গার্গী চ্যাটার্জী
বিদ্যুৎ আজ আর কেবল একটি পরিষেবা নয়; এটি মানুষের জীবন, জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম ভিত্তি। তাই বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যে কোনও নীতিগত পরিবর্তন কেবল প্রযুক্তিগত প্রশ্ন নয়, বরং জনস্বার্থ, সামাজিক ন্যায় এবং রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রশ্নও বটে। এই কারণেই স্মার্ট মিটার নিয়ে বিতর্ককে শুধু একটি নতুন প্রযুক্তির সুবিধা-অসুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে বিচার করলে তার প্রকৃত তাৎপর্য বোঝা সম্ভব নয়।
ভারতের বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের সূচনা হয় বিদ্যুৎ আইন, ২০০৩ কার্যকর হওয়ার পর। এই আইনের লক্ষ্য ছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগের প্রসার এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে বাজারমুখী কাঠামোর দিকে নিয়ে যাওয়া। পরবর্তীকালে RDSS (Revamped Distribution Sector Scheme)-এর মাধ্যমে স্মার্ট মিটার প্রকল্পকে এই সংস্কারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে সামনে আনা হয়।
সরকারের দাবি, স্মার্ট মিটার বসলে সঠিক বিলিং হবে, বিদ্যুৎ চুরি কমবে, রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা আরও আধুনিক ও দক্ষ হবে। এই যুক্তির প্রযুক্তিগত ভিত্তি অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন এখানেই শেষ হয় না। কারণ স্মার্ট মিটার কেবল একটি মিটার নয়; এটি এমন একটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে প্রি-পেইড ব্যবস্থা, সময়ভিত্তিক বিদ্যুতের মূল্য (Time-of-Day Tariff), দূর থেকে সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, রিয়েল-টাইম মূল্য নির্ধারণ এবং অন্যান্য বাজারমুখী নীতি সহজেই কার্যকর করা সম্ভব।
এই কারণেই বিদ্যুৎ কর্মচারী সংগঠন, উপভোক্তা সংগঠন এবং বহু বিশেষজ্ঞ স্মার্ট মিটারকে কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হিসাবে দেখছেন না। তাঁদের মতে, এটি বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর বেসরকারিকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কারণ মিটার পরিচালনা, তথ্য সংগ্রহ, সফটওয়্যা র নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণের বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার ভূমিকা ক্রমশ সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে স্মার্ট মিটারকে "Enabling Technology" বা "সক্ষমকারী প্রযুক্তি" বলা হয়। অর্থাৎ এটি নিজে কোনও নীতিগত পরিবর্তন নয়, কিন্তু এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে প্রি-পেইড ব্যবস্থা, সময়ভিত্তিক (Time-of-Day) ট্যারিফ, রিয়েল-টাইম মূল্য নির্ধারণ, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ (Demand Response), দূর থেকে সংযোগ পরিচালনা এবং অন্যান্য ডিজিটাল বিদ্যুৎ পরিষেবা কার্যকর করা সম্ভব হয়। এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত। কারণ বিদ্যুৎ কর্মচারী সংগঠনগুলির মতে, স্মার্ট মিটার প্রকল্পের সঙ্গে মিটার পরিচালনা, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ, সফটওয়্যা র নিয়ন্ত্রণ এবং যোগাযোগ অবকাঠামোর একটি বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে বেসরকারি প্রযুক্তি সংস্থার হাতে অর্পণ করা হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী, যা এতদিন সরকারি সংস্থার নিয়ন্ত্রণে ছিল, ধীরে ধীরে কর্পোরেট প্রযুক্তি সংস্থার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।
