Election 2026 Kashipur

লাল ঝান্ডা ওড়ানোর শপথ নিচ্ছেন, জোট বাঁধছেন কাশিপুরের মানুষ

জেলা বাংলা বাঁচানোর ভোট

১৫ বছর  কাশিপুরের মানুষ দেখল দুই দলেরই বিধায়ককে। প্রথম ১০ বছর শাসকদলের। তারপরের পাঁচ বছর বিজেপির। এই ১৫ বছরে উন্নয়ন কি সেটা কাশিপুরের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। বিদ্যালয়ের জন্য দান করা কাশিপুর রাজ পরিবারের জমিও দখল হয়ে যায় শাসকদলের মদতে। দেখেছে আদিবাসী মানুষদের পীঠস্থান পাহাড় কেটে নেওয়ার চক্রান্ত। আদিবাসী মানুষ রুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই কাশিপুর বিধানসভায় মানুষ দেখেছেন কিভাবে দিনের পর দিন শাসকদলের মদতে পাহাড় কাটায় চক্রান্ত হয়েছে। এলাকার মানুষ বিশেষত মহিলারা পথে নেমে সেই পাহাড় কাটা রুখতে সচেষ্ট হয়েছেন। এই কাশীপুরের মানুষ দেখেছে বর্ষীয়ান সিপিআই(এম) নেতা বাসুদেব আচারিয়াকে রাস্তায় ফেলে শাসক দলের পোষা গুন্ডাদের গুন্ডামি। এই কাশিপুরের মানুষ দেখেছে করোনার পরে কয়েকশো বেকার যুবক বাড়ি ফেরার কষ্ট ভোগ করা। এই বিধানসভার মানুষ দেখেছে উন্নয়নের নামে কিভাবে কোটি কোটি টাকা লুঠ করা হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুট করাটাও মানুষ দেখেছেন। পনেরো বছরের অভিজ্ঞতা থেকে এবার কাশিপুর বিধানসভার মানুষ সত্যিই পরিবর্তন চাইছেন। সিপিআই(এম) প্রার্থী পেশায় শিক্ষিকা। এবিটিএ’র কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য। প্রার্থী সুলেখা বাউরী জানাচ্ছেন এই অঞ্চলের মাঠ ঘাট পাথর ঘাস সবই তাঁর পরিচিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সূত্রে প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে অবাধ যাতায়াত। কাশিপুরের মানুষ একসময় দেখেছে কিভাবে বামফ্রন্টের আমলে অপারেশন বর্গা হয়েছে, কাশিপুর কলেজ হয়েছে, হাসপাতাল হয়েছে স্কুল  হয়েছে, নানা উন্নয়নমুখী কাজ হয়েছে। আর এই আমলে স্কুল বন্ধ হয়েছে। গত কয়েক বছরে মানুষের অভিজ্ঞতা এক অন্য মাত্রা দিচ্ছে। কাশিপুরের ঘরের মেয়েকে প্রার্থী পেয়ে মানুষজন এবার প্রতিবাদে সোচ্চার হচ্ছেন। জোট বাঁধছেন। শপথ নিচ্ছেন- এবার কাশিপুরে লাল ঝান্ডা উড়বেই।

Comments :0

Login to leave a comment