Chorbagan SIT

চোরবাগানের মণ্ডপ না খোলার নির্দেশ ‘সিট’-র, ধৃত ঘোষক

কলকাতা

চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে, কিন্তু মণ্ডপ খোলা যাবে না। বৃহস্পতিবার চোরবাগানের ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সিটের প্রধান কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। গত ১৬ অক্টোবর পদপিষ্ট হয়ে দর্শনার্থদের মৃত্যুর তদন্তে সিট গড়া হয়েছে। 
এদিকে এই পুজোর ঘোষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, চোরবাগানের মণ্ডপ পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সিটের প্রধান অনিন্দিতা রায় সরস্বতী ও এডিজি এসটিএফ জাভেদ শামীম।      
এদিন সন্ধ্যা ৬:৫০ নাগাদ প্রথমবার চোরবাগানে আসে রাজ্য সরকারের গড়ে দেওয়া সিট। সেটের ৬ সদস্যই এদিন উপস্থিত ছিলেন। গোটা মণ্ডপ ও আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনিন্দিতা রায় সরস্বতী বলেছেন, "দুর্ঘটনা মণ্ডপের ভিতরে হয়নি। এক্সিট গেটের বাইরে ঘটেছে।" 
দুর্ঘটনার পর থেকেই এই অভিযোগ উঠছিল। সেই অভিযোগের মান্যতা দিয়েছে সিট-ও। সিট প্রধান জানিয়েছেন, "মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলো ছিল না। সেই সময় যেমন আলো ছিল, সে ভাবেই রাখা হয়েছে। আলো খুবই কম ছিল।" এছাড়াও তিনি বলেছেন, মণ্ডপে প্রবেশ এবং প্রস্থানের রাস্তা অত্যন্ত সরু ছিল। 
তিনি বলেছেন, "প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে। কিন্তু মণ্ডপ হুবহু একই রকম থাকবে। সেই ভাবেই নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করতে হবে।" 
থ্রি ডি ক্যামেরা দিয়ে গোটা চোরবাগানের পূজা মণ্ডপ ও আশেপাশের এলাকার ছবি তোলা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ফরেন্সিক টিম তল্লাশি চালিয়েছে।  
অভিযোগ, দুর্ঘটনার সময় একটি ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই পুজো কমিটির কেউ মাইকে ঘোষণা করেন যে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে। সেই ঘোষণার পর সবাই দ্রুত মণ্ডপ ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যেতে থাকে। আতঙ্কিত হয়ে আরও বেশি হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। সেই ঘোষককে বৃহস্পতিবার নদীয়া থেকে আটক করে পুলিশ। নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। অনেকক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার করে হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টু। জানা গিয়েছে এই সেন্টু দীর্ঘ দিন ধরে এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

Comments :0

Login to leave a comment