বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা হলে ইজরায়েলের কোনও বিদ্যুৎকেন্দ্র সুরক্ষিত থাকবে না। আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনির পালটা হুঁশিয়ারি জারি করে বলল ইরান।
ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ইরান না খুললে সব বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল করে দেওয়া হবে। ইরান তার পালটা কয়েকদফা শর্ত জারি করেছে। বলা হয়েছে যে ইরানের যে ক্ষতি করেছে আমেরিকা-ইজরায়েল, তার পুনর্গঠনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আমেরিকা-ইজরায়েল অক্ষের বড় দুশ্চিন্তা হয়েছে ডিমোনায় অঘোষিত পরমাণু কেন্দ্রে ইরানের হামলা। ইরান বলেছে যে তাদের পরমাণু কেন্দ্রে হামলার বদলা নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইজরায়েলের ডিমোনা পরমাণু কেন্দ্র নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চর্চা প্রবল। কারণ ইজরায়েল প্রকাশ্যে ঘোষণা করে না যে তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে।
এদিকে পরমাণু কেন্দ্রে হামলা ঘিরে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব টেড্রস আধানম ঘেব্রেয়ুসুস। তিনি বলেছেন, পরমাণু কেন্দ্রে হামলার পরিণতি খতিয়ে দেখছে আইএইএ। এখনও বিকিরণ ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ মেলেনি। এই হামলা যে কোনও সময়ে জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের সুরক্ষার পক্ষে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
এদিন ইরানকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ভেতর বামপন্থী এবং ডেমোক্র্যাটদের নিন্দা করতে ছাড়েননি ট্রাম্পে। ট্রাম্পের যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার নীতির বিপক্ষে জনমত সমানে বাড়ছে। সিবিএস-র সমীক্ষা জানিয়েছে যে ৬০ শতাংশের বেশি আমেরিকান মনে করছেন যে যুদ্ধ অপ্রয়োজনীয় ছিল। ইরানকে নিজেদের সুরক্ষার পক্ষে বিপদ বলে যুদ্ধের পক্ষে যুক্তি সাজিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। প্রশাসনের গোয়ন্দাবাহিনীই সেনেটের কমিটিতে জানিয়েছে ইরানের বিপদ সম্পর্কে টাটকা কোনও তথ্য হাতে ছিল না।
এদিকে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আমেরিকান মনে করছেন নিজেদের ইচ্ছেয় যুদ্ধ চাপানো হয়েছে। যুদ্ধের কোনও প্রয়োজন ছিল না।
Iran USA
ট্রাম্পকে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, যুদ্ধকে অপ্রয়োজনীয় বলছেন ৬০% আমেরিকান
×
Comments :0