কার নির্দেশে বিহারের ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর 'একে-৪৭' দিয়ে গুলি চালানো হলো? এই প্রশ্ন কে ঘিরেই তোলপাড় বিহারের রাজনৈতিক মহল। গোটা দেশজুড়েই ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশি আক্রমণ ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন তৈরী হয়েছে, তার মধ্যে বিহারের এই ঘটনা রাজনৈতিক ভাবেও বেশ আলোড়ন তুলেছে।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চলা ছাত্রআন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিহারের ছাত্ররা যে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেমেছিল তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়। আন্দোলনকারীদের ওপর করা এফআইআর তুলে নেওয়া হবে, সোমবার এমনটাই ঘোষণা করেছি বিহার সরকার।
বিহার সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত রেজিস্টার হওয়া এই ধরণের কেস প্রত্যাহার করা হবে। স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে যাদের আর্রেস্ট কর হয়েছে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, অন্যান্য অভিযুক্তদের ওপরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
পাশাপাশি, বিহারে ছাত্র বিক্ষোভের সময় এক পুলিশকর্মীর একে-৪৭ ব্যবহারের ঘটনায় বিহার সহ গোটা দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনার উল্লেখ করে ওই দিনই বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব বলেন, কার নির্দেশে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার সময় একে-৪৭ (AK-47) রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছিল?
সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে যাদবকে বলতে শোনা যায়, “এই গুলি আকাশে ছোড়া হয়নি; বরং ন্যায়বিচার ও নিজেদের অধিকারের দাবিতে রাস্তায় শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদরত নিরীহ মানুষের বুক গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে একে-৪৭ ব্যবহারের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, তা উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীকে অবশ্যই স্পষ্ট করতে হবে। পাশাপাশি, পুলিশ কীভাবে বেশ কয়েকজন ছাত্রের বিরুদ্ধে ‘হত্যার চেষ্টার’ অভিযোগ দায়ের করল, তারও ব্যাখ্যা দিতে হবে।
BIHAR Fire on students
কার নির্দেশে বিহারে ছাত্রদের উপর চললো গুলি? সম্রাট চৌধুরীর কাছে জবাব চাইলেন তেজস্বী
×
Comments :0