Delhi CJP Parliament March

দিল্লি: বিকেলেও লাঠি, চাপের মুখে আলোচনায় সরকার, বৈঠক মন্ত্রীর

জাতীয়

রাত থেকে বিশাল পুলিশ বন্দোবস্তে দমে গেল না প্রতিবাদ। সারা দিন লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। ছুঁড়েছে টিয়ার গ্যাসও। তবু সোমবার বিকেলে সংসদ ভবনে সামনে শিক্ষা বাঁচানোর দাবি নিয়ে পৌঁছে যান প্রতিবাদীরা। 
সংসদও এদিন তোলপাড় হয় শিক্ষা বাঁচানোর দাবিতে। টেট-র প্রশ্নপত্র ফাঁস কেবল নয়, জাতীয় স্তের একের পর এক পরীক্ষা ঘিরে বেনিয়ম নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন বিরোধীরা। সেই সঙ্গে ওঠে রামমন্দিরে চুরির প্রসঙ্গও। সরকার আলোচনায় রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায় সংসদ। 
এদিকে বিকেল চারটেতেও সংসদ ভবনে সামনে লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। বিক্ষোভ না দমায় শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসার বার্তা পাঠানো হয়। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমে জানান যে তাঁদের সঙ্গে বসতে চেয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় জানানো হয় যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করছে প্রতিনিধিদল।
দুপুরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সঙ্গে। বৈঠকে ছিলেন বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীনও। 
জাতীয় স্তরের পরীক্ষাতেই পরপর হচ্ছে প্রশ্ন ফাঁস। সব পরীক্ষার কেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। চলছে বাণিজ্যিকীকরণ। শিক্ষা মন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উঠেছে এই কারণেই। ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই গোড়া থেকে রয়েছে আন্দোলনে। তারা এই দাবি তুলেছে। 
গত শনিবার অনশনরত সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনাম ওয়াঙচুককে জোর করে তুলে দেয় সরকার। তারপর এদিন বারবার লাঠিপেটা করা হয়েছে ছাত্রদের। সংসদ ভবনেই প্রতিবাদ জানান বিরোধী সাংসদরা। কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘‘কমবয়সীদের লাঠিপেটা করা হচ্ছে, অথচ আলোচনায় একবার বসার আগ্রহ দেখাচ্ছে না সরকার।’’ সমাজবাদী পার্টির সভাপতি ও সাংসদ অখিলেশ সিং যাদব বলেন, ‘‘সরকার না, চলছে অহঙ্কারের প্রদর্শন।’’ 
চাপের জেরে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে সরকার।

Comments :0

Login to leave a comment