Sloth Bear

কোটশিলা বনাঞ্চলে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পরল ২ শ্লথ ভালুক শাবকের ছবি

জেলা

বন্যপ্রাণ রক্ষা করতে আলোচনায় বনদপ্তরের আধিকারিক এবং বন কর্মীরা।

বনদপ্তরের লাগানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় এর আগেই ধরা পড়েছিল পুরুলিয়ার ঝাড়খন্ড সীমান্ত লাগোয়া কোটশিলা বনাঞ্চল এলাকার শ্লথ ভালুকের ছবি। এবার সেই ক্যামেরায় ধরা পরল ২ শ্লথ ভালুক শাবকের ছবি। তারপরই নড়েচড়ে বসে বন দপ্তর। বনদপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা বনাঞ্চল পরিদর্শন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভালুক এবং তার শাবকেরা যে জঙ্গলে রয়েছে তার চারপাশের এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে বনকর্মী এবং যৌথ বন পরিচালন কমিটির সদস্যরা বিশেষ নজরদারি চলাবেন। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে শাবক যদি সঙ্গে থাকে তাহলে এই প্রজাতির ভাল্লুকের মেজাজ কিছু উগ্র থাকে। তাই জঙ্গলে এলাকার মানুষের আনাগোনা কিছুটা নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে বনদপ্তরের আধিকারিকেরা।
এর আগেই বনদপ্তরের পাতা ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল কোটশিলার বিস্তীর্ণ জঙ্গলে চিতাবাঘ থেকে হ্যানি বাজারের মতো প্রাণীর। কয়েক দিন আগে কোটশিলা রেঞ্জের একটি জঙ্গলে ভেজা মাটিতে একাধিক জায়গায় চিতাবাঘের পায়ের স্পষ্ট দাগও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে বনদপ্তর সূত্রে । আগেও এই জঙ্গলে চিতা বাঘ ছিল। তবে সাম্প্রতিককালে তাদের গতিবিধির কোন খবর ছিল না। হয়তো তারা পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে চলে গিয়েছিল। ফের তারা ফিরে এসেছে কিনা সেটার জন্য নজরদারি চলছে। শ্লথ ভাল্লুকের অস্তিত্ব এই জঙ্গলে এর আগেই পাওয়া গিয়েছিল। এরা মূলত নিশাচর প্রাণী। তবে দিনের বেলাতেও দেখা যায়। বন্য পরিবেশ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচে ।এদের শরীর কালো লোমে ঢাকা থাকে। নখ খুবই লম্বা এবং বাঁকানো। অনায়াসে এরা গাছে উঠে যেতে পারে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে কিছুদিন আগে ওই জঙ্গলে  গ্রামের কয়েকজন মানুষ শুকনো ডালপালা সংগ্রহ করতে ঢুকেছিলেন। সেই সময় তারা একটি গুহার কাছে দুটি শাবক দেখতে পান। বনদপ্তরের কাছে খবর যাবার পর বনদপ্তর একাধিক জায়গায় ট্র্যাপ ক্যামেরা বসায়। আর তাতেই ধরা পড়েছে শাবকদের ছবি। জঙ্গলে বন্যপ্রাণীদের গতিবিধির দিকে বিশেষ নজরদারি করছে বনকর্মী সহ আধিকারিকেরা।

Comments :0

Login to leave a comment