জনগণনায় কি অন্য অনগ্রসর অংশ বা ওবিসি-কে কমিয়ে দেখানোর রাস্তা খোলা রয়েছে?
জনগণনার প্রশ্ন এবং উত্তর নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া ঘিরে উঠেছে এই প্রশ্ন। ২০২৭’র জনগণনা প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপে জাতের গণনাও করা হবে। অভিযোগ, প্রশ্নের তালিকায় ওবিসি নথিভুক্তির জন্য আলাদা সারণি রাখা হয়নি।
অভিযোগ, জনগণনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা তৈরি প্রশ্নের ভিত্তিতে তথ্য নেবেন না। কম্পিউটারে কোনও মেনুতে গেলে ‘ড্রপ ডাউন’ প্রক্রিয়ায় নথিভুক্ত বিভাগ থাকে। কিন্তু জনগণনায় তা করা হচ্ছে না।
কংগ্রেসের নেতা এবং সাংসদ জয়রাম রমেশের অভিযোগ, ওবিসি জনগণনার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতির উলটো পথে হাঁটছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। জনগণনায় ওবিসি’র সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর রাস্তা খোলা রাখা হয়েছে।
এর আগে দেশে জনগণনা হয়েছে ২০১১-তে। প্রতি দশকে জনগণনা হলেও প্রথমবার তা হয়নি মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বেই। ২০২১-র জনগণনা পিছিয়ে দেওয়া হয় কোভিড পরিস্থিতির যুক্তিতে। অথচ সে সময়ে বিভিন্ন কাজ, এমনকি, বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে। ২০১১-তে আর্থ সামাজিক সমীক্ষা এবং জাতের গণনাও হয়।
রমেশ বলেছেন, ২০২১-এ সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছিল যে জাতের গণনায় আগে থেকে তৈরি ‘ড্রপ ডাউন’ মেনু ব্যবহার করলে ফলাফল আরও সঠিক হতো। তা’হলে ২০২৭’র জনগণনায় তা করা হচ্ছে না কেন।
এবারের জনগণনায় জন্মের তারিখ, বাবা-মায়ের জন্মস্থানেরও তথ্য কেন নেওয়া হবে, সে প্রশ্নও তুলেছেন রমেশ।
আধার নম্বর, কোভিড টিকা সংক্রান্ত তথ্যের মতো খুঁটিনাটির সঙ্গে জানা হবে ধর্মও। উল্লেখ্য, ২০১১’র জনগণনায় ২৯টি প্রশ্ন ছিল। এবার ১১টি প্রশ্ন বাড়িয়ে মোট ৪০টি বিষয়ে তথ্য নেওয়া হবে।
বিভিন্ন অংশই মনে করছে যে ২০১৯’র জাতীয় জনপঞ্জি বা এনসিআর-কে আপডেট করা হচ্ছে জনগণনায়। যার পরের ধাপ জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বা এনআরসি।
Census 2027 and OBC
ওবিসি নথিভুক্তিতে গরমিলের আশঙ্কা জনগণনায়
×
Comments :0