শাসন ক্ষমতায় এক মাস পার না হতেই রাজ্যের শাসক দলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠী কাজিয়া, দলীয় কর্মীদের দল বেঁধে সাধারন মানুষদের ওপর হামলার ঘটনা যেন বিগত ১৫ বছরকেই মনে করাচ্ছে! সাধারন মানুষ দেখছেন দু পক্ষের হাতেই বিজেপির পতাকা অথচ একদল বিজেপি সমর্থকেরা বলছেন, হামলাকারীরা বিজেপিরই সমর্থক!
গত ২৪ মে মাঝরাতে শিতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি ও তার ৪ সঙ্গীকে মারধোর, গাড়ি পুড়িয়ে দেবার অভিযোগ উঠেছিল দলেরই বর্তমান মন্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে! সেই অভিযোগের কিনারা হতে না হতেই বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা নাগাদ শিতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের বৈরাগীরহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেঙ্গলদই এলাকায় মাথাভাঙ্গা -শিলিগুড়ি সড়ক পথের পাশে অবস্থিত পুজা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে হামলা চালায় ৫০/৬০ জনের একটি দল। হামলাকারীরা বাইক নিয়ে এসেছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভাঙচুর চালিয়ে দলটি বাইক নিয়ে চলে যায়। হামলাকারীরা বিজেপি কর্মী বলেই অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখলেই অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব।
এদিকে দিনহাটার গিতালদহ -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাকবাংলো এলাকায় একদল নব্য বিজেপির সাথে আদি বিজেপির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মী মিঠুন ঘোষ, স্বপন বর্মন, রঞ্জিত বোস এবং রাকেশ বর্মনদের অভিযোগ হামলাকারিরা আমাদের দলের কেউ নয়। বিজেপি জেতার পর বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে এলাকায় নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে!
অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তাদের মধ্যে মোফাজ্জেল শেখ নামে একজন দাবি করেন, তিনি ২০১৩ সাল থেকে বিজেপি করছেন। যারা আহত হয়েছে তারাই আগে তৃণমূল করতো।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ভোটের ফল প্রকাশ হতেই বিজেপির আদি ও নব্যদের মধ্যে এলাকার ক্ষমতা কাদের হাতে থাকবে তাই নিয়ে রেষারেষি চলছিল। ফের দুই পক্ষের হামলা- পালটা হামলার ভয়ে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
Comments :0