ঘটনাস্থলে একটি কালো মাহিন্দ্রা থর জিপ। তা’হলে কি ওই জিপেই আনা হয়েছিল পাঁচটি ওরাংওটাং, উঠেছে প্রশ্ন।
বানরজাতীয় এই প্রাণী বিলুপ্তপ্রায়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে মঙ্গলবার রাত এগারোটা নাগাদ ওই রাস্তা দিয়ে জিপটি একবার গিয়ে ফিরে আসে। পাঁচটি ওরাংওটাং কিভাবে এল বালেশ্বরে তা খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে। ওড়িশার বনমন্ত্রী গণেশ রাম সিংখুন্তিয়া বলেছেন, ‘‘পাঁচটি প্রাণীকে দেখার জন্য বন দপ্তরের সব চিকিৎসকরা নেমেছেন। প্রিন্সিপাল চিফ কনজারভেটর অব ফরেস্টও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন।’’
একেকটি ওরাংওটাংয়ের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ২০-২৫ লক্ষ টাকা। ওরাংওটাং রহস্য ভেদ করতে রেল এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে সিসিটিভি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
Orangutans Balasore
পাঁচ ওরাংওটাং কিভাবে বালেশ্বরে, চলছে তদন্ত
বালেশ্বরের যঙ্গলে উদ্ধার হয়েছে বিরল ওরাংওটাং শাবক।
×
Comments :0