এই প্রবণতাকে তাঁরা বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর বেসরকারিকরণের একটি নতুন ধাপ হিসাবে দেখছেন। সমালোচকদের মতে, এই পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক নয়; এর সুদূরপ্রসারী নীতিগত প্রভাব রয়েছে। বিদ্যুৎ যদি ধীরে ধীরে একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থার অংশে পরিণত হয়, তাহলে সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিবর্তে বাণিজ্যিক যুক্তি প্রাধান্য পেতে পারে। অলাভজনক গ্রামীণ এলাকা, দরিদ্র পরিবার, কৃষক এবং ভরতুকিনির্ভর গ্রাহকদের পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, স্মার্ট মিটারকে শুধুমাত্র একটি আধুনিক মিটার হিসাবে বিচার করলে চলবে না; এটি বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পরিবর্তনের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত, সেই প্রশ্নটিও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলিও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজ্যের বর্তমান বিজেপি পরিচালিত সরকার নির্বাচনের সময় সাধারণ মানুষের কাছে প্রতি মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। বিদ্যুৎকে মানুষের মৌলিক প্রয়োজন হিসাবে তুলে ধরে এই প্রতিশ্রুতি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পরিবর্তে স্মার্ট মিটার স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে ২০২৭ সালের মধ্যে রাজ্যে ৪০ লক্ষ স্মার্ট মিটার বসানো হবে। এর মধ্য দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার কি সত্যিই সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো, নাকি বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ডিজিটাল পুনর্গঠন এবং বাজারমুখী সংস্কারের পথে আরও দ্রুত অগ্রসর হওয়া?
কেন উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ?
স্মার্ট মিটার নিয়ে উদ্বেগের মূল কারণ প্রযুক্তি নয়, বরং তার সম্ভাব্য সামাজিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব।
প্রথমত, ভবিষ্যতে যদি প্রি-পেইড ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে বিদ্যুৎ হয়ে উঠবে "আগে টাকা, পরে পরিষেবা"। অর্থাভাবে কোনও পরিবার সময়মতো রিচার্জ করতে না পারলে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুতের মতো অপরিহার্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এটি দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য গভীর সঙ্কট ডেকে আনতে পারে।
দ্বিতীয়ত, স্মার্ট মিটারের মাধ্যমে সময়ভিত্তিক বিদ্যুতের দাম কার্যকর করা সম্ভব। ফলে সন্ধ্যার মতো সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বিদ্যুতের দাম বেড়ে যেতে পারে। মানুষ যখন সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে বাধ্য, তখনই তাদের বেশি মূল্য দিতে হবে।
তৃতীয়ত, মিটার পরিচালনা ও গ্রাহক পরিষেবার বড় অংশ বেসরকারি সংস্থার হাতে গেলে সরকারি বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বিদ্যুৎ পরিষেবার চরিত্রকেই বদলে দিতে পারে।
চতুর্থত, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ফলে মিটার রিডিং, বিলিং ও সংশ্লিষ্ট বহু ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাজার হাজার স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীর জীবিকা অনিশ্চিত হতে পারে।
পঞ্চমত, স্মার্ট মিটার গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। এই তথ্যের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং বেসরকারি সংস্থার হাতে তার ব্যবহার নিয়ে এখনও বহু প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর নেই।
সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হলো, বিদ্যুৎ যদি ধীরে ধীরে কর্পোরেট মুনাফাকেন্দ্রিক বাজার ব্যবস্থার দিকে এগোয়, তাহলে কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যুৎ তখন আর নাগরিকের অধিকার নয়, ক্রয়ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কী বলছে?
