TMC

অভিষেক ব্যানার্জি সাসপেন্ড, দাবি বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের

রাজ্য

অপসারিত মমতা ব্যানার্জি। সাসপেন্ড করা হল অভিষেকে ব্যানার্জিকেও। দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে মমতা ব্যানার্জিকে সরিয়ে দিল তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবির। একইসঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে অভিষেক ব্যানার্জিকে। সোমবার রাজ্য বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের পর নিউটাউনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবির।
এদিনের বৈঠক থেকে গঠিত করা হয় বিক্ষুদ্ধ তৃণমূলের নতুন ওয়ার্কিং কমিটি। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন- আখতারুজ্জামান। ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম,রথীন ঘোষকে। মমতা ব্যানার্জির জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বে রাজারহাটের এক পাঁচতারা হোটেলে বৈঠকে হাজির ছিলেন কলকাতা কর্পোরেশনের তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরা। শুধু কলকাতায় নয় বহরমপুর পৌরসভা, মুর্শিদাবাদ পৌরসভার বহু তৃণমূল কাউন্সিলর এই বৈঠকে ছিলেন। বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, এদিনের বৈঠকে ৬০ জন বিধায়ক ছাড়াও হাজির ছিলেন কলকাতার প্রায় ৭০ জন প্রাক্তন কাউন্সিলর। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকেও বেশ কিছু বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলর এদিনের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। ছিলেন এক সময়ে মমতা ব্যানার্জির ছায়াসঙ্গী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসও। ছিলেন শিউলি সাহা, জাভেদ খান, অরূপ রায়ও। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানার দিয়ে এদিনের সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাম দেওয়া হয় স্পেশাল সেশন। কিন্তু এই ব্যানারে রাখা হয়নি মমতা বা অভিষেকের ছবি। তৃণমূলের প্রতিক ছিল  মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বি আর আম্বেদকরের ছবি। 
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তৃণমূলের বিধায়ক কুনাল ঘোষ দাবি করেছেন,‘‘তৃণমূলের যা কাঠামো। এগুলো করার এক্তিয়ার ওদের নেই।’’ 
দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বৈশ্বানর চ্যাটার্জি বলেছেন, ‘‘মমতা ব্যানার্জি মানেই তৃণমূল, তৃণমূল মানেই মমতা ব্যানার্জি। আমরা মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে আছি, তৃণমূলের সঙ্গে আছি। এরা সকলে সুযোগ সন্ধানী। আমি এর বেশি কোনও মন্তব্য করবো না।’’

Comments :0

Login to leave a comment