মীর আফরোজ জামান, ঢাকা
বিএনপি সরকারের আমলে ১৯৯২ সালের ১৭ই আগস্ট জননেতা রাশেদ খান মেনন দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িক শক্তির হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। প্রতিক্রিয়াশীল ঐ শক্তি রাশেদ খান মেননের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিতে চেয়েছিলো কিন্তু দেশের আপামর জনগণের প্রতিরোধের মুখে সেটি পারেনি। হত্যা প্রচেষ্টার ৩৪তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ স্মরণ করেন সেদিনের সেই দিনগুলোর কথা।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাশেদ খান মেননসহ ঐ সকল হত্যাকান্ডের কোন বিচারই সম্পন্ন হয়নি। রাশেদ খান মেনন মুক্তিযুদ্ধের যেমন সংগঠক, তেমনি মওলানা ভাসানীর উত্তরাধিকার বামপন্থী আন্দোলনের জননন্দিত নেতা। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তি সাম্প্রদায়িক শক্তি রাশেদ খান মেননের পথ চলা বার বার থামাতে চেয়েছে, গরীব মেহনতী মানুষের সোচ্চার কন্ঠ মেনন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বার বার রুখে দাঁড়িয়েছেন।
ওয়ার্কাস পার্টির নেতৃত্বের কথায়, ২০২৪ এর ৫ আগস্ট পরবর্তীতে রাজনীতির ষড়যন্ত্রে রাশেদ খান মেননকে দু' বছরের অধিক সময়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে। সাম্রাজ্যবাদী মৌলবাদী শক্তি ১৯৯২ সালে তাকে হত্যা করতে না পারলেও এখন যড়যন্ত্র করে কারাগারে আটকে রেখেছে। অবিলম্বে সকল মামলা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দিতে হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন হত্যা প্রচেষ্টার ৩৪ তম বার্ষিকীতে "সন্ত্রাস প্রতিরোধ" দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমেদ বকুল উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। ৩০ তোপখানা রোড পার্টি অফিস প্রাঙ্গণে মিছিল পূর্ব সমবেশের ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জননেতা মাহমুদুল হাসান মানিক। বক্তৃতা পর্ব শেষে মাহমুদুল হাসান মানিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগে এক বিক্ষোভ মিছিল পল্টন, প্রেসক্লাব, কদম ফোয়ারা ঘুরে পার্টি অফিসে এসে শেষ হয়।
Comments :0