কেয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণার পরই লেবার পার্টির অন্যতম নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম নিজেকে দাবিদার ঘোষণা করলেন।
দলের মধ্যে প্রবল চাপের কারণে পদত্যাগ করতে হয়েছে স্টারমারকে।
লেবার পার্টির প্রাক্তন নেতা এবং ব্রিটেনে জনতার অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ জেরেমি করবিন বলেছেন, ‘‘একজন নেতা বদল হলেই ব্রিটেনের দারিদ্র, গৃহহীনতার মতো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না। তার জন্য দরকার পরিবর্তনকামী নীতির। যে নীতি বেসরকারিকরণের পক্ষে সওয়াল করবে না। ব্যয় সঙ্কোচনের নামে সঙ্কটকে গরিবের ওপর চাপিয়ে দেবে না।’’
করবিন বলেছেন, ‘‘কের স্টারমার শিশু দারিদ্র, গৃহহীনতা এবং ব্যাপক আর্থিক বৈষম্য নিরসনে কাজ করতে পারতেন। তা তিনি করেননি। বরং বিপন্ন মানুষকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন তিনি। নাগরিক স্বাধীনতা ধ্বংস করেছেন। গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছেন।’’
ব্রিটেনের অর্থনীতি সামলাতে পারেননি স্টারমার। লেবার পার্টির নেতা হলেও দক্ষিণপন্থী রাজনীতির দৃষ্টিভঙ্গি মেনেছেন একাধিক ক্ষেত্রে। অর্থনীতির পাশাপাশি অভিবাসন বিরোধী নীতি নিয়েই চলেছে তাঁর সরকার। দক্ষিণপন্থী শক্তি আরও জোরালো হয়েছে। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে লেবার পার্টির।
ব্রিটেনের রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলেছে, ১০ বছরে ৬বার বদলালো প্রধানমন্ত্রীর মুখ। কিন্তু সঙ্কট থেকে বেরতে পারল না ব্রিটেন।
স্টারমার এদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে ঘোষণা করেন যে তিনি ছাড়ছেন দায়িত্ব। লেবার পার্টির ১০০ সাংসদ তাঁর প্রতি অনস্তা জানান।
Keir Starmer
নেতা নয় নীতির বদল‘, ১০ বছরে ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী বদলে বললেন করবিন
×
Comments :0