অভিযুক্ত সেই রাজেশ এক্সপোর্টসের দপ্তরে তল্লাশি চালালো ইডি। শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক ‘সেবি‘ এই সংস্থার হিসেবে বড় গরমিলের অভিযোগে তদন্ত করছে। বেঙ্গালুরু এবং মুম্বাইয়ে সংস্থার ৯টি দপ্তরে তল্লাশি চালানো হয়।
গোলমেলে এই সংস্থা রাজেশ এক্সপোর্টের শেয়ারে বিনিয়োগ থেকে দূরে থেকে বিভিন্ন বেসরকারি মিউচুয়াল ফান্ড। আর্থিক সংস্থাগুলিও বিনিয়োগ করেনি হিসেব ঘিরে সন্দেহ থাকায়। অথচ এই সংস্থাতেই বিপুল মাত্রায় বিনিয়োগ করেছে রাষ্টরায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি।
‘সেবি’-র অভিযোগ রাজেশ এক্সপোর্টস আয়ের যে হিসেব দেখিয়েছে তার মধ্যে ১৫ লক্ষ কোটি টাকা ভাঁড়ানো হয়েছে। ব্যবসা আয়তন ফাঁপানো হয়েছে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করার জন্য।
এই সংস্থাই কিনে নিয়েছে সুৎজারল্যান্ডের সোনা পরিশোধন সংস্থা ভ্যালক্যাম্বিকে। রাজেশ এক্সপোর্টস সেবি-র কাছে দাখিল হিসেবে দেখিয়েছিল যে সুইৎজারল্যান্ডে তাদের এই সংস্থা থেকে বিপুল আয় আসে। কিন্তু খাতাপত্র খুঁজে দেখা যায় হিসেবে গুরুতর গরমিল রয়েছে।
Rajesh Exports ED
হিসেব ভাঁড়ানোয় অভিযুক্ত রাজেশ এক্সপোর্টসে তল্লাশি ইডি-র
×
Comments :0