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতাও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেয়। ব্রিটেনে বিদ্যুতের বেসরকারিকরণের পরে বিদ্যুতের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে— এমন সমালোচনা বহুদিন ধরেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্কট বাজারনির্ভর ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়ে বড় বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে জনগণের আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ নীতিতে পরিবর্তন আনতে সরকার বাধ্য হয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানির মতো দেশেও বহু ক্ষেত্রে জনস্বার্থ রক্ষায় পুনরায় সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা গেছে।
ভারতের ওডিশায় বেসরকারি বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে একাধিক বিতর্ক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পরিষেবা পুনরুদ্ধার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এসব অভিজ্ঞতা দেখায়— বিদ্যুতের মতো জনপরিষেবায় শুধু বাজারের যুক্তি যথেষ্ট নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্মার্ট মিটার নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিতর্ক নতুন নয়। পূর্ববর্তী সরকার পরীক্ষামূলকভাবে কিছু এলাকায় স্মার্ট মিটার বসানোর উদ্যোগ নিলে বহু গ্রাহকের অভিযোগ, অতিরিক্ত বিল এবং জনঅসন্তোষ সামনে আসে। বিদ্যুৎ কর্মচারী, উপভোক্তা সংগঠন ও বিভিন্ন গণসংগঠনের আন্দোলনের ফলে সেই উদ্যোগ কার্যত থমকে যায়।
বর্তমানে আবার বৃহৎ পরিসরে স্মার্ট মিটার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ নির্বাচনের সময় সাধারণ মানুষের কাছে প্রতি মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়িত না হলেও স্মার্ট মিটার প্রকল্পকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—সরকারের অগ্রাধিকার কি মানুষের বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো, নাকি বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ডিজিটাল ও বাজারমুখী পুনর্গঠন?
আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন প্রকাশ্যে বলেছিলেন, সাধারণ মানুষের বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসাতে দেওয়া হবে না। কিন্তু আজ তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার সরকারি কর্মচারীদের বাড়িতে বাধ্যতামূলকভাবে স্মার্ট মিটার বসানোর নির্দেশ দিচ্ছে। রাজনৈতিক অবস্থানের এই পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
বিদ্যুৎ কি অধিকার, না বাজারের পণ্য?
এই বিতর্কের কেন্দ্রে আসলে একটি মৌলিক প্রশ্ন রয়েছে— বিদ্যুৎ কি কেবল একটি বাণিজ্যিক পরিষেবা, নাকি এটি মানুষের মৌলিক অধিকারভিত্তিক জনপরিষেবা?
যদি বিদ্যুৎ জনপরিষেবা হয়, তাহলে তার পরিচালনায় সামাজিক ন্যায়, সর্বজনীন প্রাপ্যতা, স্বচ্ছতা এবং জনজবাবদিহি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। প্রযুক্তি অবশ্যই দরকার, কিন্তু প্রযুক্তি কখনও মানুষের অধিকারের উপরে স্থান পেতে পারে না।
স্মার্ট মিটার নিয়ে প্রশ্ন তোলা প্রযুক্তির বিরোধিতা নয়। প্রশ্ন তোলা হচ্ছে সেই নীতির বিরুদ্ধে, যা ভবিষ্যতে বিদ্যুৎকে কর্পোরেট মুনাফার বাজারে পরিণত করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের উপর নতুন আর্থিক ও সামাজিক বোঝা চাপাতে পারে।
আজকের প্রশ্ন কেবল স্মার্ট মিটার নয়। প্রশ্ন— ভারতের বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগবে? সেই পথ কি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের ধারণাকে শক্তিশালী করবে, নাকি বিদ্যুৎ পরিষেবাকে ধীরে ধীরে বাজারনির্ভর ব্যবস্থার হাতে তুলে দেবে?
অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ কর্মচারী, উপভোক্তা, কৃষক, শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন জনস্বার্থবিরোধী বলে মনে করা বহু সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে সরকারকে বাধ্য করেছে। আজও যদি বিদ্যুৎকে মানুষের অধিকার হিসাবে রক্ষা করতে হয়, তবে প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক জনআলোচনা, গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ জনমত।
কারণ বিদ্যুৎ কোনও বিলাসিতা নয়— এটি মানুষের জীবন, জীবিকা ও মর্যাদার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত একটি মৌলিক জনপরিষেবা। তাই বিদ্যুৎকে কর্পোরেট মুনাফার পণ্য নয়, মানুষের অধিকার হিসাবেই রক্ষা করতে হবে।
Market driven Power Policy
বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বাজারমুখী পুনর্গঠন
×
Comments :0